মায়ের সাক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তা ছেলের কারাদণ্ড - CTG Journal মায়ের সাক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তা ছেলের কারাদণ্ড - CTG Journal

রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
এক রাতে মিললো ১২ কোটি টাকার ইয়াবা ‘ওয়াজ-মাহফিলের নামে জাতিকে ঈমানহারা করছেন তাহেরী’ মানিকছড়িতে দুগ্ধগাভী পেলেন অভিভাবকহীন শিশু-কিশোর পরিবার নিবন্ধন ৪৯ লাখ, টিকা নিয়েছেন ৩৬ লাখের বেশি মানুষ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে ভারত ‘খুশি’ এক বা দুই ডোজ যা-ই হোক, সহজলভ্য ভ্যাকসিন গ্রহণের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ফেনীতে একটি ভবনে বিস্ফোরণে মা ও দুই মেয়ে দগ্ধ বেরোবি’র বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়েছে: ইউজিসি রোজার আগেই ‘মাঠে নামবে’ গণফোরাম করোনাভাইরাস: দেশে আরও ১০ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৪০ সংশোধন নয়, ২৬ মার্চের আগেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন: জাফরুল্লাহ চৌধুরী চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত আরও ৯২ জন
মায়ের সাক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তা ছেলের কারাদণ্ড

মায়ের সাক্ষ্যে পুলিশ কর্মকর্তা ছেলের কারাদণ্ড

যৌতুকের মামলায় আজম মাহমুদ নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজমের বিরুদ্ধে তার মা ফিরোজা বেগম আদলতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) যশোর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যাল-২ এর বিচারক নিলুফার শিরিন এ রায় দেন। রায় ঘোষণা শেষে বিচারক দণ্ডিত আজম মাহমুদকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালতের পিপি মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এসআই আজম মাহমুদ মামলার কারণে সাময়িক বরখাস্ত হয়ে সর্বশেষ কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি যশোরের মনিরামপুর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের বজলুর রশিদের ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০০ সালে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার একরাম আলীর মেয়ে রাবেয়া আক্তারকে বিয়ে করেন আজম মাহমুদ। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন শুরু করেন আজম। পুলিশের এএসআই পদে পদোন্নতি পাওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা যৌতুক হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে এসআই পদে পদোন্নতির জন্য ফের ৫ লাখ টাকা যৌতুক নেন। এরপরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি। আজম চাকরির সুবাদে বিভিন্ন জেলায় কর্মরত থাকলেও স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে যেতেন না। সর্বশেষ আজম ২০১৮ সালে সাতক্ষীরার কলারোয়া থানায় চাকরিকালে জান্নাতুল নামে এক নারীকে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে আপত্তি তোলায় ফের নির্যাতন শুরু হয় রাবেয়ার ওপর।

সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৭ জুন দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে গোলযোগ হওয়ায় তিনি রাবেয়াকে বেধড়ক মারপিট করেন। ওই সময় সাফ জানিয়ে দেন ৫ লাখ টাকা এনে না দিলে তাকে নিয়ে সংসার করবেন না। এমনকি বাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয় রাবেয়াকে। এ কারণে রাবেয়া আক্তার স্বামী, শ্বশুরসহ ৬ জনকে আসামি করে ২০১৯ সালের ১১ জুলাই নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালে যৌতুকের মামলা করেন। পরে আদালত আজম মাহমুদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরু করেন।

 পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল জানান, এ মামলায় আজম মাহমুদের বিরুদ্ধে তার গর্ভধারিণী ফিরোজা বেগম সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি আদালতে পুত্রবধূর ওপর গা শিউরে ওঠা নির্যাতনের বর্ণনা দেন। দীর্ঘশুনানি শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আজম মাহমুদকে বিচারক তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT