সোনারগাঁও থানার ওসি প্রত্যাহার - CTG Journal সোনারগাঁও থানার ওসি প্রত্যাহার - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
সোনারগাঁও থানার ওসি প্রত্যাহার

সোনারগাঁও থানার ওসি প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোনারগাঁওয়ে রয়্যাল রিসোর্টে এক নারী নিয়ে হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের আটক ও পরে তাকে ছিনিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ না করতে পারার অভিযোগে ওসি রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তবে অন্য এক সূত্রের দাবি, হেফাজত নেতা মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় সোনারগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন হেফাজত নেতারা। এসময় থানার ভেতরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তারা। একপর্যায়ে তারা ৭১ টেলিভিশনের নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি বুলবুল আহম্মেদের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ভেঙে ফেলেন। এসময় তারা গণমাধ্যমকর্মীদের নামে বিষোদগার করতে করতে থানার ভেতর থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে যান।

এ ঘটনার পর রবিবার রাতে ওসি রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত, ৩ এপ্রিল মামুনুল হক তার কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে রয়্যাল রিসোর্টে ৫০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। পরে স্থানীয় লোকজন হোটেল ঘেরাও করে। এ ঘটনার জের ধরে হেফাজতের নেতাকর্মীরা রয়্যাল রিসোর্টে হামলা চালিয়ে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

যদিও পুলিশ দাবি করেছে তাকে হেফাজতের স্থানীয় নেতাকর্মীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল।

এ ঘটনার জের ধরে পরবর্তী সময়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনা ঘটে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT