চট্টগ্রাম মহানগরীতে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে আটা বিক্রি শুরু চট্টগ্রাম মহানগরীতে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে আটা বিক্রি শুরু – CTG Journal

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৪:৫৬ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কোভিড-১৯: একদিনে আরও ১৪ জনের মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে ভারী বর্ষণ, প্রস্তুত ১৫ আশ্রয়কেন্দ্র নিম্নচাপ: উপকূলে ঝড়ো হাওয়া, নৌযান চলাচল বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে চীনকে আবারও আশ্বস্ত করল মিয়ানমার ভাষাশিক্ষা ও বানানে নৈরাজ্য খাগড়াছড়িতে নিরাপদ খাদ্য আইনে প্রথম সাজা বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৯৪ উপকূল অতিক্রম করছে গভীর নিম্নচাপ, জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্রপরিষদ’র কমিটি গঠণ: সভাপতি সাকিব, সেক্রেটারি আসাদ পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যু: কী ভাবছেন শীর্ষ কর্মকর্তারা? সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর সতর্ক সংকেত সিএমপির বন্দরের ডিসিকে বদলি
চট্টগ্রাম মহানগরীতে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে আটা বিক্রি শুরু

চট্টগ্রাম মহানগরীতে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে আটা বিক্রি শুরু

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ হতদরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে খাদ্য মন্ত্রণালয় চট্টগ্রাম মহানগরীতে খোলা বাজারে ন্যায্যমূল্যে আটা বিক্রি শুরু করেছে। ৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে এই আটা বিক্রি হচ্ছে গত বুধবার থেকে। এসব ডিলারকে এক দিন পর পর এক টন করে আটা বিক্রির জন্য দেওয়া হচ্ছে। ডিলাররা গ্রাহকদের মাঝে প্রতি কেজি আটা ১৭ টাকায় বিক্রি করছেন। নগরীর জন্য আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫০৬ টন।

৫০৬ টন আটা আগামী এক মাস পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক (ওএমএস) মো. শহীদ আলম। তিনি বলেন, নগরীর ৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে আমরা আটা বিক্রি শুরু করেছি। প্রতিদিন ১৫টি স্পটে ভোক্তাদের মাঝে ন্যায্যমূল্যের আটা বিক্রি হয়। আজকে যে ১৫ জন ডিলারকে আমরা আটা বরাদ্দ দিয়েছি, কাল তাদেরকে বাদ দিয়ে বাকি ১৫ জনকে বরাদ্দ দিচ্ছি। এক দিন পর আবার আগের ১৫ জনকে দিচ্ছি। একজন ডিলারকে এক দিন পর পর ১ টন করে আটা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

আমনের ভর মৌসুমে বাজারে চাল সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম কমেনি। তাই খাদ্য মন্ত্রণালয় হতদরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে খোলা বাজারে আটা বিক্রি শুরু করেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, চালের দাম স্থিতিশীল থাকায় ওএমএসে শুধু আটা বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মিলের মালিকরা প্রতি কেজি গুদাম মূল্য ১৪ টাকা হিসেবে সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে গম উত্তোলন করবে। গম পেষাই করে রেশিও অনুযায়ী ফলিত আটা ডিলারের কাছে প্রতি কেজি ১৬ টাকা দরে সরবরাহ করবে। ডিলার প্রতি কেজি আটা ১৭ টাকা দরে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি করবে। মিলের মাধ্যমে পেষাই ও ফলিত আটার মান ঠিক আছে কি না তা বিএসটিআই মান যাচাই করার পর ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে। একজন গ্রাহক প্রতিদিন ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারবেন।

চট্টগ্রামে সরকারি এই গম ক্রাসিং করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের ১৪ জন মিলার রয়েছেন। একেকজন মিলারকে ৬৯ টন, ৪৪ টন ও ৪৫ টন করে গম দেওয়া হয়েছে ক্রাসিংয়ের জন্য। এবার মিলাররা তাদের মিলে গমগুলো ক্রাসিং করে স্বচ্ছতার জন্য সিএসডি গোডাউনে মজুদ রেখেছেন। আগে মিল থেকে ডিলারকে বরাদ্দ দেওয়া হত। মিল থেকে ভেতরে ভেতরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করার অভিযোগ ওঠার পর মিল থেকে সরকারি গুদামে নিয়ে রাখা হয়েছে। সেখান থেকেই বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT