প্রশ্নপত্র জালিয়াত চক্র: জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ৭ - CTG Journal প্রশ্নপত্র জালিয়াত চক্র: জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ৭ - CTG Journal

মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
অবৈধ বাংলাদেশিদের চাকরির বিষয়ে বিবেচনা করছে সৌদি আরব শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি দেবে সরকার, আবেদনের নির্দেশ ঢাবিতে ভর্তির আবেদনপত্র জমা শুরু, পরীক্ষা ২১ মে থেকে ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির শিকার নারীর ছবি ও পরিচয় প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চট্টগ্রামে হত্যা মামলায় ৯ জনের ফাঁসি অদম্য মনোবল ও ইচ্ছা শক্তিতে ওরা আজ মানিকছড়ি’র সফল নারী উদ্যোক্তা ঢাকায় পরিকল্পনা করে জেলায় জেলায় সংঘবদ্ধ চুরি বায়েজিদে ইমন হত্যায় ৬ জন আটক রামগড়ে পরিকল্পিত পরিবার গঠন বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত গুমোট গরম, শিলাবৃষ্টির শঙ্কা অধিকারটা আদায় করে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মহামারির এক বছর: প্রাণ গেল ৮ হাজার ৪৭৬ জনের
প্রশ্নপত্র জালিয়াত চক্র: জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ৭

প্রশ্নপত্র জালিয়াত চক্র: জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ গ্রেফতার ৭

বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও সরকারি ব্যাংকে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সমাধানসহ পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত  চক্রের সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসারসহ সাইফুরস কোচিংয়ের ইংরেজি বিষয়ের একজন শিক্ষকও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে সিআইডির সদর দফতরে আয়োজিত  সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান এ তথ্য জানান।

প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার ব্যক্তিরা  হলেন— জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার মো. রকিবুল হাসান (২৫), সাইফুরসের ইংরেজি শিক্ষক রাশেদুজ্জামান সজীব (৩৬), হাছান মাহমুদ (২২),  মানিক কুমার প্রামাণিক (৩৮), মো. শফিকুল ইসলাম (৩০),রিপন কুমার (২৬) ও নাফিউল ইসলাম তাহসিন (১৮)।

অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান বলেন, ‘পরীক্ষায় জালিয়াতি করা চক্রের সদস্যরা তিনটি ধাপে কাজ করতো। প্রথমে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের খুঁজে বের করে। দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধানের জন্য ভালো মানের ছাত্রদের খুঁজতো। আর তৃতীয়ত, যে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী থাকবে, সে কেন্দ্রকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণে রাখতো।’

তিনি বলেন, ‘তাদের কাছ থেকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই চক্রটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরির নিয়োগ পরীক্ষার অনেক আগে থেকেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের সাসঙ্গে যোগাযোগ করতো। তাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করতো। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে তারা পরীক্ষার প্রশ্ন ডিজিটাল ডিভাইসের সহায়তায়  কেন্দ্রের  বাইরে বের করে নিয়ে আসতো। পরে  সেই প্রশ্নপত্র দ্রুত সময়ের মধ্যে সমাধান করে আবারও পরীক্ষার্থীদের কাছে পাঠাতো।’

সিআইডির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক’ ইউনিটটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে নাফিউল ইসলাম তাহসিনকে মোবাইলসহ গ্রেফতার করা হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে তেজগাঁ থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করে। তথ্য পর্যালোচনা ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হাসান মাহমুদ ও সাইফুরসের ইংরেজি শিক্ষক রাশেদুজ্জামান সজীবকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার রকিবুল হাসানকে গ্রেফতার করা হয়। সর্বোপরি রকিবুল হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মানিক কুমার প্রমাণিক, শাফিকুল ইসলাম ও  রিপন কুমারকে বুধবার গ্রেফতার করা হয়।’

রকিবুল হাসান সম্পর্কে  অতিরিক্ত ডিআইজি কামরুল আহসান  বলেন, ‘ভর্তি ও সরকারি ব্যাংকের চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে বিলাসী জীবন যাপন করছেন  এই ব্যাংক কর্মকর্তা। নামে-বেনামে তার আছে অবৈধ সম্পদ।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT