নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সরে গেছে মিয়ানমার সৈন্য: সাময়িক স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সরে গেছে মিয়ানমার সৈন্য: সাময়িক স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা – CTG Journal

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১১:৪১ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
৩৮তম বিসিএস হতে নন-ক্যাডারে ৫৪১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ ‘কাশ্মির টাইমস’ কার্যালয় বন্ধ করে দিলো প্রশাসন ফের আলুর দাম নির্ধারণ করলো সরকার মানিকছড়িতে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে অর্ধলক্ষ টাকা জরিমানা ভূরাজনীতিক কারণে মিয়ানমারকে তোয়াজ করা হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাপ্তাইয়ের মৎস্যজীবীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত রায়হান হত্যার সুষ্ঠু বিচার হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী লামায় তামাকের বিকল্প হিসেবে বিনামূল্যের সবজি বীজ পেল ১৫০ কৃষক বাইশারীতে জরাজীর্ণ কালভার্টটি অভিভাবকহীন, দেখার কেউ নেই ব্যানকোভিডেই ভরসা গ্লোব বায়োটেকের দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা তালিকায় বাংলাদেশ কলেজ ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সরে গেছে মিয়ানমার সৈন্য: সাময়িক স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা

নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্তে সরে গেছে মিয়ানমার সৈন্য: সাময়িক স্বস্তিতে রোহিঙ্গারা

নুরুল কবির, বান্দরবান || বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তের তুমব্রু সীমান্ত পয়েন্ট থেকে সরে গেছে মিয়ানমার সৈন্য। বাংলাদেশের পক্ষে বিজিবির কড়া প্রতিবাদ ও সীমান্তে তিনটি সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে গত দুই দিন মিয়ানমার সৈন্যরা নমনীয় ভূমিকা পালন করছে।

তবে তুমরু সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনীর প্রহরায় তার কাটা বেড়ার সংস্কার কাজ চালাচ্ছে চলছে।
অন্যদিকে, মিয়ানমারের বিজিপির সদস্যরা মাঝে মাঝে গাড়ি যোগে জিরো পয়েন্টে টহল দেয় বলে জানিয়েছেন জিরো পযেন্ট অবস্থানরত কয়েকজন রোহিঙ্গা নাগরিক। রোহিঙ্গারা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির পক্ষ থেকে তাদের নিয়ন্ত্রিত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু কোনারপাড়ার নিকটে তিনটি সিসি ক্যামরা স্থাপনের পর মিয়ানমারের সেনাবাহিনী কাটা তারের বেড়ার কাছ থেকে সরে গেছে। তবে তারা কিছু দূরে গিয়ে অবস্থান নিয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে।

তুমরু এলাকার বাইরে ফাত্রাঝিরি ও ঘুমধুম এলাকায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাহারায় নতুন ভাবে কাটা তারের বেড়ার নির্মাণ কাজ চলছে। জিরো লাইনের রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশ থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর সদস্যরা সরে যাওয়ায় এখন কিছুটা স্বস্তির মধ্যে রয়েছে জিরো লাইনে থাকা রোহিঙ্গারা। সম্প্রতি তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার হঠাৎ করে ভারী অস্ত্রসহ সেনাবাহিনীর সংখ্যা বাড়াতে থাকলে শুক্রবার বিজিবি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সীমান্তের জিরো লাইনে ৩টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে। এসব ক্যামেরার সাথে ইনফারেডও সংযুক্ত করা হয়েছে যাতে রাতের বেলায়ও ভাল দেখা যায়।

এর আগে গত শুক্রবার ঘুমধুম সীমান্তের মৈত্রী সেতু এলাকায় দু’দেশের সীমান্ত বাহিনীর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানান যে তারা সীমান্তে সৈন্য সমাবেশ বা ফাঁকা গুলিবর্ষণের আগে বিজিবিকে জানাবে।

সীমান্তের বিভিন্ন জায়গায় সেনাবাহিনী ও বিজিপির সদস্যরা কাটা তার বেড়া নির্মাণ ও সংস্কার কাজ চালাচ্ছে। জিরো লাইনের কাছ থেকে সেনাবাহিনী সরে যাওয়ায় তারা এখন কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন বলে জানান এসব রোহিঙ্গারা।

রোহিঙ্গা নারী জেবু নেছা জানান, কাটা তারের কাছ থেকে সেনাবাহিনী সরে গেলেও আমাদের আতঙ্ক কাটেনি। তারা আবারো যেকোন সময় আসতে পারে। কারণ তারা কাছেই রয়েছে। অন্য একজন নারী আলিমা খাতুন বলেন, দু’দেশের সরকার যাই করুক আমরা জিরো লাইনে থাকতে চাই না। অন্যদের মত আমাদেরও কুতুপালং শিবিরে নিয়ে গেলে বেঁচে যাই।

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের ৩৪ বিজিবির কমান্ডার লে. কর্নেল মজ্ঞুরুল হাসান খান জানান, গত সপ্তায় পতাকা বৈঠকের পর সীমান্ত পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক। কাটা তারের বেড়ার কাছ থেকে তাদের সেনা সদস্যরা সরে গেছে। আশা করা হচ্ছে চলতি সপ্তার শেষে দিকে সীমান্তের পরিস্থিতি আরো উন্নতি ঘটবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT