খাগড়াছড়ির রামগড়ে ইটভাটা মালিকদের সিন্ডিকেটে বেড়েছে ইটের দাম, প্রশাসনের নজর নেই খাগড়াছড়ির রামগড়ে ইটভাটা মালিকদের সিন্ডিকেটে বেড়েছে ইটের দাম, প্রশাসনের নজর নেই – CTG Journal

মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৪৪ হাজার মিলিয়ন ডলার চন্দ্রপাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে তৃতীয় পক্ষ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য সর্তক থাকার আহ্বান মাস্ক না পরলে আরও কঠোর হবে সরকার ক্যাম্পাস ছাড়াও বিভাগীয় শহরে হবে ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা প্রজেক্ট বিল্ডার্স লিমিটেডের চেক প্রতারণা এমডি ও পরিচালকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা দুর্নীতির মামলা থেকে খালাস ইশরাক হোসেন নাইক্ষ্যংছড়ি থানার আলমগীর হোসেন আবারও জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি মনোনীত কোভিড-১৯: একদিনে ২৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২,৪১৯ কারা ভ্যাকসিন পাবেন, তালিকা করছে সরকার একদিনের ব্যবধানে বেড়েছে করোনা আক্রান্ত, শনাক্ত ২৪২ বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের যাবতীয় তথ্য চেয়েছেন হাইকোর্ট ফাইজারের ভ্যাকসিনকে এ সপ্তাহেই ছাড়পত্র দিতে পারে যুক্তরাজ্য
খাগড়াছড়ির রামগড়ে ইটভাটা মালিকদের সিন্ডিকেটে বেড়েছে ইটের দাম, প্রশাসনের নজর নেই

খাগড়াছড়ির রামগড়ে ইটভাটা মালিকদের সিন্ডিকেটে বেড়েছে ইটের দাম, প্রশাসনের নজর নেই

নিজস্ব প্রতিনিধি, রামগড়ঃ খাগড়াছড়ির রামগড়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া গড়ে উঠা ছয়টি ইটভাটায় অবাধে পোঁড়ানো হচ্ছে পাহাড়ের মূল্যবান বনজ ও ওষুধি গাছ। এসব ভাঁটায় পাহাড়ের মাটি, ফসলি জমির উপরিভাগের মাটি, কোন কোন ভাটা গণবসতিপূর্ণ এলাকা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংলগ্নএবং সরকারী জায়গা দখল করে নির্মানের অভিযোগ রয়েছে।

১৯৮৯ ও ২০০১ সালের ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন ১৭ নং অনুচ্ছেদের ৪ ও ৫ ধারায় আবাদি জমিতে কোনো ইটভাটা তৈরি করা যাবে না ও ১২০ ফুট চিমনি ব্যবহার করার বিধান এবং কাঠ পোড়ানো নিষিদ্ধ এবং ঘনবসতিতে ইটভাটা নির্মান না করার আইন থাকলেও এখানকার ইটভাটাগুলো এর কোনটিই মানছেন না।

বরংচ এতোসব আইন অমান্য করে ভাটা মালিকরা পরিচালনা করছেন ইটভাটা। মালিকরা সিন্ডিকেট করে বাড়িয়ে দিয়েছেন ইটের মূল্য। গত বছর ইটভাটাগুলির প্রথম দিকের ইটের মূল্য ৪হাজার ৫শত টাকা এবং কংক্রিট ৫হাজার ৫শত টাকা নির্ধারিত হলেও এবার ইটের মূল্য ধরা হয়েছে ৭হাজার টাকা এবং কংক্রিট ৭হাজার ৫শত টাকা। অতিরিক্ত অর্থ আদায় ছাড়াও ভাটা মালিকেরা ছোট আকারের ইট তৈরী করে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারনা করে আসছে।

বিএসটিআই সূত্রে জানা গেছে নির্মান সামগ্রী ইট তৈরীর জন্য বিএসটিআই সঠিক পরিমাপ নির্ধারন করেছে প্রতিটির ইটের দৈর্ঘ্য২৪ সেন্টিমিটার, প্রস্থ ১১দশমিক ৫ সেন্টিমিটার ও উচ্চতা ৭ সেন্টিমিটার। কিন্তু রামগড়ের ভাটাগুলির ইটের সাইজ ছোট হওয়ায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশী ইট দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে ক্রেতাদের, ফলে দুদিক দিয়ে ঠকছে ক্রেতারা।

স্থানিয় ও জাতীয় দৈনিকে ইটভাটাগুলির নিয়মিত সংবাদ প্রকাশ হলেও রহস্য জনক কারণে বরাবরই নীবর থাকছে পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন। প্রতিবছর যৎসামান্য জরিমানা ছাড়া তেমন কোন প্রদক্ষেপ নিতে দেখা যায়না।
দাম বাড়ানোর ব্যাপারে কয়েকটি ভাটার ম্যানেজাররা জানান, মাটি ও লাকড়ির দাম বেশী হওয়ায় ইটের দামও বেড়েছে।

ক্রেতা সিরাজ উদ্দিন ও রুম্বচাই মারমা বলেন, অবৈধ ইটভাটার পাশাপাশি ভাঁটাগুলিতে নির্বিচারে চারা গাছ পোঁড়ানো হচ্ছে। ইটের সাইজ ছোট করে তৈরী করা হচ্ছে তারপরও দাম রাখা হচ্ছে বেশী। এ সুযোগে ইটভাটার মালিকগুলি রাতারাতি বিত্তশালী হয়ে উঠছে আর প্রতি বছর বাড়ছে নতুন নতুন ইটভাটা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আল-মামুন মিয়া বলেন, ইটভাটার বেআইনি কাজ বন্ধে প্রশাসন সবসময় তৎপর। আইন অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে নতুন ইটভাটা তৈরীর অনুমতি নেই। যে কয়টি পুরনো আছে সেগুলোকে বিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে।

আর এ সুযোগটি যদি কোন ভাটার মালিক অবৈধ ভাবে নিতে চায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। গাছ পোড়ানো, ফসলি জমির মাটি ব্যবহার এবং সরকারী জায়গায় ইট ভাটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও তিনি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT