মাদক বহনে নতুন কৌশল পাচারকারীদের, ধরাও পড়ছে - CTG Journal মাদক বহনে নতুন কৌশল পাচারকারীদের, ধরাও পড়ছে - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪৪ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মামুনুল গ্রেপ্তারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার থানচিতে আফিমসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করোনায় আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর করোনা চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করুন: জাফরুল্লাহ হেফাজত নেতা মাওলানা আজিজুল ৭ দিনের রিমান্ডে মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাউল কালোবাজারে! নিন্মমানের পচা ও র্দুগন্ধযুক্ত সিদ্ধ চাউল বিতরণে ক্ষোভ ২১২টি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড নিয়ে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল এলোমেলো হেফাজত, এখনই ‘কর্মসূচি নয়’ ২৪ ঘণ্টায় ১০২ মৃত্যুর রেকর্ড হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব রিমান্ডে করোনা পজিটিভ হওয়ার একদিনের মধ্যেই কারাবন্দির মৃত্যু যেভাবে গ্রেফতার হলেন মামুনুল হক
মাদক বহনে নতুন কৌশল পাচারকারীদের, ধরাও পড়ছে

মাদক বহনে নতুন কৌশল পাচারকারীদের, ধরাও পড়ছে

গাড়ির ফুয়েল ট্যাংক থেকে সবজিভর্তি পিকআপ, কিছুই বাদ দিচ্ছে না মাদক কারবারিরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে প্রতিনিয়ত কৌশল বদলালেও জব্দ হচ্ছে বড় বড় চালান।

চোরাকারবারিরা অভিনব সব কায়দায় রাজধানীসহ সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছে মাদক। প্রাইভেটকারের মবিলের চেম্বারে প্লাস্টিকের প্যাকেটে পুরে রাখা হচ্ছে ইয়াবা। সাইলেন্সার কেটে গুঁজে রাখা হচ্ছে গাঁজার প্যাকেট। কাঁচামালের সঙ্গেও ইদানীং রাজধানীতে আসছে মাদকের চালান। কাভার্ড ভ্যানের ভেতর আলাদা চেম্বারও বানিয়েছে অনেকে। যা নিয়ন্ত্রণ করা যায় চালকের সামনে থাকা বিশেষ সুইচের মাধ্যমে।

প্রতিটি চালান ডেলিভারিতে চালক ও হেলপার গড়পড়তায় ১৫-২০ হাজার টাকা করে পাচ্ছে বলেও জানা গেছে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি চালান আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে এ সব জানিয়েছে গ্রেফতারকৃতরা। তল্লাশি এড়াতে এ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে নারীরাও।

পুলিশ বলছে, যারা ধরা পড়ছে তারা মূলত বহনকারী। মূল ব্যবসায়ীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তাই মাদক আইন আরও কঠোর করার পরামর্শ পুলিশের।

করোনার এ সময় রাজধানীতে বেড়েছে গাঁজার সরবরাহ। পুলিশ ছাড়াও, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন উদ্ধার করছে গাঁজা ও ইয়াবা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, রাজধানীতে বেশি বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা ও গাঁজা। এরপরই আছে ফেনসিডিল। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা বিভাগ) একেএম হাফিজ আক্তার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ইতোমধ্যে একাধিক মাদকচক্র শনাক্ত করে অভিযান চালানো হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে নজরদারী।

তিনি বলেন, চোরাকারবারিরা নিজেদের যতই ধুরন্ধর মনে করুক, গোয়েন্দারা কিন্তু ঠিকই তথ্য পাচ্ছে। অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারও করে যাচ্ছি। তারা কীভাবে, কার কাছ থেকে মাদক সংগ্রহ করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, সে সব তথ্যও পাচ্ছি আমরা।

র‌্যাব ৩-এর সহকারী পরিচালক সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, সম্প্রতি রাজধানীতে গাঁজা, ফেনসিডিল ও ইয়াবা জব্দ হচ্ছে বেশি। গ্রেফতারও করা হচ্ছে অনেককে।

চাহিদার কারণেই এখন সরবরাহ বেড়েছে উল্লেখ করে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মাদক থেকে তরুণ সমাজকে দূরে রাখতে প্রথমত সামাজিক দায়বদ্ধতা বাড়াতে হবে। মাদকের রুট প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছে। করোনাকালীন সময়ে (২০২০) তার আগের বছরের চেয়ে অন্তত ২০ ভাগ বেশি মাদক উদ্ধার হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আহসানুল জব্বার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অধিদফতরও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। বিদেশি মদ আমদানি এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবে কম হচ্ছে।

অনেকে বাসায় বেকার বসে থাকায় মাদক বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আহসানুল জব্বার বলেন, করোনার এই সময়ে মানুষের মধ্যে মাদক গ্রহণের প্রবণতা একটু বেড়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT