করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে – CTG Journal

বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:২০ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
সমুদ্র নিরাপত্তা জোটের বৈঠকে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ পানছড়িতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত মাস্ক নিয়ে কঠোর প্রশাসন, ৩২ মামলায় ৩২ জনকে জরিমানা চট্টগ্রাম দাপাবে চার পেট্রোল কার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি নেবে ১৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার নাইক্ষ্যংছড়িতে ২দিন ব্যাপী নিউট্রিশন সেনসেটিভ প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ শুরু পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৩ বছর, বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও বৈষম্য মূলক ধারা গুলো সংশোধন করে চুক্তির পূনঃমূল্যায়ন করার দাবি পরীক্ষার তারিখ না দিলে আমরণ অনশন ৯ মাস পর মিরপুরে মাশরাফি হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারি: দুদকের ফের অনুসন্ধান শুরু লামায় স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতিতে ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে

করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৫ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে

দুনিয়াজুড়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ সময় সোমবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস বৈশ্বিক মহামারিতে এ পর্যন্ত বিশ্বের ২১৯টি দেশ ও অঞ্চল আক্রান্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা পাঁচ কোটি ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার ২২৮। এর মধ্যে ১৩ লাখ ২৫ হাজার ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে তিন কোটি ৮১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৮৩ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ে করোনাভাইরাস। উৎপত্তিস্থল চীনে ৮৩ হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হলেও সেখানে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব কমে গেছে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে এই ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে। চীনের বাইরে করোনাভাইরাসের প্রকোপ ১৩ গুণ বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে গত ১১ মার্চ দুনিয়াজুড়ে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

আমেরিকার দুই মহাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় সংক্রমণ এখনও দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে ইউরোপকে লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে করোনা কিছুটা স্তিমিত হলেও সেখানে আবারও নতুন করে রোগটির প্রাদুর্ভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে আশার কথা হচ্ছে, এখন আক্রান্তের পর সুস্থ হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে।

ওয়ার্ল্ডোমিটারস-এর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ২১৪। মৃত্যু হয়েছে দুই লাখ ৫১ হাজার ৯০১ জনের।

আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৮ লাখ ৪৫ হাজার ৬১৭। এর মধ্যে এক লাখ ৩০ হাজার ১০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ব্রাজিলে আক্রান্তের সংখ্যা ৫৮ লাখ ৬৩ হাজার ৯৩। এর মধ্যে এক লাখ ৬৫ হাজার ৮১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

উৎপত্তিস্থল চীনে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৬ হাজার ৩৪৬। এরমধ্যে চার হাজার ৬৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও দেশটির বিরুদ্ধে প্রকৃত পরিস্থিতি গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। উহানের একজন স্বেচ্ছাসেবী বলেন, ‘বুদ্ধি-বিবেচনাসম্পন্ন যেকোনও মানুষ এই সংখ্যা (সরকারি পরিসংখ্যান) নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করবেন।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)-এর মহাপরিচালক টেড্রোস অ্যাডানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, প্রায় এক বছরের ভোগান্তিতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে যেতে পারে, কিন্তু করোনাভাইরাস এখনও ক্লান্ত হয়নি। কার্যকর টিকা আবিষ্কার হওয়ার আগ পর্যন্ত সাবধানতা অবলম্বনে কোনও ফাঁকি দেওয়া যাবে না।

মহামারির শুরু থেকেই যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে আসছিল, করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পেছনে চীনের ভূমিকা রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সেই দাবিকে আরও জোরালো করে চীনের উহানের ল্যাবের এক ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ানের বক্তব্য।

লি মেং ইয়ান বলেন, চীনের ল্যাবেই তৈরি করা হয়েছে করোনাভাইরাস। এটি মানুষের তৈরি বলে তার কাছে শতভাগ প্রমাণ রয়েছে।

হংকংয়ে জন্ম নেওয়া ভাইরোলজিস্ট লি মেং ইয়ান পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। বছরের শুরুতে তাকে চীন হত্যা করতে চেয়েছিল বলে ভয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান তিনি।

তিনি জানান, চীনের পূর্বাঞ্চলে গত বছরের শেষ দিকে নিউমোনিয়ার মতো এই রোগ নিয়ে প্রথমদিকে গবেষণাকারীদের একজন ছিলেন তিনি। কিন্তু যখন রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তখন তাকে নীরব ও সতর্ক থাকতে বলা হয়। তার সুপারভাইজার তাকে বলেন, আমরা সমস্যায় পড়বো এবং গুম হয়ে যাবো।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT