৫৫ দিন পর ফের চালু কর্ণফুলী পেপার মিল, সঙ্কট কাটাতে প্রয়োজন দেড়শ কোটি টাকা ৫৫ দিন পর ফের চালু কর্ণফুলী পেপার মিল, সঙ্কট কাটাতে প্রয়োজন দেড়শ কোটি টাকা – CTG Journal

শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, আলোচনা হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭৩ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে দ্রুত সময়ে ভ্যাকসিন পেতে সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে: কাদের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত লক্ষ্য থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাড়ি নির্মাণের অভিজ্ঞতা নিতে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রস্তাব করোনাকালে চলছে কোচিং সেন্টার, বন্ধ করল প্রশাসন করোনার পরও লটারিতে ভর্তি চলবে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর উদ্যোগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সি.আর.এম উদ্বোধন সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও ইলিয়াসসহ ৩৫ জনের ব্যাংক হিসাব তলব প্রায় ৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ
৫৫ দিন পর ফের চালু কর্ণফুলী পেপার মিল, সঙ্কট কাটাতে প্রয়োজন দেড়শ কোটি টাকা

৫৫ দিন পর ফের চালু কর্ণফুলী পেপার মিল, সঙ্কট কাটাতে প্রয়োজন দেড়শ কোটি টাকা

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দীর্ঘ প্রায় ৫৫ দিন বন্ধ থাকার পর গত ২০ জানুয়ারি থেকে আবারো উৎপাদন শুরু করেছে। এখন থেকে কেপিএম কাগজ উৎপাদনে গতিশীলতা ফিরে পাবে বলে কর্তৃপক্ষ আশা করছে। বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শেষ করার পর কেপিএমে যান্ত্রিক ত্রুটি কমে যাবে বলেও আশা করা হচ্ছে।

জানা গেছে, গত বছরের ২৭ নভেম্বর থেকে কেপিএমে বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য উৎপাদন বন্ধ করা হয়। মিলটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এমএমএ কাদেরসহ কারখানার সকল বিভাগীয় প্রধান, সর্বস্তরের শ্রমিক কর্মচারী ও কর্মকর্তারা বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজে অংশ নেন। এছাড়া জাপান থেকে ১১ জনসহ ভারতীয় কয়েকজন বিশেষজ্ঞকেও বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজে সম্পৃক্ত করা হয়। এর পাশাপাশি ঘোড়াশাল সার কারখানা, পলাশ সার কারখানা এবং সিলেট থেকেও বিশেষজ্ঞদের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিযুক্ত করা হয়। সকলের অংশ গ্রহণে রক্ষণাবেক্ষণ কাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণ সম্পন্ন করার পর কাগজ উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি উৎপাদিত কাগজের মান ভালো হবে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন।

জানা গেছে, বার্ষিক রক্ষণাবেক্ষণ কাজের আগে কেপিএমের উৎপাদন সঠিকভাবে হচ্ছিল না। প্রায় সময় যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য উৎপাদন ব্যাহত হতো। উৎপাদিত কাগজের মানও ঠিক থাকত না। এই অবস্থায় কাগজ উৎপাদন করতে গিয়ে কেপিএম লোকসানে ছিল। কিন্তু এখন রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর এরকম সমস্যা আর থাকবে না বলে কর্মকর্তারা আশা করছেন।

কেপিএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী ড. এমএমএ কাদের আরো বলেন, আমরা দৃঢ় আশাবাদী। কেপিএম অচিরেই লোকসান কাটিয়ে উঠতে পারবে। তিনি কেপিএমের সার্বিক উন্নয়নে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। অপর একটি সূত্র জানায়, কেপিএম বর্তমানে আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে। যদি এটি কমপক্ষে দেড়শ কোটি টাকার তহবিল পেত তাহলে আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারতো। কেপিএমকে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্য বিসিআইসিসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন কর্তব্যক্তিরা।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT