‘১৫ আগস্টের খলনায়কেরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন’ - CTG Journal ‘১৫ আগস্টের খলনায়কেরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন’ - CTG Journal

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
দিনে সাইকেল চুরি, রাতে ইয়াবা বিক্রি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন পরামর্শ ১৯ দিনে জামিনে মুক্ত ৩৩ হাজার কারাবন্দি ফেসবুক কি শুনতে পায়, কীভাবে নজরদারি করে? পানছড়িতে ভেস্তে যাচ্ছে এলজিইডি’র ১ কোটি ৬২ লাখ টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প: মরে যাচ্ছে ঘাস, তীরে ধরেছে ফাটল খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ চীনা রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যে বিস্মিত কূটনীতিকরা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় কাপ্তাইয়ে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল চৈতন্য গলির জুয়ার আস্তানায় পুলিশের হানা, আটক ১৪ সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকহারে করোনা টেস্টের নির্দেশ রাউজানে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
‘১৫ আগস্টের খলনায়কেরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন’

‘১৫ আগস্টের খলনায়কেরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন’

‘১৫ আগস্ট মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খলনায়করা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই এখনও রয়েছেন। কিন্তু কোনও অজানা রহস্যজনক কারণে প্রধানমন্ত্রী তাদের কথা বলেন না। ১৫ আগস্টের রক্তাক্ত ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই যারা কেবিনেট এবং সংসদ সদস্য থাকলেন তারা শেখ মজিবুর রহমানের কেবিনেট ও পার্লামেন্টেও ছিলেন।’ সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর নয়া পল্টনে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সব হত্যাকাণ্ডের দায় আওয়ামী লীগের।

রিজভী বলেন, ‘এটি নতুন করে বলার আর প্রয়োজন নেই যে, আওয়ামী লীগের নেতারাই রক্তাক্ত লাশ ডিঙ্গিয়ে নতুন করে শপথের মাধ্যমে মন্ত্রিসভা গঠন করে খন্দকার মুশতাকের নেতৃত্বে। খন্দকার মুশতাক ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাকশালের মন্ত্রী ছিলেন এবং বাকশালের পার্লামেন্টই খন্দকার মুশতাক আহমেদ রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তার অধীনে কার্যক্রম চালাতে থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘খন্দকার মুশতাকের মন্ত্রিসভার শপথ পরিচালনা করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। ১৫ আগস্টের পর খন্দকার মুশতাকের সময়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং মন্ত্রীপরিষদের অনেক সদস্যই শেখ হাসিনার অধীনে রাজনীতি করেছেন। কিন্তু তাদের কখনও খলনায়ক তিনি বলেননি।’

জিয়াউর রহমান সরকারি চাকরি করতেন এইট টি ইমামের মতোই- উল্লেখ করে রিজভী বলেন, ‘সেনাবাহিনী সরকারের একটি বিভাগ। তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর দ্বিতীয় ব্যক্তি, প্রথম ব্যক্তি নন। যিনি সেনাবাহিনীর প্রধান তার কোনও দায় নেই, দায় নাকি জিয়াউর রহমানের! তৎকালীন সেনাপ্রধান জনাব শফিউল্লাহর হাতেই ছিল সমগ্র সেনাবাহিনীর কমান্ড। অথচ আওয়ামী লীগের এমপি হওয়ার কারণে তিনি অভিযুক্ত নন। কারণ যে যত অপরাধই করুক শেখ হাসিনার আনুগত্য করলে তার সাত খুন মাফ।’

বিএনপিনেতা রিজভী প্রশ্ন করেন, ‘মহান স্বাধীনতার ঘোষক, ৭১’র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম কালুরঘাটে হত্যা করার দিনে কেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন? যারা তাকে হত্যা করেছে তাদের অনেকেরই ফাঁসি হয়েছে। কিন্তু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে। ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্রের কাহিনীও বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। কোনও সংস্থা ষড়যন্ত্র করেছে তার সঙ্গে বর্তমান সরকারের সর্ম্পক কী তা কারোই অজানা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত সব হত্যাকাণ্ডের দায় আওয়ামী লীগের।‘ 

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT