বেনাপোলে ছাগলের মুল্য দেড় লাখ টাকা - CTG Journal বেনাপোলে ছাগলের মুল্য দেড় লাখ টাকা - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
মামুনুল গ্রেপ্তারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের নিরাপত্তা জোরদার থানচিতে আফিমসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক করোনায় আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর করোনা চিকিৎসায় ভ্রাম্যমাণ মেডিক্যাল টিম গঠন করুন: জাফরুল্লাহ হেফাজত নেতা মাওলানা আজিজুল ৭ দিনের রিমান্ডে মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাউল কালোবাজারে! নিন্মমানের পচা ও র্দুগন্ধযুক্ত সিদ্ধ চাউল বিতরণে ক্ষোভ ২১২টি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড নিয়ে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল এলোমেলো হেফাজত, এখনই ‘কর্মসূচি নয়’ ২৪ ঘণ্টায় ১০২ মৃত্যুর রেকর্ড হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব রিমান্ডে করোনা পজিটিভ হওয়ার একদিনের মধ্যেই কারাবন্দির মৃত্যু যেভাবে গ্রেফতার হলেন মামুনুল হক
বেনাপোলে ছাগলের মুল্য দেড় লাখ টাকা

বেনাপোলে ছাগলের মুল্য দেড় লাখ টাকা

মোঃ জামাল হোসেন, বেনাপোল || একটি ছাগলের মূল্য কত হতে পারে। কালামের বড় ছাগলটির দাম দেড় লাখ টাকা। আর প্রকার ভেদে অন্যান্য ছাগলের দাম ৮০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। বাড়িতে গড়ে তুলেছেন প্রজনন ছাগলের ফার্ম। প্রজনন ছাগল পালন করে প্রতিদিন আয় হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। তার বাড়িতে প্রজনন কাজে রয়েছে আটটি দেশী বিদেশী জাতের প্রজনন ছাগল।

এমন একটি পরিবারের সন্ধান মিলেছে বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর রেল লাইন এর বস্তিতে। শনিবার দুপুরে সরেজমিনে আবুল কালামের বস্তিতে গিয়ে দেখা যায় আটটি ছাগলের তদারকি করছে সে এবং তার পরিবার।

আবুল কালাম জানান, বেনাপোল পোর্ট থানা ও শার্শা এলাকায় যারা ছাগল পালন করে তারা ছাগলের প্রজননের সময় হলে আমার এখানে নিয়ে আসেন। কারন আমার এখানে সব থেকে বড় জাতের প্রজনন ছাগল রয়েছে। আমি ভারত থেকে তোতা জাতের ছাগলটি ভারতীয় ৮০ হাজার রুপীতে কিনে এনেছি। বর্তমানে ছাগলটির মুল্য প্রায় দেড় লাখ টাকা। ৩০ বছর যাবত এ ব্যবসা করছি। তার পরিবারের ১২ সদস্যর ভরন পোষন চিকিৎসাসহ অন্যান্য খরচ এই ছাগল থেকে আয় হয়। বড় ছাগলটির প্রজনন ফি ৫ থেকে ৭ শ’ টাকা। আর অন্যান্য ছাগলের প্রজনন ফি ৩ থেকে ৫ শত টাকা নিয়ে থাকি।
তিনি জানান, সকাল থেকে ছাগলের পিছনে তার সময় কাটে। ছাগলের খাবার দেওয়া, সপ্তাহে একদিন গোছলসহ প্রজনন কাজে তাকে এ সময় ব্যয় করতে হয়। তবে তার সাথে তার পরিবারের সদস্যরাও তাকে সময় দিয়ে থাকে। ছাগলগুলো খুব দুর্দান্ত। তাদের ঠেকাতে সব সময় শক্তি প্রয়োগ করতে হয়। ঘর থেকে বের করতে খুব শক্তি প্রয়োগ করা লাগে। দুইজন মিলে একটি ছাগলকে ঠেকিয়ে রাখা খুব কষ্ট। প্রতিদিন আটটি ছাগলের পিছনে এক থেকে দেড় হাজার টাকা খাবারের পিছনে ব্যয় হয়। ছাগলের শরীর খারাপ হলে স্থানীয় পশু ডাক্তারের কাছ থেকে ওষুধ কিনে এনে খাওয়ানো হয়ে থাকে।
এলাকার লোকজন জানান, আবুল কালামের প্রজনন ফার্ম থেকে ছোট ছাগলের প্রজনন দিয়ে বড় বড় বাচ্চা পাওয়া গেছে। যদিও ওই ফার্মের ছাগলের মত অত বড় হয় না। তবে দেশী ছোট জাতের ছাগলের থেকে অনেক বড় ছাগলের বাচ্চা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT