৩০ লাখ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ গ্রেফতার ৪, সরঞ্জাম জব্দ ৩০ লাখ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ গ্রেফতার ৪, সরঞ্জাম জব্দ – CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন ৪ খুনের রহস্য উন্মোচন: খোটা দেওয়ায় পরিবারসহ ভাইকে খুন প্রধানমন্ত্রী যা আহ্বান করেন জনগণ তাতেই সাড়া দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সৌদি প্রবাসীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী গ্রেফতার মানিকছড়িতে প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনষ্ঠান চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি হচ্ছে গরুর নাড়িভুড়ি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা ফরম পূরণের কিছু টাকা ফেরত পাবে এইচএসসি শিক্ষার্থীরা মহাবিশ্বের নক্ষত্রের চেয়েও বেশি ভাইরাস পৃথিবীতে, কিন্তু সব ভাইরাস দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয় না কেন? কারিগরি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসতেই হবে
৩০ লাখ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ গ্রেফতার ৪, সরঞ্জাম জব্দ

৩০ লাখ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ গ্রেফতার ৪, সরঞ্জাম জব্দ

রাজধানীতে ৩০ লাখ জাল ভারতীয় মুদ্রাসহ চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে জাল মুদ্রা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৯ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- হুমায়ুন কবীর, সাইফুল ইসলাম, স্বপন দত্ত ও সাইদুর রহমান।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে জানান, গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে ৩০ লাখ ভারতীয় জাল রুপি, জাল রুপি তৈরির কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপ, প্রিন্টার, কার্টিজ, বিশেষ ধরনের কাগজ, স্কেল, গ্লাসসহ বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, তাদের চক্রের দলনেতা হুমায়ুন কবির। সে একযুগেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় জাল রুপি তৈরির কাজে জড়িত। মাসখানেক আগে রাজশাহী থেকে গ্রেফতার হওয়া জাল মুদ্রা তৈরি চক্রের অন্যতম হোতা দরুদুজ্জামানের হাত ধরে এই কাজে সম্পৃক্ত হয় হুমায়ুন। হুমায়ুন তার আপন ছোট ভাই কাউসারকে নিয়ে নিজেই একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলে।
তিনি বলেন, ‘এই জাল মুদ্রা তৈরির সদস্যদের বিভিন্ন সময় গ্রেফতার করা হলেও তারা আদালত থেকে জামিনে বেরিয়ে আবারও পুরনো পেশায় ফিরে যায়। আদালতে এই চক্রগুলির আইনজীবী নিয়োগ করা থাকে। গ্রেফতারের পরপরই ওই আইনজীবীরা তাদের জামিন পাইয়ে  দেয়। আমরা অনুসন্ধান করে দেখেছি, এই চক্রের সদস্যদের ঠিক করা আইনজীবীরাও একটি সিন্ডিকেট হিসেবে কাজ করে। এমনকি আইনজীবীরা কোনও ফিস ছাড়াই জামিনের ব্যবস্থা করে। পরবর্তীতে চক্রের সদস্যরা জামিনে বের হয়ে আইনজীবীদের টাকা পরিশোধ করে।’

তিনি আরও জানান, জাল ভারতীয় মুদ্রাগুলো চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করা হয়। ভারতীয় সীমান্তের  গরুর হাট এবং কিছু কিছু প্রত্যন্ত এলাকায় এসব মুদ্রা পাচার করা হয়। ভারতীয় সিন্ডিকেটের সঙ্গেও এ দেশের সিন্ডিকেটের যোগাযোগ রয়েছে। চক্রের সদস্যরা প্রতি এক লাখ জাল ভারতীয় রুপি বাংলাদেশি ৮-১০ হাজার টাকায় বিক্রি করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT