উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী – CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন ৪ খুনের রহস্য উন্মোচন: খোটা দেওয়ায় পরিবারসহ ভাইকে খুন প্রধানমন্ত্রী যা আহ্বান করেন জনগণ তাতেই সাড়া দেয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় সৌদি প্রবাসীসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী গ্রেফতার মানিকছড়িতে প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তার বিদায় অনষ্ঠান চট্টগ্রাম থেকে রপ্তানি হচ্ছে গরুর নাড়িভুড়ি পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা ফরম পূরণের কিছু টাকা ফেরত পাবে এইচএসসি শিক্ষার্থীরা মহাবিশ্বের নক্ষত্রের চেয়েও বেশি ভাইরাস পৃথিবীতে, কিন্তু সব ভাইরাস দ্বারা মানুষ আক্রান্ত হয় না কেন? কারিগরি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় বসতেই হবে
উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে নৌকায় ভোট দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমরা বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধশালী করতে চাই। যখনই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন- মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার পেয়েছেন, আপনারা স্বাধীনতা পেয়েছেন, আপনারা দেশের উন্নয়ন পেয়েছেন। উন্নয়নের এ ধারা বজায় রাখতে হলে নৌকায় ভোট দিতে হবে’

শনিবার (৩ মার্চ) বিকালে খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় খুলনার জন্য বর্তমান সরকারের গ্রহণ করা এবং এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হওয়া প্রকল্পগুলো তুলে ধরেছেন তিনি।

খুলনাবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘গত নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিয়েছেন, উন্নয়ন হয়েছে। আপনারা কি উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে চান? যদি চান, তাহলে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। আপনারা বলেন, দুই হাত তুলে দেখান। ইনশাল্লাহ নৌকার জয় হবে, উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা তো উন্নয়নই করতে চাই। অপর দিকে বিএনপি কী করে? জামায়াত কী করে? আপনারা জানেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে ও ক্ষমতায় যাওয়ার লোভে কত মানুষকে পুড়িয়ে মেরেছে বিএনপি। নিজের অফিসে বসে থেকে ঘোষণা দিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকার উৎখাত না করে তিনি (খালেদা জিয়া) নাকি ঘরে ফিরবেন না। প্রায় তিন মাসের কাছাকাছি অফিসে বসে ছিল। উনি অফিসে বসে বিরিয়ানি খান আর মানুষ পোড়ানোর হুকুম দেন। ওই খালেদা জিয়া প্রায় ৫০০ মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ আগুনে পুড়ে আহত হয়েছেন, তাদের জীবন-জীবিকার কোনও পথ নাই, সব পথ বন্ধ। খালেদা জিয়া ধ্বংস করতে জানে, সৃষ্টি করতে জানে না; মানুষকে বাঁচাতে জানে না, শুধু মানুষকে হত্যা করতে পারে।’

আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিএনপির তুলনা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা উন্নয়নে বিশ্বাস করি। অন্যদিকে বিএনপি কী করে? বিএনপির কাজ ছিল সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ সৃষ্টি, মানুষ হত্যা করা, মানুষকে খুন করা। আগুনে পুড়িয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করা। ওরা যখনই ক্ষমতায় ছিল, সেই জিয়ার আমল থেকে শুরু করে প্রতিবার মানুষ হত্যা ছাড়া আর কিছুই করে নাই।’

খুলনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বিএনপির সময় এই খুলনা অঞ্চল ছিলো সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের অভয়ারণ্য। প্রতিদিন খুন হতো, প্রতি মুহূর্তে মায়ের কোল খালি হতো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর কঠোর হস্তে জঙ্গি দমন করেছি। আজকের খুলনা শান্তির নগরী। এখানে যেন আর কোনও ধরনের সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেজন্যে সকলের সহযোগিতা কামনা করি।’

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, দেশের উন্নতি চাই। দেশের কল্যাণ চাই। আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা করে, জনগণের কাজ করে। আমরা এই দেশকে নিয়ে যেতে চাই উন্নয়নের পথে। বাংলাদেশের মানুষ ভিক্ষা করে চলবে না, বাংলাদেশের মানুষ নিজের পায়ে দাঁড়াবে। বাংলাদেশের মানুষ সুন্দরভাবে জীবনযাপন করবে। আমরা সেটাই দেখতে চাই, সেটাই করতে চাই। আমরা এই দেশের আরও উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। ২০৪১ সালের মধ্যে এই বাংলাদেশ হবে উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ। আমরা সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’

দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা বাংলার মাটিতে করেছি। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার আমরা করেছি। অপরাধী যেই হোক তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আজকে খালেদা জিয়া দুর্নীতি করেছে, কোর্ট রায় দিয়েছে। সেই রায়ে সে কারাগারে। এখানে আওয়ামী লীগের কিছু করার নাই, আমাদের কিছু করার নাই। দুর্নীতি করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আজকে আমি আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। ২০০৮ সালে নির্বাচনের আগে এসেছিলাম, ওয়াদা করেছিলাম, খুলনার সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। আজকে আপনারা দেখেছেন- ১০০টি প্রকল্প; যার মধ্যে ৪৮টি উদ্বোধন ও ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি আমি।’

খুলনার উন্নয়নের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে সব কলকারখানা বন্ধ ছিল, সেগুলো আমরা চালু করে দিয়েছি। যাতে করে আমাদের উৎপাদন বাড়ে। জুট মিল থেকে শুরু করে বিভিন্ন কল-কারখানায় উৎপাদন শুরু করেছি। শুধু তাই না- বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা, রাস্তা-ঘাট করা, পুল-ব্রিজ করাসহ বিভিন্ন কাজ আমরা সম্পন্ন করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যা ওয়াদা দিয়েছিলাম এর বাইরে যেসব কাজ করলে জনগণের কল্যাণ হয় তাও আমরা করেছি। আমাদের লক্ষ্য উন্নয়ন। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, আপনারা জানেন- ওই মোংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। খালেদা জিয়া খুলনায় বক্তৃতা দিয়েছিল- ক্ষমতায় গেলে সব কল-কারখানা চালু করবে। কিন্তু সব বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে বন্ধ কল-কারখানা চালু, মোংলা বন্দর চালু, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন করে দিয়েছে। মোংলা বন্দর পর্যন্ত যেন রেললাইন যায় সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে, পদ্মা সেতু থেকে শুরু করে যশোর হয়ে, বাগেরহাট হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত রেললাইন যাবে, সে প্রকল্প আমরা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দিয়েছি।’

খুলনাবাসীর উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ইতোমধ্যে একটা সুখবর দিতে চাই। ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। আমরা পরিকল্পনা নিচ্ছি, সেই গ্যাস পাইপলাইনে করে যাতে বরিশাল এবং খুলনায় আসে তার ব্যবস্থা আমরা করে দেবো।’

বাংলাদেশে কেউ কুঁড়ে ঘরে থাকবে না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটা মানুষও গৃহহারা থাকবে না। প্রত্যেকটা মানুষের ঘরবাড়ি তৈরি করে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি। আমরা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় দেড় লাখ মানুষকে ঘর করে দিয়েছি। জাতির পিতা গুচ্ছগ্রাম শুরু করেছিলেন। আমরা বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে এই ঘরবাড়ি করে দিয়েছি। এই বাংলাদেশে কেউ কুঁড়ে ঘরে থাকবে না, কমপক্ষে একটা টিনের ঘর হলেও আমরা করে দেবো; সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।’

কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের যুব সমাজ লেখাপড়া শিখবে তার জন্য ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা, বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমরা করে দিচ্ছি। আমরা কর্মসংস্থান ব্যাংক করেছি। বিনা জামানতে দুই লাখ টাকা যে কোনও যুবক নিতে পারবে। সেটা দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে, সাথে আরও লোকদের কাজ দিতে পারবে, সেই ব্যবস্থা আমরা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা বিদেশে যাবে- তাদের আর ঘরবাড়ি-ভিটেমাটি বিক্রি করতে হবে না। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে বিদেশে যেতে পারবে, সেই ব্যবস্থা আমরা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘আমার দেশের যে কৃষক ফসল ফলায় তিনি যেন ন্যায্য মূল্য পান, তার ব্যবস্থা করেছি। সারের দাম বার বার কমিয়ে দিয়েছি। সার ও বীজ এখন কৃষকদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে। পাশাপাশি আমাদের কৃষক দশ টাকায় যেন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারে সেই ব্যবস্থাও আমরা করে দিয়েছি। সেই সাথে দুই কোটি কৃষককে কৃষি উপকরণ কার্ড দিচ্ছি।’

সারা দেশকে আলোকিত করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রত্যেক ঘরে আমরা আলো জ্বালতে চাই। ইনশাল্লাহ ২০২১ সালের মধ্যে আমরা সব ঘরে আলো জ্বালবো। প্রায় ১৪২টা সামাজিক উন্নয়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। আপনাদের বই কিনতে হয় না। বই কেনার দায়িত্ব আমি নিয়েছি। প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত আমরা বই কিনে দিচ্ছি। জানুয়ারি মাসের ১ তারিখ বই উৎসব হয়। আমরা ৩৫ কোটি ৪১ লক্ষ ৯০ হাজার ১৬২টি বই বিনা পয়সায় ছেলেমেয়েদের হাতে তুলে দিয়েছি। বাবা-মাকে একটা টাকাও খরচ করতে হয় না। এসব ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি।’

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে পূর্বে রূপসা আর উত্তরে ভৈরব নদীর উপকণ্ঠের শহর খুলনার সার্কিট হাউসি মাঠে মানুষের বান ডেকেছে। শহরের পিচঢালা পথ প্লাবিত হয়েছে জনস্রোতে। জলের নৌকা উঠে এসেছে পথের তোরণে। ঢাকঢোলের বাদ্যে নৃত্য করছে ফাল্গুনের রোদে চমকিত রূপালি শহর।

খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হারুনুর রশীদের সভাপতিত্বে শনিবার বেলা ১টায় শুরু হওয়া জনসভা পরিচালনা করছেন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন। এসময় বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন; সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খা‌লিদ মাহমুদ চৌধুরী; তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বেগম মুন্নিজান সুফিয়ান, রিয়াজুল কবির কাওসার, এছাড়াও মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম ও যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আকতার প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থ উপদেষ্টা মশিউর রহমান, বেসরকারি উন্নয়ন খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, মৎস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শিদী ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রী যেসব প্রকল্প উদ্বোধন ও ভিস্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন—
উদ্বোধন: গল্লামারী-বটিয়াঘাটা-দাকোপ-নলিয়ান ফরেস্ট সড়ক। রূপসা- শ্রীফলতলা-তেরখাদা সড়ক। কেডিএ খানজাহান আলী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমিক-কাম-প্রশাসনিক ভবন। লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাডেমিক ভবন। চালনা মোবারক মেমোরিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন। খুলনা আইডিয়াল কলেজের একাডেমিক ভবন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবন। খুলনা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন। মহেশ্বরপাশা সরকারি শিশু পরিবার হোস্টেল ভবন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ ভবন। মেডিক্যাল কলেজের অডিটরিয়াম ভবন। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল ভবন। তেরখাদা থানা ভবন। রূপসা ফায়ার স্টেশন ভবন। রূপসা সেনহাটি নদী ফায়ার স্টেশন। বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিস। কৃষি বিভাগের অফিস-কাম-ট্রেনিং অ্যান্ড প্রসেসিং সেন্টার ভবন। রূপসা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। দিঘলিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। তেরখাদা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। ডুমুরিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। পাইকগাছা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। পাইকাগাছা আর অ্যান্ড এইচ-বাঁকা জিসি সড়কের কপোতাক্ষ নদের উপর ব্রিজ। খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালের নতুন ভবন। হাতিয়ারডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন। শিমলার আইট খেজুরডাঙ্গা আরএনজিপিএস কাম সাইক্লোন সেল্টার ভবন। দেয়াড়া পশ্চিমপাড়া আরএন জিপিএস কাম সাইক্লোন শেল্টার ভবন। তেরখাদা আব্দুলের মোড় আর অ্যান্ড এইচ- মাঝিরগাথি জিসি ভায়া কোলা বাজার সড়ক। বটিয়াঘাটা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সম্প্রসারণ। পাইকগাছা হাবিবনগর মাদ্রাসার মোড় থেকে ডুমুরিয়া মাগুরখালি-কাঁঠালতলা বাজার পর্যন্ত সংযোগ সড়ক। শহীদ মিনার, খুলনা। রেলওয়ে স্টেশন এবং ইয়ার্ড রি-মডেলিং প্রকল্প। খুলনা জেলা স্টেডিয়াম। পাঁচতলা কয়রা আধুনিক ডাকবাংলো ভবন। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য হোস্টেল ভবন। জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। পাইকগাছায় কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিস। কয়রা থানা ভবন। ডুমুরিয়াতে শোভনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। জলমা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল (বর্ধিতাংশ)। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ)। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ভবন (ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ)। মাইকেল মধুসুদন দত্ত অতিথি ভবন (বর্ধিতাংশ)। আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কেন্দ্রীয় গবেষণাগার (বর্ধিতাংশ)। ওয়াসা ভবন, খুলনা।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: খুলনা-চুকনগর-সাতক্ষীরা (খুলনা অংশ) সড়ক । পাইকগাছা কৃষি কলেজ। বটিয়াঘাটা ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমেজিং ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘এ’ ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নার্সেস ডরমেটরি। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্টাফ ডরমেটরি। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বাংকার। খুলনা সদর হাসপাতালকে ১৫০ বেড থেকে ২৫০ বেডে উন্নীতকরণ। সিভিল সার্জনের অফিস ভবন। শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের আবাসিক ভবন। দিঘলিয়া উপজেলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। পুলিশ সুপারের কার্যালয়। এএসপি ‘ক’ সার্কেল অফিস। দৌলতপুর থানা ভবন। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অস্ত্রাগার ভবন। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের একাডেমিক ভবন। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ফায়ারিং বার্ট। পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অস্ত্রাগার ভবন। জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ভবন। রূপসা উপজেলা মডেল মসজিদ। আলিয়া মাদ্রাসা মডেল মসজিদ। ডুমুরিয়ার ভদ্রা নদীর উপর ৩১৫.৩০ মিটার লম্বা পিসিগার্ডার ব্রিজ। বটিয়াঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। তেরখাদা উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের প্রশাসনিক ভবন ও হলরুম। পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়ন ভূমি অফিস। পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। ফুলতলা উপজেলায় উচ্চ জলাধার ও পাইপলাইনের মাধ্যমে সুপেয় পানি সরবরাহ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক হাজার আসনের অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল। টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট। জেলা কারাগার। জেলা পুলিশ লাইন। ১০ তলাবিশিষ্ট বিএসটিআই, আঞ্চলিক অফিস ভবন। আর আর এফ ব্যারাক ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ। পাইকগাছা উপজেলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আর আর এফ-এর অস্ত্রাগার ভবন। পাইকগাছা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস। রূপসা শ্রমকল্যাণ কেন্দ্র পুনর্নির্মাণ ও আধুনিকীকরণ। ওজোপাডিকো লিমিটেডের ১৫ তলার প্রধান কার্যালয়। জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে ভদ্রা ও সালতা নদী পুনঃখনন। বিএনএস তিতুমীর সংলগ্ন ভৈরব নদীর তীর সংরক্ষণ। শেখ রাসেল ইকোপার্ক। অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কনভেনশন সেন্টার।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT