খালেদা জিয়ার `জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতির মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার `জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতির মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি – CTG Journal

বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
সমুদ্র নিরাপত্তা জোটের বৈঠকে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ পানছড়িতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত মাস্ক নিয়ে কঠোর প্রশাসন, ৩২ মামলায় ৩২ জনকে জরিমানা চট্টগ্রাম দাপাবে চার পেট্রোল কার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি নেবে ১৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার নাইক্ষ্যংছড়িতে ২দিন ব্যাপী নিউট্রিশন সেনসেটিভ প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ শুরু পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৩ বছর, বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও বৈষম্য মূলক ধারা গুলো সংশোধন করে চুক্তির পূনঃমূল্যায়ন করার দাবি পরীক্ষার তারিখ না দিলে আমরণ অনশন ৯ মাস পর মিরপুরে মাশরাফি হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারি: দুদকের ফের অনুসন্ধান শুরু লামায় স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতিতে ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা
খালেদা জিয়ার `জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতির মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি

খালেদা জিয়ার `জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতির মামলার রায় ৮ ফেব্রুয়ারি

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায়  আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা করবেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বকশীবাজারের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান রায়ের এ দিন ধার্য করেন।

একইসঙ্গে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি খণ্ডনের জন্য ৩০ ও ৩১ জানুয়ারি এবং ১ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে হাজির হন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৭ মিনিটে দ্বিতীয় দিনের মতো মামলার আরেক আসামি সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামালের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন আইনজীবী আহসান উল্লাহ। তার ও জিয়াউদ্দিন জিয়ার মাধ্যমে দুই মামলায় হাজিরা দিয়ে আসছেন খালেদা জিয়া।

এর আগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ করেছেন আইনজীবী আব্দুর রেজ্জাক খান, জমির উদ্দিন সরকার, খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহম্মদ আলী ও ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। এরও আগে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর এই মামলায় যুক্তি উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষ থেকে খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করা হয় আদালতে।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ মামলাটি দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

ওই অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

অন্যদিকে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে এই মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। এই মামলায় বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী ও তার তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানকে আসামি করা হয়।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT