মানুষ চায় সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী: আইজিপি - CTG Journal মানুষ চায় সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী: আইজিপি - CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ১২:২২ পূর্বাহ্ন

        English
মানুষ চায় সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী: আইজিপি

মানুষ চায় সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী: আইজিপি

থানাকে সর্বোচ্চ আস্থার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ। তিনি বলেন, কনস্টেবল থেকে শুরু করে আইজি পর্যন্ত সবার ভূমিকা ও একই মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। কারণ মানুষ চায় সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

পুলিশ প্রধান বলেন, আমরা সবাই মিলে দুর্নীতির মতো সর্বশেষ কলঙ্কচিহ্ন পায়ের নিচে ধুয়ে-মুছে ফেলতে চাই। দুর্নীতি আর পুলিশ এক সঙ্গে চলতে ও উচ্চারিত হতে পারে না, এমন একটি সংগঠন হিসেবে আমরা পুলিশকে গড়ে তুলতে চাই। পুলিশ থেকে দুর্নীতিকে আমরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করতে চাই।

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন।

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পেছনে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, রয়েছে পুলিশের তাজা রক্ত। পুলিশের যারা কাজ করেন, তারা এই দেশের মানুষ, সমাজের মানুষ। সেজন্য আমাদের হতে হবে দেশের মানুষের কাছেরই একজন। সেই আস্থা আর বিশ্বাসের জায়গাটা আমাদের লালন করতে হবে।

বেনজীর আহমেদ বলেন, পুলিশের মধ্যে যদি কোনও আভ্যন্তরীণ দুর্নীতি থাকে, তা ঝেড়ে ফেলে সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী গড়ে তুলতে হবে। কারণ মানুষ চায় একটি সৎ, স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী। আমি মনে করি, প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনী যে অবস্থানে পৌঁছেছে, সেখান থেকে নৈতিক, সৎ, নিষ্ঠাবান, পেশাদার ও পরিশ্রমী সদস্যদের দিয়ে সৎ ও স্বচ্ছ পুলিশ বাহিনী গড়া তোলা সম্ভব।

পুলিশ প্রধান বলেন, পুলিশকে মানুষের সঙ্গে মানবিক হতে হবে। আমরা হতে চাই মানুষের খুব কাছেরই একজন। দেশের মানুষ যখনই কোনও সমস্যায় পড়েছেন, দৌড়ে পুলিশের কাছে যান। সেই আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গাটাকে আমাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে লালন ও পোষণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সব বড় ক্রান্তিকালে দেশাত্মবোধ নিয়ে সামনে থেকে কাজ করেছে পুলিশ। এই করোনাকালেও ৮৫ সদস্য জীবন দিয়েছেন। ২১ হাজার সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি সদস্য ডিএমপির। মহামারি পরিস্থিতিতেও সারাদেশে মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ সেবার মানসিকতা নিয়ে পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজ করেছে, সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করে ফ্রন্টলাইনার খ্যাতি কুড়িয়েছে।

তবে পুলিশের প্রশংসা কুড়ানো বা আত্মতুষ্টির কোনও সুযোগ নেই। কারণ নাগরিকের সঙ্গে পুলিশের পার্টনারশিপ গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন বলেন, ঢাকা শহরের ইতিহাস ৪শ’ বছরের ইতিহাস। এই শহরে দুই কোটি মানুষ বসবাস করছে। প্রতিদিন নিত্য নতুন অপরাধ সংঘটিত হয়, কিন্তু ত্রিশ হাজারের বেশি বা কম সংখ্যক পুলিশ সদস্য তাদেরকে গ্রেফতার করছে। অপরাধ করে কেউ পার পাচ্ছেন না বলে দাবি করেন তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT