প্রশিক্ষণ নীতিমালা করছে নির্বাচন কমিশন - CTG Journal প্রশিক্ষণ নীতিমালা করছে নির্বাচন কমিশন - CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
ফেসবুকে নেতিবাচক মন্তব্য, ১০ শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাজেটে নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিশেষ সহায়তার প্রস্তাব ডিসিসিআই ও বিসিআইয়ের শিশু অপরাধীর সর্বোচ্চ সাজা ১০ বছর: হাইকোর্ট প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী মানিকছড়িতে ইউসিসিএ লি. চেয়ারম্যানকে বিদায় ও বরণ করে নিলেন উপজেলা পরিষদ টিকা নিয়েছেন ৩৫ লাখ ৮১ হাজার মানুষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালুর প্রাকপ্রস্তুতি জানতে চেয়েছে সরকার যেসব ইউনিয়নে ১১ এপ্রিল ভোট কলিমুল্লাহ’র বক্তব্য রুচি বিবর্জিত: শিক্ষা মন্ত্রণালয় করোনার টিকা নিলেন প্রধানমন্ত্রী কারাগারে কয়েদিকে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা, পিবিআই’কে তদন্তের নির্দেশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মিললো তিন কোটি টাকার ‘আইস’
প্রশিক্ষণ নীতিমালা করছে নির্বাচন কমিশন

প্রশিক্ষণ নীতিমালা করছে নির্বাচন কমিশন

নির্বাচনী প্রশিক্ষণে বক্তৃতা দিয়ে ভাতা গ্রহণ নিয়ে অডিট আপত্তি উঠার পর প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা তৈরি করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে একটি নীতিমালার খসড়া তৈরি করেছে ইসি সচিবালয়। এতে যেসব পদের সম্মানী নিয়ে অডিট আপত্তি উঠেছে, সেগুলোও রাখা হয়েছে। ইসির আগামী বৈঠকে তা অনুমোদনের জন্য তোলা হতে পারে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের আগে বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয় ইসি। তখন প্রশিক্ষক হিসেবে ‘বিশেষ বক্তা’, ‘কোর্স উপদেষ্টা’সহ কয়েকটি পদ তৈরি করে সারা দেশে তিন কোটি টাকার বেশি সম্মাননি ভাতা দিয়েছিল ইসি। তবে স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদফতর কয়েকটি খাতের সম্মানি ভাতার ওপর অডিট আপত্তি দিয়েছে। সরকারের অডিট বিভাগ বলেছে নির্বাচনী প্রশিক্ষণের জন্য কোর্স উপদেষ্টা, বিশেষ বক্তাসহ ইসির তৈরি করা কয়েকটি পদ অর্থ মন্ত্রণালয় অনুমোদিত নয়। সব মিলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের নিরীক্ষায় প্রশিক্ষকদের পেছনে ৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয় করা নিয়ে আপত্তি আসে।

বিশেষ বক্তার তালিকায় ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, চার নির্বাচন কমিশনার, ইসির তৎকালীন সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবেরা। এছাড়া ‘সুপারভাইজিং’ প্রশিক্ষক পদে ছিলেন তৎকালীন ইসির উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সব জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এ ছাড়া কোর্স মনিটরিং অফিসার, সহকারী কোর্স সমন্বয়ক, আঞ্চলিক কোর্স সমন্বয়ক, অতিরিক্ত আঞ্চলিক কোর্স সমন্বয়ক, জেলা কোর্স সমন্বয়ক ও অতিরিক্ত জেলা কোর্স সমন্বয়ক নামেও পদ ছিল। তবে এসব পদ নিয়ে ইসি বা নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কোনও নীতিমালা ছিল না। কমিশন সভায় অনুমোদন সাপেক্ষে ওইসব পদ সৃষ্টি করে সম্মানি দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে অডিট আপত্তি উঠে। যা এখনও নিস্পত্তি হয়নি।

ইসি সূত্র জানায়, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের আপত্তি তোলার সুযোগ না থাকে সে কারণেই মূলত এই নীতিমালা করা হচ্ছে। কমিশন নীতিমালাটি অনুমোদন করলে পরে তা অর্থ মন্ত্রণালয় থেকেও অনুমোদন নেওয়া হবে। এটি সম্ভব ভবিষ্যতে আর অডিট আপত্তি দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এর আগে গত জানুয়ারিতে ইসির বৈঠকে এই নীতিমালার একটি খসড়া তোলা হয়েছিল। তবে তা আরও যাচাই বাছাই করে পরবর্তীতকালে উপস্থাপন করতে বলা হয়। তার আলোকে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। সামনে কমিশনের অনুমোদনের জন্য তা কমিশন সভায় উপস্থাপন করা হবে। এই নীতিমালার অধীনে জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনসহ মোট ৫ ধরনের প্রশিক্ষণ দেবে ইসি।

খসড়া নীতিমালায় প্রশিক্ষক পদের বাইরে রিসোর্স পার্সন ও বক্তার যেসব পদ রাখা হয়েছে তার মধ্যে আছে—বিশেষ বক্তা, সম্প্রসারিত বক্তা, অতিথি বক্তা ও সুপারভাইজিং প্রশিক্ষক। সম্প্রসারণ বক্তা হবেন বর্তমান ও সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনারেরা। মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষণে বিশেষ বক্তা হিসেবে থাকবেন সিইসি ও কমিশনারেরা। আর অতিথি বক্তা হিসেবে থাকবেন অতিরিক্ত সচিব থেকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তারা।  সম্প্রসারণ বক্তা ও বিশেষ বক্তার সম্মানি ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি দেড় ঘণ্টার জন্য সাড়ে সাত হাজার টাকা।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনায় ৮টি পদ রাখা হয়েছে। সেগুলো হলো—কোর্স উপদেষ্টা, কোর্স পরিচালক, সুপারভাইজিং প্রশিক্ষক, কোর্স সমন্বয়ক, সহকারী কোর্স সমন্বয়ক, মনিটরিং কর্মকর্তা, মূল্যায়ণ কর্মকর্তা এবং সাপোর্ট স্টাফ। ইসি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা এসব পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT