বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর করেছে চীন - CTG Journal বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর করেছে চীন - CTG Journal

রবিবার, ০৭ মার্চ ২০২১, ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
এক রাতে মিললো ১২ কোটি টাকার ইয়াবা ‘ওয়াজ-মাহফিলের নামে জাতিকে ঈমানহারা করছেন তাহেরী’ মানিকছড়িতে দুগ্ধগাভী পেলেন অভিভাবকহীন শিশু-কিশোর পরিবার নিবন্ধন ৪৯ লাখ, টিকা নিয়েছেন ৩৬ লাখের বেশি মানুষ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণে ভারত ‘খুশি’ এক বা দুই ডোজ যা-ই হোক, সহজলভ্য ভ্যাকসিন গ্রহণের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের ফেনীতে একটি ভবনে বিস্ফোরণে মা ও দুই মেয়ে দগ্ধ বেরোবি’র বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পে প্রভাবমুক্ত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হয়েছে: ইউজিসি রোজার আগেই ‘মাঠে নামবে’ গণফোরাম করোনাভাইরাস: দেশে আরও ১০ মৃত্যু, শনাক্ত ৫৪০ সংশোধন নয়, ২৬ মার্চের আগেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করুন: জাফরুল্লাহ চৌধুরী চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত আরও ৯২ জন
বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর করেছে চীন

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার হস্তান্তর করেছে চীন

করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবছর উপযুক্ত সময়েই বাণিজ্য মেলা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী। তিনি বলেন, বাণিজ্য মেলার মেয়াদ এক মাসের কম হবে না। নতুন এক্সিবিশন সেন্টারে চলতি বছর এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য মেলাসহ সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের এক্সিবিশন হবে।

রবিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্য সচিব জাফর উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এক্সিবিশন সেন্টারটি আনুষ্ঠানিকভাবে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী। চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং ভার্চুয়ালি এক্সিবিশন সেন্টারটি হস্তান্তর করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চীনের আর্থিক সহায়তায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর মালিকানায় পূর্বাচলে চীনা স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন কর্তৃক এক্সিবিশন সেন্টার বাংলাদেশের সামগ্রিক বাণিজ্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশি- বিদেশি পণ্য উৎপাদনকারী ও ক্রেতাদের বাংলাদেশে আন্তর্জাতিকমানের একটি কমন প্ল্যাটফরমে নিয়মিত ও সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

পূর্বাচলে ২০ একর জমির ওপর নির্মিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণকাজ শুরু ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর। কাজ শেষ হয় ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর। সেন্টারে মোট ফ্লোর স্পেস ৩৩ হাজার বর্গমিটার। সেন্টারটিতে গাড়ি পার্কিয়ের ৭ হাজার ৯১২ বর্গ মিটার জায়গা রাখা হয়েছে।

এক্সিবিশন হলে মোট স্টল/ বুথ সংখ্যা হলো ৮০০টি। প্রতিটি বুথের আয়তন ৯.৬৭ বর্গমিটার। অন্যান্য সুবিধা ও অবকাঠামোর মধ্যে ৪৭৩ আসন বিশিষ্ট একটি মাল্টি ফাংশনাল হল৷ ৫০ আসন বিশিষ্ট এাটি কনফারেন্স রুম, ৬ টি নেগোশিয়েশন/ মিটিং রুম, নামাজের কক্ষ, ২ টি অফিস রুম,  মেডিক্যাল রুম, ডরমিটরি/ গেস্ট রুম, ১৩ টি টয়লেট, বিল্ট ইন পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, নিজস্ব ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট, স্টোর রুম, সিএটিভি কন্টোল রুম, অটোমেটেড সেন্ট্রাল এসি সিস্টেম, ইনবিল্ট ইন্টারনেট/ ওয়াইফাই, আধুনিক অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, আলাদা নেজিস্টেশন হল, আধুনিক ফোয়ারা, ইন ববল্ট পতাকা স্ট্যান্ড, রিমোট কন্টোল্ড / ইলেকট্রনিক প্রবেশ গেইট ইত্যাদি। এতে মোট ব্যয় হয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। এরমধ্যে চীনা অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, বাংলাদেশ সরকার ২৩১ কোটি টাকা এবং ইপিবির নিজস্ব তহবিল থেকে ২১ কোটি ২৭ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT