সহযোদ্ধার গুলিতে জনসংহতি কর্মী খুন - CTG Journal সহযোদ্ধার গুলিতে জনসংহতি কর্মী খুন - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৯:০৫ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
নতুন বছরে নতুন তরকারী হিসাবে পাহাড়ে কাঠাল খুবই প্রিয় সব্জি লিখিত পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে যা জানালো বার কাউন্সিল ঈদের আগে লকডাউন শিথিল হবে মানিকছড়ি ভিজিডি’র খাদ্যশস্য সরবরাহে বিধিভঙ্গ করায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও ওসিএলএসডি’কে শোকজ লকডাউনে মানিকছড়িতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, জরিমানা অব্যাহত চট্টগ্রামে দোকানপাট-শপিংমল খুলে দেওয়ার দাবি ব্যবসায়ীদের না.গঞ্জ মহানগর জামায়াতের আমিরসহ গ্রেফতার ৩ লকডাউন বাড়ানো হলো যে কারণে একদিনে প্রাণ গেল ১১২ জনের আগ্রাবাদ বিদ্যুৎ ভবনে ৬ চাঁদাবাজ আটক নাইক্ষ্যংছড়িতে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারনার অভিযোগে দুই যুবক আটক বান্দরবানে মারমা লিবারেশন পার্টির ২ সদস্য আটক, অস্ত্র ও কাতুর্জ উদ্ধার
সহযোদ্ধার গুলিতে জনসংহতি কর্মী খুন

সহযোদ্ধার গুলিতে জনসংহতি কর্মী খুন

বাঘাইছড়িতে নিজ দলের সহযোদ্ধার হাতে খুন হয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) কর্মী বিশ্বমিত্র চাকমা ওরফে যুদ্ধ চাকমা (৩৫)। মঙ্গলবার দিবাগত রাত (৩১ মার্চ) উপজেলার সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে পরিচিত বাবুপাড়া এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও সকালে জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ খাগড়াছড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা জানান, নিহত বিশ্বমিত্র আমাদের দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং হত্যাকারী সুজনও আমাদের কর্মী। কিন্তু সুজন গোপনে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সঙ্গে আঁতাত করেছিল, সেটা আমরা জানতাম না। গত রাতে একসঙ্গে থাকাকালে সে বিশ্বমিত্র চাকমাকে (যুদ্ধ) গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে গিয়ে সন্তু লারমার দলে যোগ দিয়েছি বলে জেনেছি। নিহত বিশ্বমিত্র চাকমা সহযোগী সংগঠন ‘যুব সমিতি’র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানান তিনি।

তবে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ত্রিদিব চাকমা জানিয়েছেন, ‘আমরা এসবের কিছুই জানি না। এটা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) অভ্যন্তরীণ বিরোধে একজন মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করি এবং মরদেহটি পোস্টমর্টেমের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এই বিষয়ে নিহতের স্বজনরা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। মামলার পর আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

এদিকে অসমর্থিত একাধিক সূত্র জানায়, নিহত বিশ্বমিত্র এবং হত্যাকারী সুজন দুজনই সংগঠনটির সশস্ত্র শাখার কর্মী এবং মঙ্গলবার রাতে একইস্থানে সশস্ত্র পাহারা দেওয়ার সময় সুজন আকস্মিকভাবে টহল দলের কমান্ডার বিশ্বমিত্র চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে এবং একাধিক ভারী অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। সূত্র জানায়, পালিয়ে গিয়ে সুজন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র শাখায় যোগ দিয়েছেন। সূত্র আরও জানায়, নিহত বিশ্বমিত্র চাকমাও একসময় সন্তু লারমার দল ছেড়ে জনসংহতি সমিতিতে (এমএনলারমা) যোগ দিয়েছিলেন। তবে দায়িত্বশীল কোনও সূত্র নিজেদের বরাতে এই তথ্যগুলো নিশ্চিত করতে রাজি হননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT