জনমানবহীন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত জনমানবহীন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত – CTG Journal

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
গণমাধ্যমের জন্য জরুরি ভিত্তিতে প্রণোদনা প্যাকেজ দাবি এডিটর্স গিল্ডের খালেদা জিয়ার বাসার সামনে পুলিশি নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন দুযোর্গ এড়াতে ‘করোনা’ মোকাবিলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ বিতরণ করলেন লক্ষ্মীছড়ি ইউএনও ‘করোনা’ মোকাবিলায় দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে লক্ষ্মীছড়িতে চলছে তৃতীয় দিনের কার্যক্রম ইতালিতে আক্রান্ত ৬ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী, মৃত ৫১ চিকিৎসক ভারতে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ করোনা নিয়ে গুজব ছড়ালে ব্যবস্থা: আইজিপি সারাদেশে মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবুতোরাবে ছাত্রলীগ-যুবলীগের উদ্যোগে ছিটানো হলো জীবানুনাশক পানি কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক ও ছাত্রলীগের উদ্যোগে পরিস্কার পরিছন্নতা অভিযান করোনা টেস্ট করিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসায় কোয়ারেন্টিন থাকার নিয়মাবলী
জনমানবহীন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

জনমানবহীন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত দর্শনে যেখানে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের সমাগম হতো, আর এখন সেখানে হঠাৎ জনমানবহীন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সারাদিন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে কোন পর্যটক নামেননি। করোনা ভাইরাসের কারণে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাব্যাপী জনসমাগম ও পর্যটক সমাগম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজারে পর্যটক আগমন করতে দেওয়া হচ্ছে না।

দিনব্যাপী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমুদ্র সৈকতের তিনটি প্রবেশ মুখে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। চলছে প্রচারপত্র বিলি। সমুদ্র সৈকত ও আশপাশের এলাকায় পর্যটকদের সৈকতে না নামার জন্য চলছে জেলা প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের মাইকিং করে করোনা ভাইরাসের বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হচ্ছে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও আশপাশের এলাকায় পর্যটকদের সৈকতে না নামার নির্দেশনা দিয়ে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পৃথকভাবে মাইকিং করা হচ্ছে। একই সময় সৈকতে থাকা পর্যটকদের ট্যুরিস্ট পুলিশ ও বিচ কর্মীরা সৈকত থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘উপরের নির্দেশে আমরা মাইকিং করছি। একই সঙ্গে সমুদ্র সৈকতের লাবণী, সুগন্ধা, ডায়বেটিক ও কলাতলী পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এসব পয়েন্ট দিয়ে সৈকতে কোনও পর্যটককে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।’ শহরের প্রবেশমুখে চেকপোস্ট বসানো হবে বলেও জানান তিনি।
এদিকে, কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, কক্সবাজার জেলাব্যাপী কোথাও এই পর্যন্ত কোনও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সন্ধান মিলেনি। তবে এই পর্যন্ত ৬ জন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়াও হোম কোয়ারেন্টিন অমান্য করায় কক্সবাজারের চকরিয়ায় এক প্রবাসীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারণে কক্সবাজারের সব পর্যটন স্পট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইভাবে কক্সবাজার জেলার প্রবেশদ্বারে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট। হাটবাজার গুলোতে যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম শিথিল থাকে সেজন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়েছে। সব মিলিয়ে কক্সবাজারে এখনো করোনায় সার্বিক পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT