৭ এপ্রিল থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ - CTG Journal ৭ এপ্রিল থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ - CTG Journal

শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ফেসবুকে নেতিবাচক মন্তব্য, ১০ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাজেটে নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তার প্রস্তাব ডিসিসিআই ও বিসিআইয়ের শিশু অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর: হাইকোর্ট প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী মানিকছড়িতে ইউসিসিএ লি. চেয়ারম্যানকে বিদায় ও বরণ করে নিলেন উপজেলা পরিষদ টিকা নিয়েছেন ৩৫ লাখ ৮১ হাজার মানুষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর প্রাকপ্রস্তুতি জানতে চেয়েছে সরকার যেসব ইউনিয়নে ১১ এপ্রিল ভোট কলিমুল্লাহ’র বক্তব্য রুচি বিবর্জিত: শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাগারে কয়েদিকে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা, পিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিললো তিন কোটি টাকার ‘আইস’
৭ এপ্রিল থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ

৭ এপ্রিল থেকে টিকার দ্বিতীয় ডোজ

আগামী ৭ এপ্রিল থেকে করোনা প্রতিরোধক টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন,‘আমরা দুই মাস পর দ্বিতীয় ডোজ টিকা দিতে যাচ্ছি। কারণ, তখন আট সপ্তাহ হবে। এর মূল কারণ হলো— আট সপ্তাহে টিকার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো হয়। এটি গাইডলাইন।’

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান। 

মন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে এ মাসে ৫০ লাখ টিকা পাঠানোর কথা থাকলেও ওরা পাঠিয়েছে ২০ লাখ। এর ফলে ৩০ লাখ টিকার ঘাটতি আগামী মাসে পূরণ করে দেবে বলে জানিয়েছে সিয়াম।’ 

তিনি বলেন, ‘ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে সেরামের ওপর টিকার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। এ মাসে যা দিয়েছে, আগামী মাসে তারা আরও বাড়িয়ে দেবে। কতটা বাড়িয়ে দেবে, সেটা তারা আমাদের কনফার্ম করলে আমরা আপনাদের তা জানিয়ে দেবো।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে ৪০ বছর বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রায় চার কোটি। তাদের সবাইকে টিকা দিতে গেলে প্রয়োজন হবে আট কোটি ডোজ।  আমাদের তিন কোটি ডোজের চুক্তি করা আছে ভারতের সেরামের সঙ্গে। ২০ লাখ অতিরিক্ত পেয়েছি। ভারত সরকার তা আমাদের উপহার হিসেবে দিয়েছে।’

ভারতের বায়োটেক এবং চীনের একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যে টিকা তাপমাত্রার কারণে সংরক্ষণ করা কঠিন, সেগুলোর বিষয়ে সরকারের আগ্রহ কম। যেগুলো মাইনাস টোয়েন্টি, মাইনাস সেভেন্টি— সেগুলো আমাদের দেশে বর্তমানে রাখা এবং দেওয়াটা একটু কষ্টকর। সে কারণে আমাদের ওই সব টিকায় অগ্রাধিকার দিতে হবে— যেগুলো আমরা দুই থেকে আট ডিগ্রিতে রাখতে পারি,আস্ট্রাজেনেকার মতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে প্রায় ৩৬ লাখের ওপরে।  প্রতিদিন ভ্যাকসিন দেওয়ার  যে রেট আছে, সেটা আড়াই লাখের কাছাকাছি। তবে কখনও বেশি কখনও কম হয়। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন এর চেয়ে বেশি হয়।’ 

জাহিদ মালেক বলেন, ‘যে হারে রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে এবং যে হারে ভ্যাকসিন গ্রহণ করছে, সেই হারে যাতে ভ্যাকসিন পাই, সে চেষ্টা আমাদের রয়েছে।’

টিকা গ্রহণের পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীরা একটু পিছিয়ে আছে। আমরা আহ্বান করবো— নারীরা যাতে আরও বেশি করে এগিয়ে আসেন। যাতে নারী-পুরুষ সমান সমান হয়।’  নারীদের টিকাগ্রহণ কম হওয়ার কারণ সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সেভাবে গবেষণা করি নাই। কিন্তু আমরা মনে করি, নারীরা যেহেতু বের হন কম এবং তারা কর্মক্ষেত্রেও কম, সেসব একটি কার হতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে শিক্ষকদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আর শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের নিচে হলে টিকা দেওয়া হবে না। অন্যদের ক্ষেত্রে সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করে টিকা  দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT