৩০ হাজারের অস্থায়ী আবাসন, কিছু বিষয় অনিষ্পন্ন, চূড়ান্ত হয়নি চুক্তি, আজ আবার বৈঠক ৩০ হাজারের অস্থায়ী আবাসন, কিছু বিষয় অনিষ্পন্ন, চূড়ান্ত হয়নি চুক্তি, আজ আবার বৈঠক – CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কাপ্তাইয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস উদযাপন কাজের জন্য সৌদি আরবে যেতে চাইলে চাকরিদাতার ছাড়পত্র লাগবে করোনাভাইরাস: দেশে ৩২ জন মৃত্যুর দিনে শনাক্ত ১,৪৩৬ বান্দরবান সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ রায় শুনে কেঁদেছেন রিফাতের বাবা: জানালেন সন্তুষ্টি কথা চট্টগ্রামে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাবে সাড়ে ৫ লাখ শিশু খাগড়াছড়িতে ধর্ষণ রোধে পদক্ষেপ জানতে চেয়ে ডিসিকে আইনি নোটিশ বান্দরবানে এ” প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে সাংবাদিকদের কর্মশালা বন্যা: কুড়িগ্রামে কর্মহীনতা ও খাদ্য সংকট প্রকট রিফাত হত্যা: মিন্নিসহ ৬ জনের ফাঁসির রায় ইকামার মেয়াদ বাড়ানোর কোনও ঘোষণা সৌদি সরকার দেয়নি! করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা তিন কোটি ৩৮ লাখ ছাড়িয়েছে
৩০ হাজারের অস্থায়ী আবাসন, কিছু বিষয় অনিষ্পন্ন, চূড়ান্ত হয়নি চুক্তি, আজ আবার বৈঠক

৩০ হাজারের অস্থায়ী আবাসন, কিছু বিষয় অনিষ্পন্ন, চূড়ান্ত হয়নি চুক্তি, আজ আবার বৈঠক

বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয় অমীমাংসিত থাকায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য ‘ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট’ নামের মাঠপর্যায়ের চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেনি। ফলে গতকাল সোমবার মিয়ানমারের নেপিডোতে দুই দেশের পররাষ্ট্রসচিবদের নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে চুক্তিটি সই হয়নি।

তবে সন্ধ্যায় অনিষ্পন্ন এসব খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে আরেক দফা আলোচনা শেষে চুক্তিটি চূড়ান্ত হতে যাচ্ছে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউজি) বৈঠকে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের কর্মকর্তারা গত রাতে এ তথ্য জানান।

গতকাল জেডব্লিউজির বৈঠকে পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক বাংলাদেশের এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্রসচিব মিন্ট থোয়ে তাঁর দেশের নেতৃত্ব দেন।

জেডব্লিউজির প্রথম বৈঠকের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান রাতে বলেন, ‘খুঁটিনাটি কিছু বিষয়ের সুরাহা না হওয়ায় সোমবার ফিজিক্যাল অ্যারেঞ্জমেন্ট সইয়ের জন্য চূড়ান্ত করা যায়নি। সন্ধ্যায় বেশ কিছু বিষয়ে আবার আলোচনা হয়েছে। আশা করছি, মঙ্গলবার (আজ) সকালে বাকি বিষয়গুলো সুরাহা করে চুক্তিটি চূড়ান্ত করা যাবে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের জন্য বাংলাদেশ যেভাবে চাইছে, তার অধিকাংশ বিষয় চুক্তিটিতে থাকছে।’

এদিকে মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ের বরাত দিয়ে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত দৈনিক দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার গতকাল জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে যেসব রোহিঙ্গা ফিরবে, তাদের প্রায় ৩০ হাজারজনের জন্য অস্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করছে মিয়ানমার। এ জন্য মংডু শহরতলির কাছে লা পো খাউংয়ে ১২৪ একর জমিতে ৬২৫টি বাড়ি তৈরি হবে। প্রতিটি বাড়িতে আশ্রয় নেবে ৮০ জন রোহিঙ্গা। ৬২৫টি বাড়ির মধ্যে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে ৪০টি এবং ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ১০০টি তৈরির কাজ শেষ হবে।

মিয়ানমারের কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল জেডব্লিউজির বৈঠকে বাংলাদেশ গত ২৩ নভেম্বরের চুক্তি অনুযায়ী দুই মাসের মধ্যে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরুর ওপর জোর দিয়েছে। বিশেষ করে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রশ্ন তোলায় ২৩ জানুয়ারি থেকে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া শুরুর তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের প্রথম দলটিকে রাখাইনে ফেরত পাঠানোর পর থেকে প্রত্যাবাসনের কাজটি শেষ করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করার কথা বলেছে। বাংলাদেশের যুক্তি হচ্ছে, নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলে পুরো প্রক্রিয়া ঝুলে যাবে। আর মিয়ানমার প্রত্যাবাসন শেষ হওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরিবর্তে এ ক্ষেত্রে শিথিলতা রাখতে জোর দিচ্ছে।

প্রতিদিন কত রোহিঙ্গাকে পাঠানো হবে—এ নিয়ে গতকালের আলোচনায় দুই দেশ দুই রকম প্রস্তাব দিয়েছে। বাংলাদেশ বলেছে, প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১০ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখাইনে ফেরত নেওয়া উচিত। আর মিয়ানমার গড়ে প্রতিদিন ৩০০ করে প্রতি সপ্তাহে পাঁচ দিনে দেড় হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার কথা বলেছে। গত রাত সাড়ে ১১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ বিষয়গুলোতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কী হয়েছে, তা জানা যায়নি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT