আরো ৫০০ শয্যা বাড়ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরো ৫০০ শয্যা বাড়ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে – CTG Journal

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
হাজি সেলিমের ছেলের টর্চার সেলে মিললো হাড়, দড়ি ও হ্যান্ডকাফ যা থাকছে মুজিব বর্ষের বিশেষ অধিবেশনে ইন্টারনেটের গতি কমে যেতে পারে নাইক্ষ্যংছড়ির দু’পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের মারমূখী অবস্থানের নিরসন করলেন দু’ইউএনও রামগড়ে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব বাইশারীর শ্রমিকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল গর্জনিয়ায় অবৈধ বসতঘর উচ্ছেদ করলো বন বিভাগ বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গাপূজা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ওয়েবসাইট খুলে পণ্য খালাসের চেষ্টা! হাজী সেলিমের ছেলে ও দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা হাজী সেলিমের ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ, অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নৌবাহিনী কর্মকর্তাকে মারধর: হাজী সেলিমের ছেলে গ্রেপ্তার
আরো ৫০০ শয্যা বাড়ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

আরো ৫০০ শয্যা বাড়ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ বিদ্যমান শয্যা সংখ্যার সাথে আরো ৫০০ শয্যা বাড়ছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে। আর নতুন অবকাঠামোতেই এই শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হবে। ‘বর্তমান অবকাঠামো উন্নয়ন ও বর্ধিতকরণের মাধ্যমে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক এক প্রকল্পের আওতায় শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

চমেক হাসপাতালসহ দেশের পুরাতন মোট ৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। বাকি চারটি হাসপাতালের মধ্যে রয়েছে রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশালের শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং রাজশাহী ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এ প্রকল্পের আওতায় অতিরিক্ত ৫০০ শয্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে হাসপাতালগুলোর কাছে তথ্য–উপাত্ত চেয়ে গত ৮ ফেব্রুয়ারি চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. কাজী জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়– ‘পুরাতন ৫ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বর্তমান অবকাঠামো উন্নয়ন ও বর্ধিতকরণের মাধ্যমে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যমান শয্যা সংখ্যার সাথে আরো ৫০০ শয্যা সংযুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন ৫০০ শয্যাকে সুসজ্জিত ও রোগীদের সেবা প্রদানের উপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য জরুরি ভিত্তিতে অধিদফতরে প্রেরণের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে চিঠিতে।

প্রয়োজনীয় তথ্যের মধ্যে কোন বিভাগে কতটি শয্যা বৃদ্ধি করা হবে, বিভাগ ভিত্তিক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রের বিবরণ ছক আকারে পাঠাতে বলা হয়েছে চিঠিতে। অধিদফতরের চিঠি পাওয়ার তথ্য আজাদীকে নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল উদ্দিন।

বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (আজ) দুপুরে চমেক অধ্যক্ষ ও বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে জানিয়ে হাসপাতাল পরিচালক বলেন– বৈঠকে সার্বিক বিষয় আলোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত নিবো। প্রয়োজন হলে পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হতে পারে। অতিরিক্ত ৫০০ শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বিশাল ব্যাপার বলে মনে করেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল উদ্দিন। আর শয্যা বাড়ানোর সাথে অবকাঠামো, জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির বিষয়টিও জড়িত। তাই এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে অধিদফতরে তথ্য পাঠানো হবে বলে জানান হাসপাতাল পরিচালক।

উল্লেখ্য, মাত্র ৫০০ শয্যার অবকাঠামোতে নির্মিত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বর্তমান শয্যা সংখ্যা ১ হাজার ৩১৩। প্রশাসনিক আদেশে ৩/৪ বছর আগে এই শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হলেও বাড়েনি জনবল। অধিকন্তু ১ হাজার ৩১৩ শয্যার বিপরীতে প্রতিনিয়ত প্রায় ৩ হাজার রোগী ভর্তি থাকছে গরিবের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত এই হাসপাতালে। তবে এই তিন হাজার রোগীর সেবা চলছে সে–ই ৫০০ শয্যার জনবলেই। তাছাড়া ৪২টি ওয়ার্ড বিশিষ্ট এই হাসপাতালে স্থান সংকটও চরম পর্যায়ে।

শয্যা ছাড়িয়ে মেঝে, বারান্দা, করিডোর এমনকি সিঁড়িতেও রাখতে হচ্ছে রোগীকে। জনবল ও স্থানের এমন চরম সংকট নিয়ে এতদঞ্চলের বিশাল সংখ্যক রোগীর চাপ যেন আর নিতে পারছেনা হাসপাতালটি। সবমিলিয়ে গরিবের এ হাসপাতালটি বর্তমানে রোগীর ভারে বিপর্যস্ত। এই পরিস্থিতি হতে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে বিদ্যমান হাসপাতালের জন্য ১ হাজার শয্যা ধারণ ক্ষমতার নতুন একটি ভবন নির্মাণের পাশাপাশি নগরে বিশেষায়িত আরো তিনটি হাসপাতালের প্রস্তাব করে চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল উদ্দিনের স্বাক্ষরে গত ১৫ অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি চিঠি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

সরকারি পর্যায়ে বিশেষায়িত হিসেবে একটি শিশু হাসপাতাল, একটি হৃদ রোগ হাসপাতাল এবং অপর একটি ট্রমা (অর্থো. সার্জারি) হাসপাতাল স্থাপনের প্রস্তাব দেয়া হয় চিঠিতে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লেখা এ চিঠিতে অতিরিক্ত সচিবের (হাসপাতাল) বিশেষ দৃষ্টি আর্কষণ করা হয়েছে। এছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক, পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ও পরিচালক (হাসপাতাল) কে চিঠির অনুলিপি দেয়া হয়।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT