ভারতে একদিনে রেকর্ড ৩ হাজার ৬৮৯ জনের মৃত্যু - CTG Journal ভারতে একদিনে রেকর্ড ৩ হাজার ৬৮৯ জনের মৃত্যু - CTG Journal

মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
দিনে সাইকেল চুরি, রাতে ইয়াবা বিক্রি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিন পরামর্শ ১৯ দিনে জামিনে মুক্ত ৩৩ হাজার কারাবন্দি ফেসবুক কি শুনতে পায়, কীভাবে নজরদারি করে? পানছড়িতে ভেস্তে যাচ্ছে এলজিইডি’র ১ কোটি ৬২ লাখ টাকার তীর রক্ষা প্রকল্প: মরে যাচ্ছে ঘাস, তীরে ধরেছে ফাটল খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা নিয়ে নতুন হিসাব-নিকাশ চীনা রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যে বিস্মিত কূটনীতিকরা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় কাপ্তাইয়ে বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল চৈতন্য গলির জুয়ার আস্তানায় পুলিশের হানা, আটক ১৪ সীমান্ত এলাকায় ব্যাপকহারে করোনা টেস্টের নির্দেশ রাউজানে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার বাংলাদেশ থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা
ভারতে একদিনে রেকর্ড ৩ হাজার ৬৮৯ জনের মৃত্যু

ভারতে একদিনে রেকর্ড ৩ হাজার ৬৮৯ জনের মৃত্যু

ভারতে টানা চতুর্থ দিনের মতো করোনায় মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ কিছুটা কমলেও মৃতের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে।

রবিবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে তিন লাখ ৯২ হাজার ৪৮৮ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো এক কোটি ৯৫ লাখ ৫৭ হাজার ৪৫৭।

দৈনিক আক্রান্ত চার লাখের নিচে এদিন রেকর্ড সংখ্যক ৩ হাজার ৬৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো দুই লাখ ১৫ হাজার ৫৪২।

করোনার প্রথম ঢেউয়ের মতোই দ্বিতীয় ঢেউয়েও সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন মহারাষ্ট্রে। শনিবারের মতো রবিবারও সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৩ হাজারের বেশি। তবে কর্নাটক ও কেরলে রবিবার আক্রান্তের সংখ্যা শনিবারের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কর্নাটক ও কেরলে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৪০ হাজার ৯৯০ এবং ৩৫ হাজার ৬৩৬। উত্তরপ্রদেশেও গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছে ৩০ হাজার ১৮০ জন। দিল্লিতে ২৫ হাজার ২১৯ জন। এর পর ক্রমান্বয়ে রয়েছে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ, রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, বিহার, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশা। এই রাজ্যেগুলিতে দৈনিক শনাক্তের সংখ্যা ১০ থেকে ২০ হাজারের মধ্যে।

দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির জেরে বেড়েছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে স্বাস্থ্য পরিষেবাতে তৈরি হয়েছে বিপুল চাহিদা। বেডের পাশাপাশি অক্সিজেনের অভাবও প্রকট।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে ভারতের রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করেছে। সেখানে এমনকি বিভিন্ন শ্মশানের বাইরে রাস্তায় টোকেন নিয়ে মরদেহের দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। ২০ ঘণ্টা কেটে যাচ্ছে আগুন পেতে। লাশ ছিঁড়ছে কুকুর। শ্মশানের দরজায় দরজায় ঘুরে জায়গা না পেয়ে স্রেফ বরফ চাপা দিয়ে ৪৮ ঘন্টাও বাড়িতে শব রেখে দিচ্ছে স্বজনেরা। কুকুরের মৃতদেহ পুঁতে ফেলার জায়গা ব্যবহার করা হচ্ছে মানুষকে দাহ করার জন্য।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT