ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পথে ইইউ ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পথে ইইউ – CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন ৪ খুনের রহস্য উন্মোচন: খোটা দেওয়ায় পরিবারসহ ভাইকে খুন প্রধানমন্ত্রী যা আহ্বান করেন জনগণ তাতেই সাড়া দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সৌদি প্রবাসীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী গ্রেফতার মানিকছড়িতে প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনষ্ঠান চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি হচ্ছে গরুর নাড়িভুড়ি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা ফরম পূরণের কিছু টাকা ফেরত পাবে এইচএসসি শিক্ষার্থীরা মহাবিশ্বের নক্ষত্রের চেয়েও বেশি ভাইরাস পৃথিবীতে, কিন্তু সব ভাইরাস দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয় না কেন? কারিগরি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসতেই হবে
ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পথে ইইউ

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার পথে ইইউ

পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত ইরানের পরমাণু চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের অসন্তোষের মুখে এবার তেহরানের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এরইমধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে ইইউ-এর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব করেছে ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্য। ২০১৫ সালে দেশটির সঙ্গে করা পরমাণু চুক্তি শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখতে ট্রাম্প প্রশাসনকে সম্মত করার লক্ষ্যে এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। গোপন নথির বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।

শুক্রবার ইইউভুক্ত দেশগুলোতে এই প্রস্তাব সম্বলিত একটি যৌথ চিঠি পাঠানো হয়েছে। কেননা, নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হলে ইইউভুক্ত সব দেশকে প্রস্তাবে রাজি হতে হবে। এ কারণে প্রস্তাবক দেশগুলো অন্যদেরও রাজি করানোর চেষ্টা করছে।

প্রস্তাবিত এ নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো মূলত ট্রাম্প প্রশাসনকে দেখাতে চায় ইরানের অন্যায্য আচরণের ব্যাপারে তারাও সোচ্চার। তবে পারমাণবিক উত্তেজনা হ্রাসে দেশটির সঙ্গে করা চুক্তি বহাল থাকা প্রয়োজন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরই এ চুক্তির বিরোধীতা করে আসছেন। চুক্তিটি বাতিল বা সংশোধনের কথা বলেছেন। সর্বশেষ গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প চুক্তিটি বহাল রাখার ঘোষণা দিয়ে বলেন, চুক্তিটি সংশোধনে এটাই ইরানের জন্য ‘শেষ সুযোগ’। তবে এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান বলেছে, তারা চুক্তিতে কোনও পরিবর্তন আনবে না।

ট্রাম্প জানান, ইরানের জন্য এ সুযোগ চার মাস বা ১২০ দিনের জন্য। এ সময়ের মধ্যে ইরানের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে নিয়ে একটি নতুন চুক্তির খসড়া করা হবে। নতুন চুক্তিতে বর্তমান চুক্তির ‘বিপজ্জনক ত্রুটিগুলো’ দূর করা হবে।

গত জানুয়ারিতে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থগিতের পর প্রতি চার মাস পর পর স্থগিতাদেশ বাড়ানোর নির্দেশ দেন প্রেসিডেন্ট। আগামী ১২ মে নতুন করে স্থগিতাদেশ না দিলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

রয়টার্সের হাতে থাকা নথিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও সিরিয়ার আসাদ বাহিনীকে সমর্থনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, প্রকাশ্য ভূমিকার কারণে সামনের দিনগুলোতে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রভাবশালী দেশগুলোর নতুন এ উদ্যোগ নিয়ে এরইমধ্যে তেহরানের হতাশার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দেশটির একজন কূটনীতিক বলেছেন, ‘আমরা বিরক্ত। আমরা ১৮ মাস ধরে তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু আলোচনায় কোনও অগ্রগতি হয়নি।’

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত নয়। সোমবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হবেন আঞ্চলিক এ জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

সম্ভাব্য এই নিষেধাজ্ঞার খবরটি এমন এক সময়ে সামনে এলো যার কয়েকদিন আগেই ইরানকে মোকাবিলায় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির হুমকি দিয়েছিলেন সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সৌদি আরব কোনও পারমাণবিক বোমা অর্জন করতে চায় না। তবে ইরান যদি পারমাণবিক বোমা তৈরি করে, তাহলে আমরাও যত দ্রুত সম্ভব তার অনুসরণ করবো।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT