ছাত্রলীগ নেতার ঘুষিতে রক্তাক্ত পুলিশ ছাত্রলীগ নেতার ঘুষিতে রক্তাক্ত পুলিশ – CTG Journal

বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২১ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কেডিএস আক্রোশ থেকে এক অসহায় পরিবারের বাঁচার আকুতি সিঙ্গাপুরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেফতার পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ভালো নেই ব্যাংকিং খাত! ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি যুবরাজের গোপন বৈঠকের নেপথ্যে! আবাসস্থল ধ্বংস, কক্সবাজারে ১৩ হাতির অস্বাভাবিক মৃত্যু মা চাইলো ওষুধ কেনার টাকা, ছেলে বললো বিষ কিনে খেতে ২০২১ সালের মধ্যে গ্যাভি’র থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় ২ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬ মাধ্যমিকের সব শ্রেণিতেই এবার লাটারিতে ভর্তি বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৪৪ হাজার মিলিয়ন ডলার চন্দ্রপাহাড়ে পর্যটন কেন্দ্র নিয়ে তৃতীয় পক্ষ যাতে সুযোগ নিতে না পারে সেজন্য সর্তক থাকার আহ্বান
ছাত্রলীগ নেতার ঘুষিতে রক্তাক্ত পুলিশ

ছাত্রলীগ নেতার ঘুষিতে রক্তাক্ত পুলিশ

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ায় পুলিশের এক সদস্যকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছেন ছাত্রলীগের একজন নেতা। আরমান হোসেন ওরফে মানিক (২২) নামের ছাত্রলীগের ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার উপজেলার সোনাতলা উচ্চবিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রে এ ঘটনাটি ঘটে। আরমান নাগডেমড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁর বড় ভাই হারুন-অর রশীদ নাগডেমড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ নাগডেমড়া ইউনিয়নের সোনাতলা উচ্চবিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই আরমান পরীক্ষাকেন্দ্রের ভেতরের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পরীক্ষাকেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশ কনস্টেবল শফিকুল ইসলাম তাঁকে বাধা দেন। এ নিয়ে দুজনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আরমান কনস্টেবল শফিককে কিল-ঘুষি মেরে দ্রুত পালিয়ে যান। পরে শফিককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাঁথিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনার ব্যাপারে আরমানের বড় ভাই হারুন-অর রশীদকে পুলিশের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়া হলে তিনি আরমানকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ আরমানকে গ্রেপ্তার করে সাঁথিয়া থানায় নিয়ে যায়।
আরমানের বড় ভাই হারুন-অর রশীদ বলেন, ‘আরমান অন্যায় করেছে। তাই আমি তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে সহায়তা করেছি।’
বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান বলেন, ‘আরমানকে গ্রেপ্তারে তাঁর ভাই আমাদের সহায়তা করেছেন। এ ঘটনায় এএসআই মাহবুব হোসেন বাদী হয়ে আরমানের বিরুদ্ধে সাঁথিয়া থানায় মামলা করেছেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT