আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের সদিচ্ছার প্রশংসায় পাকিস্তান আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের সদিচ্ছার প্রশংসায় পাকিস্তান – CTG Journal

রবিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:৪২ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের সদিচ্ছার প্রশংসায় পাকিস্তান

আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পের সদিচ্ছার প্রশংসায় পাকিস্তান

আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সদিচ্ছার প্রশংসা করেছে পাকিস্তান। শনিবার মুলতানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ নিয়ে কথা বলেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তালেবানের সঙ্গে পুনরায় সংলাপ শুরুর ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সদিচ্ছা রয়েছে। এটি একটি ইতিবাচক দিক।

শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেন, পাকিস্তানের প্রত্যাশা যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যকার আলোচনা শিগগিরই শুরু হবে। এই আলোচনা আফগানিস্তান তথা এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করবে।

আফগানিস্তানে শান্তি ও সৌহার্দ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন শাহ মাহমুদ কুরেশি।

এর আগে বৃহস্পতিবার আকস্মিকভাবে আফগানিস্তান সফরে যান ট্রাম্প। সফরে ট্রাম্প জানান, তালেবানরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে চায়। ওয়াশিংটন এখনও তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছি। আগে রাজি না থাকলেও এখন তারা রাজি হয়েছে। আমার মনে হয় এবার ফলপ্রসূ আলোচনা হবে।’ পরে তালেবানের পক্ষ থেকেও কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অনানুষ্ঠিক সিরিজ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে তালেবান সরকারকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে। তখন থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে দলটি। দীর্ঘ ১৮ বছরের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের জুন থেকে কাতারের রাজধানী দোহায় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা শুরু করে তালেবান। এক পর্যায়ে একটি শান্তিচুক্তির ব্যাপারে একমত হয় উভয় পক্ষ। তবে ট্র্রাম্পের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে ওই চুক্তি ভেস্তে যায়।

সম্প্রতি আফগানিস্তানের মার্কিন সমর্থনপুষ্ট সরকার তালেবান নেতা আনাস হাক্কানি ও অন্য দুই শীর্ষ পর্যায়ের কমান্ডারকে দলটির কাছে হস্তান্তর করে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার দুই অধ্যাপককে মুক্তি দেয় তালেবান। এর মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে দলটির নতুন আলোচনার বিষয়টি সামনে আসে। এর মধ্যেই ট্রাম্পের ঘোষণার মধ্য দিয়েই বিষয়টি পরিষ্কার হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT