আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রামে ছয় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রামে ছয় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা – CTG Journal

শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, আলোচনা হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭৩ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে দ্রুত সময়ে ভ্যাকসিন পেতে সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে: কাদের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত লক্ষ্য থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাড়ি নির্মাণের অভিজ্ঞতা নিতে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রস্তাব করোনাকালে চলছে কোচিং সেন্টার, বন্ধ করল প্রশাসন করোনার পরও লটারিতে ভর্তি চলবে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর উদ্যোগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সি.আর.এম উদ্বোধন সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও ইলিয়াসসহ ৩৫ জনের ব্যাংক হিসাব তলব প্রায় ৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ
আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রামে ছয় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রামে ছয় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ এক ব্যক্তিকে আটকের পর হেফাজতে রেখে নির্যাতনের অভিযোগে এক পরিদর্শকসহ ছয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ইয়াছিন শাখাওয়াত ভূইয়া নামে এক ব্যক্তি বুধবার (২৪ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম আবু ছালেম মোহাম্মদ নোমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজহারে তিনি অভিযোগ করেন, তার ছোট ভাই ইয়াছিন আওয়াজ ভূইয়া রওনককে আটক করে পুলিশ সদস্যরা নির্যাতন চালিয়েছে। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ পুলিশ সদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যরা হলেন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জহিরুল ইসলাম, এএসআই শীলাব্রত বড়ুয়া, ফাঁড়িতে দায়িত্বরত কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান, ফিরোজ মিয়া, নায়েক হামিদুর রহমান ও আমির।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রওনককে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পিবিআইকে পরিদর্শক পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আদালত চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তিন সদস্যের বোর্ড গঠন করে পরীক্ষার মাধ্যমে রওনকের শরীরে আঘাতের বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। ৩০ দিনের মধ্যে আদালত উভয় পক্ষকে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।’

আদালত সূত্র জানায়, গত ২০ জানুয়ারি রওনক চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় সাদা পোশাকের এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সেখানে কর্মরত পুলিশ সদস্যরা সেখানে জড়ো হলে রওনক দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা তাকে আটক করেন। পরে তারা তাকে বেধড়ক পেটান। এক পুলিশ সদস্যের অস্ত্রের আঘাতে রওনকের বাম হাত ভেঙে যায়। আরেকজন তার হাতের আঙ্গুলের নখ তুলে ফেলার চেষ্টা করেন বলেও এজহারে অভিযোগ আনা হয়েছে। অসদাচরণের অভিযোগে রওনককে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সে কারাগারে আছে।

এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়, চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রওনকের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রভাবে রওনক সুচিকিৎসা থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT