রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন - CTG Journal রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৫ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মামুনুল গ্রেপ্তারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার থানচিতে আফিমসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করোনায় আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর করোনা চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করুন: জাফরুল্লাহ হেফাজত নেতা মাওলানা আজিজুল ৭ দিনের রিমান্ডে মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাউল কালোবাজারে! নিন্মমানের পচা ও র্দুগন্ধযুক্ত সিদ্ধ চাউল বিতরণে ক্ষোভ ২১২টি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড নিয়ে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল এলোমেলো হেফাজত, এখনই ‘কর্মসূচি নয়’ ২৪ ঘণ্টায় ১০২ মৃত্যুর রেকর্ড হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব রিমান্ডে করোনা পজিটিভ হওয়ার একদিনের মধ্যেই কারাবন্দির মৃত্যু যেভাবে গ্রেফতার হলেন মামুনুল হক
রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রীকে জাতিসংঘ মহাসচিবের ফোন

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পদক্ষেপের প্রশংসা করে আবারও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্থনিও গুতেরেজ। শুক্রবার (৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর রাতে প্রধানমন্ত্রীকে ফোন করে প্রায় ২০ মিনিট কথা বলেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্থনিও গুতেরেজ। সেসময়ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, শুক্রবার জাতিসংঘ মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোন করেছেন। এসময় বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের সম্পাদিত চুক্তি বাস্তবায়নে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে জাতিসংঘ মহাসচিবকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।

প্রসঙ্গত,  ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী পাঁচ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছিলেন। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ৫ দফা প্রস্তাব হলো:

এক: কোনও শর্ত আরোপ ছাড়াই অবিলম্বে রোহিঙ্গাদের ওপর সব ধরনের সহিংসতা ও জাতিগত নিধন স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে।

দুই: জাতিসংঘ মহাসচিবের মাধ্যমে একটি অনুসন্ধানী কমিটি গঠন করতে হবে।

তিন: জাতি ও ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজিত রাখাইনের সব নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিককে সুরক্ষা দিতে হবে। এ জন্য মিয়ানমারের ভেতরে নিরাপদ এলাকা তৈরি করা যেতে পারে।

চার: বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত সব রোহিঙ্গা যেন নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে তাদের বাড়িতে ফিরতে পারে, সে ব্যবস্থা করা।

পাঁচ: রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে কফি আনান কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে।

উল্লেখ্য, ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতন শুরু হলে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শুরু করে। এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে এসেছে। এর আগে থেকে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT