প্রশ্নপত্র ফাঁস: ঝুঁকিপূর্ণ যে চার ধাপ প্রশ্নপত্র ফাঁস: ঝুঁকিপূর্ণ যে চার ধাপ – CTG Journal

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৪:৪২ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কেডিএস আক্রোশ থেকে এক অসহায় পরিবারের বাঁচার আকুতি সিঙ্গাপুরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেফতার পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ভালো নেই ব্যাংকিং খাত! ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের গোপন বৈঠকের নেপথ্যে! আবাসস্থল ধ্বংস, কক্সবাজারে ১৩ হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যু মা চাইলো ওষুধ কেনার টাকা, ছেলে বললো বিষ কিনে খেতে ২০২১ সালের মধ্যে গ্যাভি’র থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬ মাধ্যমিকের সব শ্রেণিতেই এবার লাটারিতে ভর্তি বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৪৪ হাজার মিলিয়ন ডলার চন্দ্রপাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে তৃতীয় পক্ষ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য সর্তক থাকার আহ্বান
প্রশ্নপত্র ফাঁস: ঝুঁকিপূর্ণ যে চার ধাপ

প্রশ্নপত্র ফাঁস: ঝুঁকিপূর্ণ যে চার ধাপ

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ প্রাথমিকভাবে প্রশ্নপত্র প্রণয়নের পর থেকে বিজি প্রেসে ছাপানো পর্যন্ত প্রক্রিয়ায় হাত বদলের ঘটনা ঘটে দুই বার।  আবার বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র ছাপানোর পর থেকে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত হাত বদল হয় চার বার। সপ্তম ধাপ হলো পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানোর কাজ। তবে প্রশ্ন কেন্দ্রে আসার আগের চারটি ধাপকেই প্রশ্নফাঁসের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধাপ বলে মনে করছেন খোদ শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তারা বলছেন, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ আসে এবং ওই প্রশ্নগুলোও দেখতে হুবহু মুদ্রিত প্রশ্নের মতোই। তাই মুদ্রণ পরবর্তী সময়কেই তারা ফাঁসের জন্য সন্দেহ করছেন।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের অভিমতও একই। তবে অভিভাবকরা বলছেন, প্রশ্নপত্র প্রণয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষক, শিক্ষা বোর্ড ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকেও প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে সন্দেহের তালিকার বাইরে রাখা ঠিক হবে না।

প্রশ্নপত্র প্রণয়নের প্রাথমিক দুই ধাপ

প্রশ্নপত্র প্রণয়নের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন হয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশ থেকে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র প্রণয়নের জন্য পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই মাস আগে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে আসে সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) আওতাধীন এক্সামিনেশন ডেভেলপমেন্ট ইউনিট। সারাদিন ওই শিক্ষকরা বোর্ডেই অবস্থান করে নিজ নিজ বিষয়ের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করেন। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় কাগজে-কলমে।

শিক্ষকরা কয়েক দফা খসড়া প্রশ্নপত্র প্রণয়নের পর নিজেরাই সেগুলো বারবার রিভাইজ করে প্রাথমিক ধাপের জন্য একটি চূড়ান্ত খসড়া প্রশ্নপত্র তৈরি করেন। সেখানে বসেই ওই প্রশ্নপত্রগুলো ওই শিক্ষকরা নিজ হাতে সিলগালা করেন এবং ট্রাংকে তালা দিয়ে বোর্ডে জমা দেন। বোর্ডের গোপন কক্ষে ওই প্রশ্নপত্রগুলো রাখা হয়। খসড়ার অপচয় হওয়া সব কাগজপত্রসহ অন্যান্য অনুষঙ্গ পুড়িয়ে ফেলা হয়।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এর কিছুদিন পর সেসিপের প্রশ্ন প্রণয়নকারী আরও সিনিয়র ও আরও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের নিয়ে আসা হয় বোর্ডে। বোর্ডে এসে তারা আগের প্রশ্নগুলোর মডারেশন করেন। সেখানে কোনও শিক্ষক মোবাইল বা অন্য কোনও কাগজপত্রও নিতে পারেন না। প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন ধরে মডারেটর শিক্ষকরা বোর্ডেই অবস্থান করেন এবং প্রশ্নপত্র মডারেশন করেন। এই প্রক্রিয়ায় তারা প্রাথমিক খসড়ার প্রশ্নপত্র হুবহু রাখতে পারেন, আংশিক রাখতে পারেন অথবা পুরোটা বাদ দিয়ে নতুন করেও প্রশ্নপত্র তৈরিও করতে পারেন। নিজেদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি নিশ্চিত করেই তারা প্রশ্নপত্রগুলো চূড়ান্ত করেন। আর এই প্রক্রিয়াও সর্বোচ্চ গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়। কারণ বোর্ডের অন্য কোনও কর্মকর্তা মডারেশন বোর্ডে থাকতে পারেন না।

১০-১২ দিনের শ্রমে মডারেটররা চার সেট প্রশ্নপত্র চূড়ান্ত করেন এবং প্রতিটি সেটই তারা নিজ হাতে সিলগালা করেন। সিলগালা প্যাকেটের ওপর প্রশ্নপত্রের কোনও সেটের নাম উল্লেখ রাখা হয় না, কোড দিয়ে রাখা হয়। কোডিংয়ের মাধ্যমে এরপর ওই চার সেট প্রশ্নপত্র লটারির মাধ্যমে নির্ধারিত হয় কোন সেটে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসময় দু’টি ধাপে লটারি হয়— কোন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং কোন সেট প্রশ্নপত্র বিকল্প সেট হিসেবে কেন্দ্রে যাবে। বাকি দুই সেট প্রশ্ন বোর্ডেই সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সাধারণত পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই মাস আগে এসব কাজ সম্পন্ন করা হয়। এরপর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নেতৃত্বে বিজি প্রেসে দুই সেট প্রশ্নপত্র ছাপানোর জন্য পাঠানো হয়।

প্রশ্ন ছাপা থেকে বিতরণ: সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চার ধাপ

বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র পৌঁছানোর পরের পর্যায় বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্র জানায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের নেতৃত্বে প্রশ্নপত্রগুলো বিজি প্রেসে পৌঁছায়। এরপর সেখানে প্রশ্নের প্লেট তৈরি হয় এবং প্রশ্নপত্রগুলো চাহিদা অনুযায়ী ছাপানো হয়।

ছাপার পর সর্বোচ্চ গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে বিজি প্রেসের কর্মকর্তারাই প্রশ্নপত্রগুলো প্যাকেটজাত করে সিলগালা করেন। ওই সিলগালা প্যাকেটের গায়ে জেলা, উপজেলা ও কেন্দ্রের নাম উল্লেখ রাখা হয়। ওইসব প্যাকেট ট্রাংকে ঢুকিয়ে তালা লাগিয়ে ট্রাংক সিলগালা করা হয় এবং থানা ও জেলাওয়ারি নাম লেখা হয়। ওই নাম অনুযায়ীই ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ের ট্রেজারিতে পৌঁছানো হয় প্রশ্নপত্রের ট্রাংক। জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে জেলা ট্রেজারিতে প্রশ্নপত্র সংরক্ষিত থাকে। এরপর উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বে প্রশ্নপত্রের ট্রাংক চলে যায় উপজেলা ট্রেজারিতে। উপজেলায় ট্রেজারি না থাকলে থানায় অথবা ব্যাংকের ভল্টে প্রশ্নপত্র সংরক্ষণ করা হয়।

এরপর পরীক্ষা শুরুর অন্তত তিন দিন আগে উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ওই ট্রাংকগুলো খুলে পরীক্ষার তারিখ ও প্রশ্নের প্যাকেট যাচাই-বাছাই করা হয় কেন্দ্র ও উপজেলা অনুযায়ী। শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী সব কেন্দ্রের প্রশ্নের প্যাকেট ঠিকঠাকমতো ট্রাংকে আছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেট তার ওই থানার সব কেন্দ্রের প্রশ্নপত্র ঠিকমতো পেয়েছেন কিনা, তা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চিঠি দিয়ে বোর্ডকে অবহিত করেন।

এরপর কেন্দ্রের দূরত্ব অনুযায়ী পরীক্ষা আগের দিন অথবা পরীক্ষার দিন সকালে থানা বা ব্যাংকের ভল্ট থেকে প্রশ্নপত্র পাঠানো হয় কেন্দ্রে। কেন্দ্র থেকে কেন্দ্র সচিবসহ আরও দুই সহকারী শিক্ষিক থানায় বা থানা ট্রেজারিতে বা ব্যাংকের ভল্টে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রশ্ন নেন। সেখান থেকে কেন্দ্র সচিব পুলিশসহ কেন্দ্রে প্রশ্ন নিয়ে যায়। এরপর নির্ধারিত সময়ে সিলগালা প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খোলেন এবং পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা যা বলছেন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষা বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, প্রশ্নপত্র যখন জেলা থেকে নিয়ে থানার ট্রেজারিতে রাখা হয়, সেই সময় থেকে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত সময়কেই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে বোর্ড। কারণ থানার ট্রেজারিতে গিয়েই প্রথম প্রশ্নপত্রগুলো সর্টিং (যাচাই-বাছাই) হয়। ট্রাংক খুলে পরীক্ষার তারিখ ও বিষয় অনুযায়ী সবকিছু ঠিকঠাক আছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করা হয়। তারপর পরীক্ষার আগের দিন রাতে বা পরীক্ষার দিন সকালে (থানা থেকে কেন্দ্রের দূরত্বের ওপর নির্ভর করে) কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পৌঁছানো হয়।

বোর্ড কর্মকর্তারা বলছেন, এই সময়টিতে যারা প্রশ্নপত্র পরিবহন করেন, তারা সবাই মিলে চাইলেই প্রশ্ন ফাঁস করতে পারেন। কারণ প্রশ্ন পরিবহনের এই পর্যায়ে তদারকি ও দায়বদ্ধতার পরিধি ৯৯ শতাংশ কমে আসে।

প্রশ্নফাঁসের ঝুঁকির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহেদুল খবির চৌধুরী বলেন, ‘মুদ্রণ-পরবর্তী সময়কেই বেশি ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হয়।’

অভিভাবক ও শিক্ষাবিদ যা বলছেন

সাইদুল করিম নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘প্রশ্নফাঁস কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই আমি মনে করি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা, ম্যাজিস্ট্রেট, এমনকি কেন্দ্র সচিব, প্রশ্ন পরিবহনকারী পুলিশসহ শিক্ষকদেরও সন্দেহের তালিকায় রাখা উচিত। তাদের প্রত্যেকের প্রশ্নপত্র ফাঁস করার সুযোগ রয়েছে।’

শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ বলেন, ‘পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দুই মাস আগে একটি প্রশ্নপত্র ছাপানো হয়, আর সেটা কোনোভাবেই ফাঁস হবে না— বর্তমান এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে এটা ভাবাই কঠিন। কারণ বিজি প্রেস থেকে প্রশ্নপত্র ছাপানোর পর থেকে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত অনেকগুলো মানুষ এই প্রশ্নপত্র পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। কোনও একটি জায়গায় গিয়ে কোনও একটি খাম যদি গায়েব হয়ে যায়, এবং সেটা ওই জায়গার সবাই যদি লুকিয়ে রাখেন, তাহলে তো কারও কিছু বলার সুযোগ নেই।’

বুয়েটের এই অধ্যাপক আরও বলেন, ‘হাজার লোকের ভিড়ে একজনও একটু গড়বড় করলেই সবকিছু শেষ। তাছাড়া যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস করতে চান, তাদের লক্ষ্য ব্যবসা। তারা যদি পরীক্ষার দুই-চারদিন আগেই প্রশ্ন ফাঁস করে দেন, তাহলে তো শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড পরীক্ষাটি ভিন্ন প্রশ্নে নেবেন। এটা হলে তো ব্যবসা হবে না। এ কারণেই তারা পরীক্ষার ঠিক আগ মুহূর্তে প্রশ্ন ফাঁস করেন। তখন পরীক্ষা বাতিল করা খুবই কঠিন হয়ে যায়। এসব হিসাব-নিকাশ জড়িত মহলগুলো ভালোভাবেই রপ্ত করেছে বলে আমার মনে হয়।’

যা বলছেন শিক্ষা সচিব

এদিকে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘প্রশ্নপত্র প্রণয়ন থেকে শুরু করে বিজি প্রেস থেকে কেন্দ্রে পৌঁছানো পর্যন্ত সবখানেই সর্বোচ্চ গোপনীয়তা রাখা হয়। কোনোভাবেই প্রশ্নপত্র কারও খোলার আইনি অধিকারও নেই, সুযোগও নেই।’

তিনি বলেন, ‘তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে— কখনও এমন খবর শোনা গেলে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন শিক্ষা সচিব এবং ট্রেজারি অফিসার, অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতেই বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রশ্ন খুলে দেখতে পারেন যে প্রশ্ন আদৌ ফাঁস হয়েছে কিনা। ফাঁস হয়েছে— এমন প্রমাণ পেলেই কেবল বিকল্প সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই পদ্ধতিতে বিকল্প সেটের প্রশ্নপত্র ছাপানো হয়। এই একমাত্র কারণ ছাড়া প্রশ্নপত্র দেখার আর কোনও সুযোগ কারও নেই।’

ক্ষোভ জানিয়ে শিক্ষা সচিব বলেন, ‘অনেকেই বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রশ্নফাঁস করে দেন। এটা যে আমাদের ওপর কতটা নিষ্ঠুর অভিযোগ, তা বোঝাতে পারব না।’

সোহরাব হোসাইন বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, প্রশ্নপত্র কখনও থানা, ট্রেজারি অথবা ব্যাংক থেকে ফাঁস হয়নি। কেবল একবার আশুলিয়ার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁস হয়েছিল। পরীক্ষার আগের রাতেই আমার কাছে প্রশ্ন চলে এসেছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে চেয়ারম্যানকে ট্রেজারিতে পাঠানোর পর তিনি প্রশ্ন খুলে দেখলেন, প্রশ্ন মিলে গেছে। তখন বিকল্প পথ নিয়েছিলাম।’

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT