ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে দেশের ৩৯টি প্রতিষ্ঠান! ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে দেশের ৩৯টি প্রতিষ্ঠান! – CTG Journal

শনিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক, আলোচনা হবে রোহিঙ্গা ইস্যুতেও আরও ২০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭৩ করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৪ লাখ ৩৭ হাজার ছাড়িয়েছে দ্রুত সময়ে ভ্যাকসিন পেতে সরকার সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে: কাদের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৪২ তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত লক্ষ্য থাকলে এগিয়ে যাওয়া সহজ হয়: প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বাড়ি নির্মাণের অভিজ্ঞতা নিতে ১৬ কর্মকর্তার বিদেশ সফরের প্রস্তাব করোনাকালে চলছে কোচিং সেন্টার, বন্ধ করল প্রশাসন করোনার পরও লটারিতে ভর্তি চলবে: শিক্ষামন্ত্রী ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ এর উদ্যোগে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় সি.আর.এম উদ্বোধন সাংবাদিক কনক সারওয়ার ও ইলিয়াসসহ ৩৫ জনের ব্যাংক হিসাব তলব প্রায় ৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ
ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে দেশের ৩৯টি প্রতিষ্ঠান!

ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে দেশের ৩৯টি প্রতিষ্ঠান!

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ দেশের বেশকিছু শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার তথ্য খুঁজে পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সম্প্রতি এমন ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করে একটি তালিকা বানিয়েছে এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) বিভাগ। ইতোমধ্যে তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ নিরীক্ষা চালাচ্ছে এলটিইউ। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

তালিকায় বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি রয়েছে দেশের বেসরকারি ব্যাংক, ওষুধ উৎপাদনকারী, গ্যাস ফিল্ড ও বেশকিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো গত পাঁচ বছর কী পরিমাণ ভ্যাট দিয়েছে ও কোন কোন উৎস থেকে দিয়েছে তা নিরীক্ষা করে দেখছে এনবিআর। উৎপাদন প্রক্রিয়া, মজুদ পণ্য ও সেবা, উপকরণ পরিদর্শন, মূসক পুস্তক, বাণিজ্যিক দলিল, হিসাব ও নথিপত্র, ব্যাংক লেনদেন, অডিট রিপোর্ট জমা দিতে ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এলটিইউ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

শুল্ক ও ভ্যাট ফাঁকি রোধে এনবিআরের গোয়েন্দাদের ৮টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই সংস্থার চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যারা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছি।’

সূত্র জানায়, এনবিআরের তালিকায় স্থান পাওয়া কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংক, বহুজাতিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এর আগে বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে এনবিআর। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে উদ্ঘাটন করা হয়েছে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি।

এর মধ্যে কেবল মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোনের কাছেই মূসক হিসেবে এনবিআরের পাওনা ২ হাজার ১৫ কোটি ২৭ লাখ টাকা। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে এই পরিমাণ অর্থ আদায়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ চেয়ে সম্প্রতি একটি চিঠি দিয়েছে এনবিআর। এলটিইউ’র মূসক শাখা থেকে বিএসইসি চেয়ারম্যানের কাছে এটি দেওয়া হয়।

গ্রামীণফোনসহ সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে দেশের চারটি মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত ২০ নভেম্বর এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করে পৃথক চিঠি পাঠিয়েছে এনবিআর।এই সংস্থার বৃহৎ করদাতা ইউনিটের তথ্য অনুযায়ী,চারটি মোবাইল অপারেটরের মধ্যে গ্রামীণফোন লিমিটেড সবচেয়ে বেশি (৩৭৮ কোটি ৯৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮২০ টাকা ২২ পয়সা) রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে।

এরপর বাংলালিংক ১৬৮ কোটি ৯১ হাজার ৪৯ হাজার ৫২ টাকা ৪৪ পয়সা, রবি ২৮৫ কোটি ২০ লাখ ৯০ হাজার ৫৩৫ টাকা ৭ পয়সা এবং এয়ারটেল ৫০ কোটি ২৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২২ টাকা ৫৯ পয়সা রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ৯০০ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ২০১৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির এই বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি উদ্ঘাটন করেছে এলটিইউ’র মূল্য সংযোজন কর শাখা।

রবি আজিয়াটার বিরুদ্ধে স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর প্রায় ৮ কোটি টাকার ভ্যাট (মূসক) ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগও আছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটি এই পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এই ভ্যাট আদায়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর রবিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে এর আগেও ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ ওঠে। ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ জুন পর্যন্ত স্থান ও স্থাপনা ভাড়া হিসেবে ১৫ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দেয় রবি। ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে প্রতিষ্ঠানটির ৪১৪ কোটি ৫৪ লাখ ভ্যাট ফাঁকি খুঁজে পায় এনবিআর।

একই চিত্র বাংলালিংকের ক্ষেত্রেও। তাদের বিরুদ্ধে স্থান ও স্থাপনা ভাড়ার ওপর প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার ভ্যাট (মূসক) ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ছয় মাসে প্রতিষ্ঠানটি এই বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর এনবিআর থেকে পাওনা আদায়ে বাংলালিংককে চিঠি (ডিমান্ড নোট) দেওয়া হয়। এর আগে ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত স্থান ও স্থাপনা ভাড়া হিসেবে ৩৪ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে সিম রিপ্লেসমেন্টের নামে বাংলালিংকের ৫৩২ কোটি ৪১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে এনবিআর।

এদিকে চায়না-বাংলা সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (সিবিসি) বিরুদ্ধে ১৯ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালের মার্চ থেকে নভেম্বর পর্যন্ত এই পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।

বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ভ্যাট ফাঁকি ও অবৈধভাবে মোটা অঙ্কের রেয়াত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ছয় মাসে তথ্য গোপন করে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকার অবৈধ রেয়াত নিয়েছে। এছাড়া একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানকে গুঁড়ো দুধ সরবরাহ করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেড।

এদিকে বঙ্গজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে ২০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে এনবিআর। তাদের তথ্য অনুযায়ী— ক্ল্যাসিক মেলামাইন ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ৫ কোটি টাকা ও শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ ৯০ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে। এছাড়া রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (আরএমআইএল) বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি ৮৭ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৩ টাকা ভ্যাট ফাঁকি ও প্রতিষ্ঠানটির ৩ নম্বর ইউনিটের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৯২ হাজার ২৫৩ টাকার রেয়াত গ্রহণের অভিযোগ আছে।

বীমা খাতে ফিনিক্স ইন্সুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রায় ৭ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকির তথ্য পাওয়া গেছে। পাইওনিয়ার ইন্সুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে রয়েছে ৩৮ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ। রূপালী ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে প্রায় ৮ কোটি টাকা, গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রায় ৩১ কোটি টাকার ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে চিঠি দিয়েছে এনবিআর।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান জানান, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার করে প্রায় ৬৫ কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে গ্যালাক্সি সুয়েটার্স অ্যান্ড ইয়ার্ন ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সম্প্রতি বন্ড কমিশনারেটে এটি দায়ের করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর।

একইভাবে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা কাঁচামাল অবৈধভাবে অপসারণের মাধ্যমে প্রায় ২৮০ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিটি সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের বিরুদ্ধে। সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটি বন্ড রেজিস্ট্রারে লিপিবদ্ধ ও শুল্ক পরিশোধ না করেই কাঁচামাল অপসারণ করে শুল্ক ফাঁকি দিয়েছে।

এর বাইরে রাষ্ট্রীয় টেলিফোন সংস্থা বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কাছে ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত বকেয়া রাজস্বের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা। আবার রাজধানীর পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ ঢাকা ওয়াসার (ওয়াটার অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথোরিটি) বিরুদ্ধে প্রায় ১৭৭ কোটি টাকার ভ্যাট (মূসক) ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

এ প্রসঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে তাদের চিহ্নিত করা গেলে ফাঁকি বন্ধ করা সম্ভব। এক্ষেত্রে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সজাগ ও সর্তক থাকতে হবে।’ তার কথায়, ‘যে পদ্ধতিতে ফাঁকি দেওয়া হচ্ছে সেটি আগে বন্ধ করতে হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন— কর ফাঁকি ধরলেই হবে না, আইনানুগ ব্যবস্থাও নিতে হবে। তাহলেই কেবল কর ফাঁকি দেওয়া বন্ধ হবে।

এনবিআর সূত্র জানায়, ভ্যাট ফাঁকি সন্দেহে তাদের তৈরি করা তালিকায় চিহ্নিত ওই ৩৯টি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে দু’জন সহকারী কমিশনার ও চারজন উপ-কমিশনারের নেতৃত্বে ৬টি টিম গঠন করে দেওয়া হয়েছে। এটি তত্ত্বাবধান করছেন এলটিইউ’র একজন অতিরিক্ত কমিশনার।

সূত্র জানায়, তালিকায় থাকা প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় আমদানি-রফতানি, স্থানীয় ক্রয় সংক্রান্ত হিসাবের কাগজপত্র, প্রাসঙ্গিক দলিল, আয়কর বিভাগসহ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে আড়াআড়িভাবে যাচাইপূর্বক সম্ভাব্য ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক পরিহার করে বছরভিত্তিক ভ্যাট ফাঁকি উদ্ঘাটন করা হবে।

ক্ষেত্রবিশেষে এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেল (সিআইসি) থেকে আমদানি-রফতানির তথ্য সংগ্রহ করে আড়াআড়িভাবে যাচাই করে মূসক বা ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে কিনা তা দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কাস্টম হাউস বা শুল্ক স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা হবে আমদানির তথ্য।

নিরীক্ষার প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। কোনও প্রতিষ্ঠানের গৃহীত রেয়াতের অনুপাতে উপকরণ মজুদ আছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য যাবেন তারা।

এনবিআরের নিরীক্ষার প্রথম তালিকায় বিদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ইউলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড, নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বাটা সু কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড।

ওষুধ কোম্পানির মধ্যে আছে হেলথকেয়ার লিমিটেড, রেনেটা লিমিটেড, ওরিয়ন ইনফিউশন লিমিটেড, জেসন ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, এসিআই লিমিটেড, লিবরা ইনফিউশন লিমিটেড।

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো হলো— ঢাকা ওয়াসা, বিটিভি (বাংলাদেশ টেলিভিশন), বাংলাদেশ ব্রিজ অথোরিটি, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বিআরইবি), বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই অথোরিটি, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন।

গ্যাস ফিল্ডের মধ্যে রয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের আওতাধীন হরিপুর গ্যাস ফিল্ড, কৈলাসটিলা গ্যাস ফিল্ড, বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড, রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড, ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস।

নিরীক্ষার দ্বিতীয় তালিকায় রয়েছে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস লিমিটেডের হরিপুর গ্যাস ফিল্ড, কৈলাসটিয়া গ্যাস লিমিটেড, বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ড, রশিদপুর গ্যাস ফিল্ড, ইউনাইটেড এডিবল অয়েল লিমিটেড, দীপা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড। এছাড়াও আছে ফারজানা অয়েল রিফাইনারিজ লিমিটেড, শবনম ভেজিটেবল লিমিটেড, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন, ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাস ফিল্ড, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড।

নিরীক্ষার তৃতীয় তালিকায় আছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড, বাংলাদেশ ইনস্যুলেটর অ্যান্ড স্যানেটারি ওয়্যার ফ্যাক্টরি লিমিটেড। চতুর্থ তালিকায় রয়েছে ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেডের গাজীপুর ও চট্টগ্রাম শাখা, হাইডেলবার্গ সিমেন্ট লিমিটেড, বেঙ্গল গ্লাস লিমিটেড।

পঞ্চম তালিকায় আছে নেসলে বাংলাদেশ লিমিটেড, মাগুরা পেপার মিলস লিমিটেড, জিফোরএস সিকিউর সল্যুশন বাংলাদেশ লিমিটেড, বিটিভি, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই অথোরিটি, দ্য বেঙ্গল প্যাকেজেস লিমিটেড, বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, বিআরইবি।

ষষ্ঠ তালিকায় আছে ঢাকা ওয়াসা, ট্রাইস প্যাক লিমিটেড, মিউচুয়াল মিল্ক প্রোডাক্ট লিমিটেড, ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেড, বাংলাদেশ ব্রিজ অথোরিটি, বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড, বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ লিমিটেড, বাটা সু কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের টঙ্গী ও ধামরাই শাখা।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT