স্বাধীনতা সংগ্রামে বেতারের ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: তথ্যমন্ত্রী - CTG Journal স্বাধীনতা সংগ্রামে বেতারের ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: তথ্যমন্ত্রী - CTG Journal

রবিবার, ১৬ মে ২০২১, ১২:৫২ অপরাহ্ন

        English
স্বাধীনতা সংগ্রামে বেতারের ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

স্বাধীনতা সংগ্রামে বেতারের ভূমিকা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

‘যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বেতারের ভূমিকা ইতিহাসে  স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।‘ তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এই কথা বলেছেন। শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব বেতার দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতার সদর দফতর আয়োজিত র‌্যালি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান এবং তথ্য সচিব খাজা মিয়া বক্তব্য রাখেন। বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহমেদ কামরুজ্জামান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যারা স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান শুনেছেন, তারা জানেন মুক্তিকামী এদেশের মানুষের মাঝে কি উদ্যম-উদ্দীপনা জাগাতো সে সময়ের অনুষ্ঠান! আর মানুষ কি উন্মুখ হয়ে থাকতো তা শোনার জন্য!’

আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে প্রথম পাঠ করেন এম এ হান্নান। পরদিন ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগ নেতারা সেনাবাহিনীর একজন অফিসারকে দিয়ে ঘোষণাটি পাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমে মেজর রফিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি রণাঙ্গনে ব্যস্ত থাকায় পরে কালুরঘাট অতিক্রম করে পটিয়ার দিকে যাত্রাকারী মেজর জিয়াউর রহমানকে বোয়ালখালী থেকে খুঁজে এনে ঘোষণাটি পাঠের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রথমে তিনি ভুল পড়েছিলেন। পরেরবার শুদ্ধ করে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে ঘোষণাটি পড়েন। নতুন প্রজন্মকে সঠিক ইতিহাস জানানোর জন্য এটি শোনানো প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামেই নয়, স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনেও বেতার তার ভূমিকা অব্যাহত রেখেছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সারাদেশের মানুষের কাছে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতির নানা বিষয় বেতার পৌঁছে দিচ্ছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে মাঝি-মাল্লাদের কাছে বেতারই সম্বল। পাহাড়ের চূঁড়াতেও বেতারই শোনা যায়। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানুষকে স্বাস্থ্যসুরক্ষাসহ বিভিন্ন জরুরি বিষয়ে বার্তা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বাংলাদেশ বেতার।’

এ বছর ইউনেস্কো ঘোষিত দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘নতুন বিশ্ব নতুন বেতার’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী জানান, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশ বেতার এখন মোবাইল অ্যাপে শোনা যায়। এ পর্যন্ত দেশের আটটি বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠান অ্যাপের আওতায় এসেছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠান দেশব্যাপী সম্প্রচার শুরু হয়েছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান বলেন, ‘তথ্য অধিকার ও ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে বেতার অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রেখে চলেছে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।’

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিকদের মধ্যে মনোরঞ্জন ঘোষাল, মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, প্রেস ইনস্টিটিউটের  মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, গণযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহীন ইসলাম, বাংলাদেশ বেতারের সাবেক মহাপরিচালকদের মধ্যে নেছার উদ্দীন ভুঁইয়া, অতিরিক্ত মহাপরিচালক সালাহউদ্দীন আহমেদ, ঢাকা কেন্দ্রের পরিচালক কামাল আহমেদ, উপমহাপরিচালক  বার্তা এস এম জাহীদ প্রমুখ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT