রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
স্থপতি তসলিম উদ্দিনের শোকসভায় চবি উপাচার্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি

স্থপতি তসলিম উদ্দিনের শোকসভায় চবি উপাচার্য চট্টগ্রামের উন্নয়নের অনেক সুযোগ কাজে লাগানো যায়নি

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ব্রিটিশ আমলে ও স্বাধীন বাংলাদেশে চট্টগ্রামকে ঘিরে যত মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে সেগুলো কখনই যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে সব সময়ই চট্টগ্রাম অবহেলার স্বীকার হয়েছে। তিনি বলেন, নগরীতে নগরায়নের পাশাপাশি পরিকল্পিত শিল্পায়ন প্রয়োজন। কারণ নগরায়নের মাধ্যমে নগরীতে অতিরিক্ত মানুষের যে চাপ সৃষ্টি হয় তাদের কর্মক্ষেত্রের যোগান দেয় শিল্পায়ন।

বৃহত্তর চট্টগ্রামে নগরায়ন ও শিল্পায়নের জন্য যারা সারা জীবন কাজ করে গেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলো ইউসুফ চৌধুরী ও তাঁরই সুযোগ্য পুত্র স্থপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরী। চট্টগ্রামবাসী এই দু’জন চট্টলদরদীকে সারা জীবন স্মরণে রাখবে।

গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক মিলনায়তনে বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি আয়োজিত স্থপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরী’র শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির সভাপতি ডা. শেখ শফিউল আজমের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব এইচ এম মুজিবুল হক শুক্কুরের সঞ্চালনয় শোকসভায় প্রধান বক্তার হিসেবে দৈনিক পুর্বকোণের প্রকাশক জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘কমিটির সদস্যদের আগ্রহ ও আন্তরিকতার কারণে আমার বাবা ইউসুফ চৌধুরী ও ভাই তসলিমউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামবাসীর জন্য কাজ করতে সাহস পেয়েছেন।

আমরা সবাই যদি এক থাকি এবং একই সুরে কথা বলি তবে কখনই চট্টগ্রাম পিছিয়ে যাবে না। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির পক্ষে পূর্বকোণ পরিবার অতীতে যেভাবে সাথে ছিল ভবিস্যতেও সেভাবেই পাশে থাকবে’।

বৃহত্তর চট্টগ্রাম উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির চেয়ারম্যান ও দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক তসলিমউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভায় আরো বক্তব্য রাখেন, লায়লা ইব্রাহিম বানু, আলহাজ মুহাম্মদ উল্ল্যাহ, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোজাফফর আহমদ, সাবেক কাউন্সিলর হাজি জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম সিদ্দিকী, এডভোকেট রেহানা কবির রানু, মীর ফজলে আকবর শাহজাহান, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফরিদ, পরিবেশবিদ অধ্যাপক ইদ্রিছ আহমেদ, মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, প্রকৌশলী মো. ইব্রাহীম, লায়ন মো. নুরুল আলম, কাজী গোলাপ রহমান, এস এম সিরাজদ্দৌল্লা, আব্দুস সবুর খান, আব্দুর রহমান মান্না, শ্রমিক নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম, বোয়ালখালী ভাইস চেয়ারম্যান সাহেদা আক্তার শেপু, হাসান সিকদার, গোফরান চৌধুরী, মো. আজম, মো. হারুন খোকন, নুরুল ইসলাম রিপন, রিমন মুহুরী, মহিউদ্দিন আজম, আবু বকর, তসলিম উদ্দিন, আমান বিল্লাহ, কাজি সুলতান আহমদ, মো. সিহাব উদ্দিন, মো. এমদাদুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, স্থপতি তসলিমউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন একজন প্রচার বিমুখ মানুষ। তিনি নিজেকে প্রকাশ না করে চট্টগ্রামবাসীর উন্নয়নে কাজ করতেন। অসুস্থ অবস্থায়ও কখন কোন সভ মিস করতেন না। চট্টগ্রামের ভেটেরিনারী বিশ্ববিদ্যালয় স্থপনে তসলিমউদ্দিন চৌধুরীর ও পূর্বকোন পরিবারের কথা চট্টগ্রামবাসী মনে রাখবে। এছাড়া সিডিএ’র উপদেষ্টা থাকা অবস্থা তিনি চট্টগ্রামের বড় বড় অনেক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। সে থেকেই বোঝা যায় তিনি কতটা মেধাবী একজন মানুষ ছিলেন।

বক্তারা আরো বলেন, যানজটের সমস্যা ও বিলবোর্ডে ঢাকা পরা চট্টগ্রামকে বাঁচাতে তিনি জোড়ালো দাবী তুলেন। তারই প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম গ্রিন সিটিতে পরিনত হতে পেরেছে।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম অবিভাবকহীন হয়ে যাচ্ছে। পর পর অনেক চট্টলদরদী মানুষ হারাচ্ছি আমরা। তাই মানুষকে মানবিক হয়ে চট্টগ্রামের কথা ভাবতে হবে এবং তসলিমউদ্দিন চৌধুরীর মত আদর্শবান হতে হবে।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT