কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০ কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০ – CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন ৪ খুনের রহস্য উন্মোচন: খোটা দেওয়ায় পরিবারসহ ভাইকে খুন প্রধানমন্ত্রী যা আহ্বান করেন জনগণ তাতেই সাড়া দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সৌদি প্রবাসীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী গ্রেফতার মানিকছড়িতে প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনষ্ঠান চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি হচ্ছে গরুর নাড়িভুড়ি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা ফরম পূরণের কিছু টাকা ফেরত পাবে এইচএসসি শিক্ষার্থীরা মহাবিশ্বের নক্ষত্রের চেয়েও বেশি ভাইরাস পৃথিবীতে, কিন্তু সব ভাইরাস দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয় না কেন? কারিগরি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসতেই হবে
কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০

কুমিল্লায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১০

মিল্লার লাকসাম উপজেলা সদরের দৌলতগঞ্জ বাজারে ব্যক্তিগত বিরোধ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের এক এএসআইসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) সন্ধ্যার পর থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দৌলতগঞ্জ বাজারের নোয়াখালী রেলগেইট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্যক্তিগত ঝামেলা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লাকসাম পৌর শহরের উত্তর বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ও ফরহাদের সঙ্গে পৌরসভার গাজিমুড়া গ্রামের আমির হোসেনের কথাকাটাকাটি ও মারামারি হয়। এ ঘটনার পর রফিকুল ইসলামের ছেলে লাকসাম পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি কাউসারসহ উত্তর বাজারের ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলীয় নেতাকর্মীরা নোয়াখালী রেলগেইট এলাকায় আসে। এদিকে গাজিমুড়ার আমির হোসেনের পক্ষ নেয় ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মী। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালায়। তখন দুই পক্ষের মাঝে পড়ে লাকসাম থানার এএসআই আবু ইসহাক আহত হন। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে।

এ বিষয়ে লাকসাম উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শিহাব খান বলেন, ‘আমির হোসেন আমার গ্রামের লোক। আমি ঝামেলা থামাতে গেলে হুমায়ুন ও ফরহাদের আঘাতে আমার নাক ফেটে যায়। গাজিমুড়া গ্রামের লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আমি পুলিশসহ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছি। এটা কোনও দলীয় বিষয় নয়।’

এদিকে এ বিষয়ে জানতে লাকসাম শহরের উত্তর বাজার এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ও ছাত্রলীগ নেতা কাউসারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

হুমায়ুন ও ছাত্রলীগ নেতা কাউসারের চাচাতো ভাই লাকসাম পৌরসভা যুবলীগের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. শাহীন বলেন, রফিকুল ইসলাম, হুমায়ুনসহ অপর আহতরা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আমি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না।
লাকসাম থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বলেন, দুই এলাকার লোকদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পুলিশ লাঠিচার্জ করে দুই পক্ষের লোকদের সরিয়ে দিয়েছে। এ সময় এএসআই আবু ইসহাক আহত হয়েছেন। আর ঘটনাটি দলীয় কোনও বিষয় নিয়ে ঘটেনি। তবে দুই পক্ষের লোকজন ছাত্রলীগের ছিল বলে স্বীকার করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT