মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি! মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি! – CTG Journal

বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
সমুদ্র নিরাপত্তা জোটের বৈঠকে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ পানছড়িতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত মাস্ক নিয়ে কঠোর প্রশাসন, ৩২ মামলায় ৩২ জনকে জরিমানা চট্টগ্রাম দাপাবে চার পেট্রোল কার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি নেবে ১৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার নাইক্ষ্যংছড়িতে ২দিন ব্যাপী নিউট্রিশন সেনসেটিভ প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ শুরু পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৩ বছর, বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও বৈষম্য মূলক ধারা গুলো সংশোধন করে চুক্তির পূনঃমূল্যায়ন করার দাবি পরীক্ষার তারিখ না দিলে আমরণ অনশন ৯ মাস পর মিরপুরে মাশরাফি হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারি: দুদকের ফের অনুসন্ধান শুরু লামায় স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতিতে ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা
মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি!

মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো ছেলেটি!

ছেলেটির বয়স মাত্র ২০। মামার সঙ্গে সহযোগী হিসেবে  মর্গে কাজ করতো সে। নাম মুন্না ভগত। কিন্তু জঘন্যতম একটি অপরাধের অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ—মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো সে। সিআইডি কর্মকর্তারা জানান, বিভিন্ন স্থান থেকে যেসব লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে নেওয়া হতো, সেসব লাশের মধ্য থেকে মৃত নারীদের ধর্ষণ করতো মুন্না।

সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক সৈয়দ রেজাউল হায়দার বলেন, ‘ঘটনাটি খুবই ন্যক্কারজনক। শুক্রবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।’

সিআইডি ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতার হওয়া মুন্না ভগত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ডোম জতন কুমার লালের সহযোগী হিসেবে কাজ করতো। দুই-তিন বছর ধরে সে মর্গে থাকা মৃত নারীদের ধর্ষণ করে আসছিল। সম্প্রতি এরকম একটি অভিযোগ পেয়ে মুন্নার বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে সিআইডি। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মুন্নাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না মৃত নারীদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

সিআইডির এক কর্মকর্তা জানান, মৃত নারীদের ধর্ষণ করা পৃথিবীর জঘন্যতম একটি কাজ। সুস্থ ও স্বাভাবিক কেউ এমন জঘন্যতম কাজ করতে পারে না। গ্রেফতার হওয়া মুন্না বিকৃত মানসিকতার। তা না হলে এমন কাজ তার করার কথা নয়।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে দায়িত্বরত ডোম ও মুন্নার মামা জতন কুমার লাল জানান, মুন্না গত দুই/তিন বছর ধরে তার সহযোগী হিসেবে মর্গে কাজ করতো। তার বাবার নাম দুলাল ভগত। গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ বাজারে। সে আরও দুই/তিন জনের সঙ্গে মর্গের পাশে একটি কক্ষেই রাতে থাকতো।

তিনি জানান, মুন্নাকে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ। একারণে তারা বৃহস্পতিবার সন্ধ‌্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নম্বর- ১২৩৬) দায়ের করেছেন।

মুন্নার বিরুদ্ধে মৃত নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রসঙ্গে জতন লাল কুমার বলেন, ‘মুন্না মাঝে মধ্যে গাঁজা বা নেশাটেশা করতো। কিন্তু এরকম একটি কাজ সে করতে পারে, তা ভাবতেই পারছি না।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT