মঙ্গলবার, ০৫ Jul ২০২২, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
পরীক্ষা না দিয়েই চার শিক্ষার্থীর পিইসি পাস

পরীক্ষা না দিয়েই চার শিক্ষার্থীর পিইসি পাস

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি)পরীক্ষা না দিয়েই চার শিক্ষার্থী পাস করার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় চলছে। বুধবার এই তথ্য জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন, কর্তৃপক্ষের দুর্নীতির কারণে এমনটা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে শনিবার একযোগে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৭ এর ফলাফল প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বেতিয়ারা, মুন্সিরহাট ও পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই পাস করে। এতে ওই চার শিক্ষার্থীর বাবা-মাসহ স্থানীয়রা অবাক হয়েছেন। শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে পুরো এলাকায় চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তথ্যটি স্বীকার করেছেন বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হামিদা আক্তার ও মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুশিউর রহমান ও পদুয়া (দক্ষিণ) প্রধান শিক্ষক।

পরীক্ষা না দিয়ে পাস করা শিক্ষার্থীরা হচ্ছেন- উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের বেতিয়ারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র এবায়দুল হোসেন তার রোল নং- ৭৬৮২, প্রাপ্ত জিপিএ-৩.৫৮, মোট নম্বর ৩৭৮, মুন্সিরহাট ইউনিয়নের মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী মোসা. সাথি আক্তার, তার রোল নং- ৪৪৭০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৫০, মোট নম্বর ৩০৫, আলকরা ইউনিয়নের পদুয়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী আয়শা আক্তার, তার রোল নং- ৮১৮৯, প্রাপ্ত জিপিএ-২.৩৩, মোট নম্বর ২৯০ এবং একই স্কুলের নুসরাত জাহান, তার রোল নং- ৮১৯০, প্রাপ্ত জিপিএ-২.২৫, তার মোট নম্বর ২৯৩।

তবে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সত্যি হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT