মঙ্গলবার, ০৫ Jul ২০২২, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
পর্যাপ্ত স্যানিটেশন নেই, দূষিত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশঙ্কা

পর্যাপ্ত স্যানিটেশন নেই, দূষিত হচ্ছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প, বিভিন্ন রোগ হওয়ার আশঙ্কা

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো দিন দিন দূষিত হয়ে পড়ছে। পর্যাপ্ত স্যানিটেশন ও পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও ক্যাম্পের অধিকাংশ এলাকায় বিশুদ্ধ পানির অভাব, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা, নালা নর্দমা অপরিষ্কারসহ নানা কারণে রোগ বালাই বাড়ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোহিঙ্গারা।

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ১২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নতুন পুরনো মিলিয়ে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। সরকার মানবিক কারণে এসব রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রতিটি ক্যাম্পে অস্থায়ী বাসস্থান, খাবার, চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন ও পানির ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু অল্প জায়গায় এত বেশি মানুষের বসবাস এবং অপরিকল্পিত কার্যক্রমের ফলে দূষিত হয়ে উঠছে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ক্যাম্পের বেশির ভাগ জায়গায় নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধ। অপরিকল্পিত স্যানিটেশন এবং পানি নিষ্কাশনের সু-ব্যবস্থা না থাকায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। এতে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি বাড়ছে রোগ বালাই।

উখিয়ার ১নং বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-ব্লকে বসবাসকারী রোহিঙ্গা আমান উল্লাহ জানান, বাসার সামনে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ। গৃহস্থালি কাজে ব্যবহৃত নোংরা পানি চলাচল করতে না পারায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। নাকে রুমাল দিয়েও চলাচল করা দায়।

উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সুফিয়া খাতুন ও আব্দুল মালেক বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অধিকাংশ এলাকায় পর্যাপ্ত পরিমাণ স্যানিটেশন ব্যবস্থা না থাকায় সবখানে এখন দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। টয়লেটগুলো ইতোমধ্যে ভরাট হয়ে ফেটে গেছে। এ কারণে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে।

উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে। একসঙ্গে এত বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ বিভিন্ন এনজিও কাজ করছে। আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত এই সমস্যা কেটে যাবে।’

কক্সবাজার সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন, ‘অপরিকল্পিত স্যানিটেশন ও পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তা দ্রুত সমাধান হতে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে পাঁচ লাখ রোহিঙ্গাকে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে।’ তবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য রোহিঙ্গাদের সচেতনতার অভাবকেও দায়ী করেছেন এই কর্মকর্তা।

কক্সবাজার সমাজসেবা অধিদফতরের কর্মকর্তা মো. এমরান খান জানান, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন এবং পানির জন্য সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি শিশুদের সুষ্ঠু পরিবেশ দিতে কাজ করছে সমাজসেবা অধিদফতর।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT