হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কে কাটা পড়ছে তিন হাজার ৭৩২ গাছ হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কে কাটা পড়ছে তিন হাজার ৭৩২ গাছ – CTG Journal

শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ১১:০২ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, আলোচনা হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭৩ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে দ্রুত সময়ে ভ্যাকসিন পেতে সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে: কাদের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত লক্ষ্য থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাড়ি নির্মাণের অভিজ্ঞতা নিতে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রস্তাব করোনাকালে চলছে কোচিং সেন্টার, বন্ধ করল প্রশাসন করোনার পরও লটারিতে ভর্তি চলবে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর উদ্যোগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সি.আর.এম উদ্বোধন সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও ইলিয়াসসহ ৩৫ জনের ব্যাংক হিসাব তলব প্রায় ৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ
হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কে কাটা পড়ছে তিন হাজার ৭৩২ গাছ

হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কে কাটা পড়ছে তিন হাজার ৭৩২ গাছ

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ ঢাকার হেমায়েতপুর থেকে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার জরিনা কলেজ মোড় পর্যন্ত প্রায় ৩১ কিলোমিটার রাস্তা প্রশস্ত করা হচ্ছে। আর এই উন্নয়ন করতে গিয়ে কাটা পড়ছে তিন হাজার ৭৩২টি গাছ। এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি গাছ কেটেও ফেলা হয়েছে।

রাস্তার পাশের সব গাছ বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে প্রায় এক কোটি ৩৭ লাখ টাকায়। অথচ যারা গাছগুলো লাগিয়েছিল এবং প্রায় ২৫ বছর ধরে দেখভাল করেছে, তারা পায়নি এক টাকাও।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ১৭ ফুট চওড়া রাস্তাটি প্রশস্ত করে ২৮ ফুট করা হবে। এ কারণে দুই পাশের গাছগুলো কেটে ফেলতে হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাস্তাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের হলেও পাশের গাছগুলো লাগানো হয় ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ, প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন এবং স্থানীয় কয়েকটি সমিতির মাধ্যমে। এদের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী সমিতির সদস্যরা পাবে গাছ বিক্রির ৬০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ করে পাবে উপজেলা পরিষদ ও প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন। কিন্তু এদের না জানিয়ে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ দরপত্রের মাধ্যমে গাছগুলো বিক্রি করে দেয় এক কোটি ৩৭ লাখ টাকায়। এ হিসাবে গড়ে প্রতিটি গাছের দাম পড়েছে মাত্র দুই হাজার ৭৯১ টাকা।

এ ব্যাপারে সিঙ্গাইর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবিদুর রহমান রোমান বলেন, তাঁদের কোনো কিছু না জানিয়েই গাছগুলো বিক্রি করেছে জেলা পরিষদ।

একই অভিযোগ করেছেন প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন সিঙ্গাইর শাখার তত্ত্বাবধায়ক মহিদুল রহমান। তবে তিনি জেলা পরিষদের কাছে ভাগের টাকা চেয়ে একটি আবেদন করেছেন বলে জানান।

এ ছাড়া ক্ষোভ জানিয়েছে গাছ লাগানোর জন্য গঠিত বিভিন্ন সমিতির সদস্যরা। সমিতি সূত্রে জানা গেছে, মোট ১০টি সমিতি আলাদাভাবে নিজেদের এলাকায় গাছগুলো লাগিয়েছিল।

গেরাদিয়া এলাকার সদস্যরা জানায়, হঠাৎ করে একদিন দেখে তাদের গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। বাধা দিতে গেলে ঠিকাদারের লোকজন তাদের বলে, জেলা পরিষদের কাছ থেকে তারা গাছ কিনেছে। কিন্তু জেলা পরিষদে গিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, নামমাত্র দামে গাছগুলো বিক্রি করা হয়েছে। বেশির ভাগই মেহগনি হলেও রয়েছে কড়ই, কাঁঠাল, আমসহ বিভিন্ন ধরনের গাছ। গড়ে প্রতিটি গাছ মাত্র দুই হাজার ৭৯১ টাকায় বিক্রি করা হলেও এর একেকটির দাম কমপক্ষে ২০ হাজার টাকা বলে দাবি সমিতির সদস্যদের। ওই রাস্তার পাশের বেশ কয়েকটি করাতকলের মালিক ও কাঠ ব্যবসায়ীরাও গাছের দাম কম ধরা হয়েছে বলে মত দেয়।

তবে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দরপত্র হয়েছে এবং সর্বোচ্চ দরদাতাকে নির্বাচিত করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, গাছের মালিকানা প্রমাণ করতে পারলে তাদের ভাগ পরিশোধ করা হবে।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT