‘যারা বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা কেউই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন’ ‘যারা বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা কেউই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন’ – CTG Journal

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ব্যাটের এমডি পরিচয়ে প্রতারণা, হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা অসুর যতই শক্তিশালী হোক তাকে পরাজিত করতে হবে- ডাঃ শাহাদাত হোসেন করোনাতে ছয় বিভাগে মৃত্যু নেই বিমানের চারটি সিটের নিচে মিললো সাড়ে চার কোটি টাকার সোনা বিআরটিসির বাস সুপারভাইজারের কাছে ২৮ হাজার ইয়াবা লামায় এবার স্বাস্থ্য বিধি মেনেই শুরু দুর্গাপুজা কোভিড-১৯: একদিনে আরও ১৪ জনের মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে ভারী বর্ষণ, প্রস্তুত ১৫ আশ্রয়কেন্দ্র নিম্নচাপ: উপকূলে ঝড়ো হাওয়া, নৌযান চলাচল বন্ধ, আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে চীনকে আবারও আশ্বস্ত করল মিয়ানমার ভাষাশিক্ষা ও বানানে নৈরাজ্য খাগড়াছড়িতে নিরাপদ খাদ্য আইনে প্রথম সাজা
‘যারা বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা কেউই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন’

‘যারা বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা কেউই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন’

‘বর্তমান সরকারের চার-পাঁচ জন যারা সবচেয়ে বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, তারা কেউই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন। তাদের এলাকায় বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ঘরোয়া বৈঠকও করতে দেওয়া হয় না বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যরিস্টার মওদুদ আহমেদ।

শনিবার (১৭ মার্চ) দপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মওদুদ বলেন, ‘ওইসব নেতারা ঢাকায় বসে বলেন- দেশে গণতন্ত্র চলছে, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে হবে। অথচ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে শত শত মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি এটা অসত্য বলতে পারেন, অসত্য প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে আমি রাজনীতি ছেড়ে দেবো।’

গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মওদুদ বলেন, ‘বর্তমান সরকারের চার-পাঁচ জন যারা বেশি গণতন্ত্রের কথা বলেন, আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ তাদের এলাকায় যান। তাদের এলাকায় গিয়ে দেখবেন তাদের নিজ এলাকার কোনও ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের যেতে হয়নি। তারা শতশত মিথ্যা মামলা দিয়ে বিরোধী দলের অসংখ্য নেতাকর্মীকে হয় ঘরছাড়া, না হয় জেলাখানায় রেখেছে। ওসিরা দল চালায়। আওয়ামী লীগের নেতাদের বলে আপনার কিছু করার দরকার নেই। আপনারা লুটপাট করেন, আমরা দেখবো কী করে বিরোধী দলকে বিতারণ করতে হয়। তারা (পুলিশ) এখন সরকার পরিচালনা করে। উপজেলা পর্যায়ে।’

মওদুদ বলেন, ‘গত ৯ বছরে ৭৮ হাজার মামলা দিয়েছে। আমাদের এগারো লাখ কর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তাদের কিছু অংশ পালিয়ে বেড়াচ্ছে, কিছু অংশ আগাম জামিন নিয়েছে, কিছু আত্মসমর্পণ করেছে আর কিছু অংশ কারাগারে। সারা বিশ্বময় স্বৈরাচার সরকারগুলোর পতন যেভাবে হয়েছে, বর্তমান সরকারের পতনও একইভাবে হবে। এটা ইতিহাসের একটি অবধারিত পরিণতি। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।’

বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তি যতই বিলম্বিত হবে, তার জনপ্রিয়তা ততই বাড়বে উল্লেখ করে মওদুদ বলেন, ‘যেদিন তিনি কারাগার থেকে বেরিয়ে আসবেন, এদেশের মানুষ রাজপথে নেমে আসবে। সেই জোয়ারে বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র ফিরে আসবে। এই সরকারের আতঙ্ক সেটাই।’

‘শেখ হাসিনার উন্নয়নে, অর্জনে জনগণ খুশি। আগামী নির্বাচনে বিজয় একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র’, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের এই বক্তব্যের জবাবে মওদুদ আহমেদ বলেন, ‘তার মানে নীল নকশা অনুযায়ী নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা, এখন শুধু গেজেট নোটিফিকেশন হবে। আর শপথ গ্রহণ। তা করে নেন। আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করার কী দরকার। কিন্তু এটা বাংলাদেশের মাটিতে হতে দেওয়া হবে না।’

বিএনপিনেতা আরও বলেন, ‘মিথ্যাচারের চরম পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গেছি। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে সত্য কথা বলা শিক্ষা দেওয়ার কথা। ছোট বেলা শিখেছি সদা সত্য কথা বলিবো। এখন হয়ে গেছে সদা মিথ্যা কথা বলিব। মিথ্যচার হয়ে গেছে এখন রাজনীতির শক্তিশালী হাতিয়ার। যত মিথ্যা কথা বলতে পারবে, ততই ভালো।’

‘দেশমাতার কারাবাস দীর্ঘায়িত করার সরকারি ষড়যন্ত্র বন্ধ ও সকল রাজবন্দীর অনতিবলম্বে মুক্তির দাবি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মওদুদ আহমেদ। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও নাগরিক আন্দোলন ফোরামের উপদেষ্টা নাছির উদ্দিন হাজারীর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নেন সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নাসের মোহাম্মদ রহমতউল্লাহসহ প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT