বৃহস্পতিবার, ১২ মে ২০২২, ০৬:১৭ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
পরীমণির মুক্তি চেয়ে প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ

পরীমণির মুক্তি চেয়ে প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ

পরীমণির মুক্তির দাবিতে গণ জমায়েত হয়েছে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে।

শনিবার (১৪ আগস্ট) বিকালে ‌‘বিক্ষুব্ধ নাগরিকজন’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সমাবেশে এই দাবি জানানো হয়। সমাবেশে অংশ নেন ট্রেড ইউনিয়ন নেতা, মানবাধিকারকর্মী, লেখক, প্রকাশক, চলচ্চিত্র পরিচালকসহ সংস্কৃতিমনা নাগরিক সমাজের অনেকেই। 

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘সামান্য মাদক মামলায় একজন মানুষকে জামিন না দিয়ে দুইবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। যা অযৌক্তিক। আমরা অতীতে দেখেছি মাদক মামলায় অনেকে জামিনে বেরিয়েছে, তাহলে তাকে কেন বারবার জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। তিনি একজন শিল্পী, তার হেনস্তা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সরকার বিরোধী কোনও কথা বলছি না। আমরা সরকারকে অনুরোধ করি, আমাদের পরীমণিকে ফিরিয়ে দিন। আমরা তাকে আবারও শুটিং সেটে দেখতে চাই।’

পরীমণিকে নিয়ে নির্মিতব্য ‘প্রীতিলতা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক রাশিদ পলাশ বলেন, ‘আমি চাই ইতিহাসের পাতায় লুকিয়ে থাকা বীরদের সব দর্শকের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে। এই লক্ষ্যেই প্রীতিলতা সিনেমাটি বানাতে চেয়েছিলাম। যার প্রধান চরিত্রে বেশ আগ্রহ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন পরীমণি। আজ আমরা এখানে সেই প্রীতিলতার জন্য দাঁড়িয়েছি। আমরা পরীমণির মুক্তি চাই। তিনি একজন শিল্পী। একজন শিল্পীকে তার সম্মানটুকু দেওয়া উচিত। তাকে প্রাপ্য সম্মানটুকু দিয়ে আবার চলচ্চিত্র অঙ্গনে ফিরিয়ে দেয়া হোক।’ 

সমাবেশে লেখক ও মানবাধিকারকর্মী শ্বাসতী বিপ্লব বলেন, ‘‘যাকে যখন ভালো লাগবে না তাকে তখন ‘নষ্ট মেয়ে’র তকমা লাগিয়ে দেবেন। এটা হতে পারে না। তকমা লাগানো খুবই সহজ। প্রতিটি প্রতিবাদী নারীকে নষ্টা মেয়ে তকমা লাগাতে পারেন। কারা এই মেয়েদের নষ্ট করেছে? মৌলবাদীদের মতো মতো আপনারা এখন নারীদের চরিত্র হননে ব্যস্ত হয়ে গেছেন। এই কাজের জন্য আপনাদের আমরা ধিক্কার জানাই।’’

বিক্ষুব্ধ নাগরিকজনের আহ্বায়ক ও শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকার রবিন আহসান বলেন, ‘গণমাধ্যম টানা পরীমণিকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করছে। পুলিশ যেভাবে উপস্থাপন করছে, সংবাদমাধ্যমও সেভাবেই কাজ করছে! স্বাধীনতার ৫০ বছর পরে এই প্রথম এভাবে নারী নিপীড়নের সংবাদ প্রচার হচ্ছে। আমরা শুধু এখানে পরীমণির জন্য দাঁড়াইনি, আমরা দাঁড়িয়েছি বাংলাদেশের পুরো নারী সমাজের জন্য।’

সমাবেশের এক পর্যায়ে দূর লন্ডন থেকে টেলিফোনে যুক্ত হন সাংবাদিক ও কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরী। তিনি ফোনের মাধ্যমেই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। পরীমণিকে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানান। 

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকারকর্মী মুশফিকা লাইজু, নির্মাতা রায়হান জুয়েল, সংগীতা ঘোষ, প্রকাশক দেলোওয়ার হোসেন, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম, গণজাগরণ মঞ্চের সংগঠক আকরামুল হক, মুক্তিযোদ্ধা ও শ্রমিক নেতা আবুল হোসাইন প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT