পিআইও অফিসে ঢুকে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা - CTG Journal পিআইও অফিসে ঢুকে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
পিআইও অফিসে ঢুকে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পিআইও অফিসে ঢুকে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিস রুমে ঢুকে গুলি করে এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ব্যক্তির নাম সমর বিজয় চাকমা (৩৮)। তিনি উপজেলার রূপকারি ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরনবী সরকার জানিয়েছেন, ‘ইউপি সদস্য সমর বিজয় চাকমা আমার সঙ্গে প্রকল্পের বিষয়ে কথা বলছিলেন। এসময় দুই-তিন জন ব্যক্তি দরজার বাইরে উঁকি দিচ্ছিলো। পরে একজন রুমে প্রবেশ করে সমর বিজয়ের দিকে অস্ত্র ঠেকিয়ে গুলি করে এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।’

বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় অবস্থিত। এই কার্যালয়ের তিনটি রুম পরেই একটি কক্ষে অফিস করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরিফুল ইসলাম। তিনি জানান, ‘প্রকল্পের বিষয়ে কথা বলতে ইউপি সদস্য উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে এসেছিলেন। কিন্তু দুই জন মোটরসাইকেল আরোহী এসে তাকে অফিসেই গুলি করে হত্যা করে চলে যায়।’

এদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা জানান, নিহত সমর বিজয় চাকমা তাদের সহযোগী সংগঠন যুব সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের জন্য সন্তু লারমা সমর্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র ক্যাডারদের দায়ী করেছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

তবে এই বিষয়ে কথা বলার জন্য সন্তু লারমা সমর্থিক জনসংহতি সমিতির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বাঘাইছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি এবং ইউপি সদস্যকে গুলিবিদ্ধ ও মৃত অবসস্থায় চেয়ারেই পড়ে থাকতে দেখি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT