পরিবেশ দূষণ, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ প্রতিষ্ঠানকে দুই কোটি টাকা জরিমানা পরিবেশ দূষণ, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ প্রতিষ্ঠানকে দুই কোটি টাকা জরিমানা – CTG Journal

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০১:২৩ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
নীতিহীন সাংবাদিকতা যেন না হয়: প্রধানমন্ত্রী রংপুরে ‘আল্লাহর দল’র ৩ সদস্য গ্রেফতার পদ্মা সেতুর ৩৪তম স্প্যান স্থাপন, দৃশ্যমান ৫.১ কিলোমিটার শাহ আমানতে বিদেশী অর্থসহ ২ যাত্রী আটক শনিবার চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ৩২ দেশে ফিরছে নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ বিজয় শান্তিরক্ষা মিশনে নারীর অংশগ্রহণ আরও বাড়ানোর আহ্বান বাংলাদেশের রামগড়ে ধর্ষণে অন্তসত্তা এক প্রতিবন্ধী, ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে পিতার মামলা বাজারমুখী হচ্ছেন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আলোচিত ১০ স্কুল প্রকল্পে ৩শ কোটি টাকা লোপাটের প্রমাণ পায়নি মন্ত্রণালয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নিয়ামক ভূমিকা পালন করে সমৃদ্ধ আইনি কাঠামো : আইনমন্ত্রী নাইক্ষ্যংছড়ি প্রেসক্লাবের কার্যকারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
পরিবেশ দূষণ, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ প্রতিষ্ঠানকে দুই কোটি টাকা জরিমানা

পরিবেশ দূষণ, ফেব্রুয়ারিতে ৪১ প্রতিষ্ঠানকে দুই কোটি টাকা জরিমানা

পরিবেশ দূষণের দায়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ৪১টি প্রতিষ্ঠানকে এক কোটি ৯৭ লাখ ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। পরিবেশ দূষণবিরোধী অভিযান ও পরিবেশ সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট) ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই জরিমানা করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, ইতিপূর্বে নিয়মিত মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নরসিংদী, গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলার নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান যেমন ডাইং, ওয়াশিং, সোয়েটার, বোর্ড মিল, কর্কসিট, জুতা তৈরি, চক তৈরি, কেমিক্যাল কারখানা, ওয়ার্কশপ, চা প্রসেসিং, রাইস মিল, ইটভাটা ইত্যাদি পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনকালে তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) ব্যতিত বা তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) বন্ধ রেখে বা কখনো কখনো ত্রুটিপূর্ণ ইটিপির মাধ্যমে কারখানা পরিচালনা করে তরল বর্জ্য সরাসরি পরিবেশে নির্গমন করে পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করতে দেখতে পান মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইং কর্মকর্তারা। এ ছাড়া অবস্থানগত বা পরিবেশগত ছাড়পত্র ব্যতিত কোনো কোনো কারখানা এবং ইটভাটা পরিচালনা করতে দেখতে পান উইং কর্মকর্তারা।

পরিবেশ ও প্রতিবেশের ক্ষতিসাধন করায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশ দূষণের জন্য নোটিশের মাধ্যমে পরিবেশ অধিদপ্তরের সদর দপ্তর এনফোর্সমেন্ট উইং-এ তলব করে শুনানি গ্রহণ করা হয়। শুনানি শেষে কারখানা বা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতিপূরণ ধার্য করা হয়। তাছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চল কার্যালয় ও ঢাকা গবেষণাগার হতে প্রেরিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন দূষণকারী কারখানা বা প্রতিষ্ঠানকেও এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান জানান, কারখানাগুলোকে ক্ষতিপূরণ আরোপের পাশাপাশি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ইটিপি নির্মাণ ও পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ, ইটিপি থাকলে তা সার্বক্ষণিক কার্যকরভাবে চালু রেখে তরল বর্জ্যের মানমাত্রা বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ১৯৯৭ অনুযায়ী নির্ধারিত মানমাত্রার মধ্যে রেখে সঠিকভাবে ইটিপি পরিচালনার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

ইটভাটার ক্ষেত্রে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ অনুযায়ী ইটভাটার অবস্থান গ্রহণযোগ্য না হলে তা উপযুক্ত বা পরিবেশবান্ধব স্থানে স্থানান্তরপূর্বক বিধি মোতাবেক অবস্থানগত বা পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ এবং এ আইন অনুযায়ী ইটভাটার অবস্থান গ্রহণযোগ্য হলে বিধি মোতাবেক অবস্থানগত বা পরিবেশগত ছাড়পত্র গ্রহণ করে ইটভাটা পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT