‘অনার বোর্ডের ঐ নামটি’ ‘অনার বোর্ডের ঐ নামটি’ – CTG Journal

বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:১১ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
সমুদ্র নিরাপত্তা জোটের বৈঠকে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ পানছড়িতে বঙ্গবন্ধুর জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণী সভা অনুষ্ঠিত মাস্ক নিয়ে কঠোর প্রশাসন, ৩২ মামলায় ৩২ জনকে জরিমানা চট্টগ্রাম দাপাবে চার পেট্রোল কার গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি নেবে ১৯ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার নাইক্ষ্যংছড়িতে ২দিন ব্যাপী নিউট্রিশন সেনসেটিভ প্রোগ্রামিং প্রশিক্ষণ শুরু পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ২৩ বছর, বাংলাদেশের সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক ও বৈষম্য মূলক ধারা গুলো সংশোধন করে চুক্তির পূনঃমূল্যায়ন করার দাবি পরীক্ষার তারিখ না দিলে আমরণ অনশন ৯ মাস পর মিরপুরে মাশরাফি হলমার্কের অর্থ কেলেঙ্কারি: দুদকের ফের অনুসন্ধান শুরু লামায় স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মবিরতিতে ব্যহত হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা
‘অনার বোর্ডের ঐ নামটি’

‘অনার বোর্ডের ঐ নামটি’

মো. তোফাজ্জল হোসেন :

যখনই চোখ যায় আমার অফিস কক্ষের
ঐ অনার বোর্ডটির পানে,
একটি নামের স্মৃতি নীরবে নিভৃতে
হৃদয় গহীনে আমায় দীর্ঘশ্বাস হানে।
নামের ঐ মানুষটির দেখা পেলাম সেই ১৯৯২ সালে,
তাঁর অধীনে অধস্তন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান কালে, ধীরে ধীরে গেলাম পড়ে তাঁর অসীম মায়ার জালে।
চট্টগ্রাম ইপিজেডে সেই প্রথম দেখাতেই
তিঁনি হাসিমুখে কাছে টেনে নিলেন,
কিছুদিন যেতে স্নেহের “তুমি” খেতাব খানা দিলেন।
এরপর ঢাকা ইপিজেড সহ
বেপজার বিভিন্ন ষ্টেশনে হলো কতো দেখা,
হৃদয় পটে কেবলই এঁকে গেলেন
ভালোবাসায় মোড়ানো মায়াবী মুখের রেখা।
বেপজার চাকুরী থেকে অবসরে গিয়ে
বিশ্ব ব্যাংকে লেখালেন নাম,
লালন করেছেন মানবিক মূল্যবোধ
বহন করেছেন সদা বেপজার স্মৃতি ঘেরা খাম।
ধর্মকর্ম ও পরোপকারের নেশা ছিলো যার,
এমন প্রানবন্ত হাসিখুশি মানুষের দেখা পাওয়া ভার।
বিধাতার কাছ থেকে কখন কার
আসিবে ডাক কেউ জানেনা তো হায়!
জানলে কি আর প্রিয় সন্তান পিতাকে রেখে
সাত সাগর তের নদী ওপারেতে যায়?
বুয়েট প্রকৌশলী ছোট ছেলেটি
স্কলারশিপে উচ্চ শিক্ষার্থে যখন আমেরিকা যান,
কিছুদিন পর কভিড-১৯
হঠাৎ থামিয়ে দিলো স্যারের জীবনের সব জয়গান!
দুনিয়ার এই মিছে মায়া ছেড়ে
হঠাৎই চলে গেলেন তিঁনি,
বেপজার সচিব, সিএফও পদ
অলংকৃত করেছিলেন যিনি।
মৃত্যুর মাস কয়েক আগেও বেপজা কমপ্লেক্সে
এসেছিলেন সবার সাথে দেখা করিবার তরে,
সেই শেষ আলাপের স্মৃতি আজ কেবলই মনে পড়ে।
আমার অফিস কক্ষে অনার বোর্ডে
শ্রদ্ধেয় “এস মাহমুদ ইউনুস” স্যারের
নামটি যখনই দেখি,
মন বলেরে আমায় প্রিয় স্যারকে নিয়ে
কিছু স্মৃতিকথা লেখি।
বেপজা তথা দেশ ও জাতীর কল্যাণে
তাঁর মেধা ও নিরলস শ্রমের কথা ভুলিবার নয়,
যোগ্যতা ও ভালোবাসা দিয়ে
তিঁনি করেছিলেন সবার হৃদয় মন জয়।
স্যারের পরিবারের সাথে কতো যে ঘনিষ্ঠ ছিলাম,
দু’চোখের জল ফেলে মোরা মোদের
বেপজা পরিবারের
প্রিয় সদস্যকে চির বিদায় দিলাম।
স্যারের কতো আদর কতো স্নেহ আর
নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পেয়েছি আমি,
পরপারে কেমন আছেন তিঁনি তা জানেন অন্তর্যামী।
বেপজা অনার বোর্ডে নামটি থেকে যাবে তাঁর,
হাসিমাখা মুখখানা নিয়ে তিঁনি ফিরবেন না আর।
বেপজা পরিবারের আরো অনেক প্রিয় মুখ
চলে গেছেন ভবের মায়া ছেড়ে জীবনের ওপারে,
দু’হাত তুলে তাঁদের সকলের আত্মার
শান্তি কামনা করছি পরম করুণাময়ের দ্বারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT