‘তেল গ্যাস অনুসন্ধানে জাতীয় অগ্রাধিকার জরুরি’ - CTG Journal ‘তেল গ্যাস অনুসন্ধানে জাতীয় অগ্রাধিকার জরুরি’ - CTG Journal

বৃহস্পতিবার, ০৬ মে ২০২১, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করেই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা খালেদা জিয়ার আবেদন ইতিবাচকভাবে দেখছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিক সত্যজিৎ এর উপর হামলা: জড়িতদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবীতে উত্তাল খাগড়াছড়ি রাউজানে খাবার হোটেলে স্বাস্থ্য বিধি অমান্য, জরিমানা এতিমদের সম্মানে সানরাইজ ফাউন্ডেশনের ইফতার ও দোয়া রাউজানে ৪০ জন কৃষক পেল ২০ লক্ষ টাকার কৃষি ঝণ রাউজানে মসজিদ পরিচালনা কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্ব: পলাতক আসামি গ্রেফতার ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে ঈদের আগে ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে থাকতে হবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের লামায় ৩০০জন কর্মহীন মানুষকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক উপহার প্রদান মহালছড়ি সেনা জোনের ব্যবস্থাপনায় মানবিক সহায়তা রামগড়ে হিমাগার না থাকায় নষ্ট হচ্ছে উৎপাদিত পণ্য, ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষক
‘তেল গ্যাস অনুসন্ধানে জাতীয় অগ্রাধিকার জরুরি’

‘তেল গ্যাস অনুসন্ধানে জাতীয় অগ্রাধিকার জরুরি’

বাংলাদেশে তেল গ্যাস অনুসন্ধান কাজে গতি আনতে নিজস্ব অর্থায়নে একক বাপেক্স নির্ভর না করে স্থল ও সাগরে অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিকে আনতে হবে, বাপেক্সকেও কাজ করতে হবে একক ও যৌথ উদ্যোগে।

আজ শনিবার (১ মে) এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত এক অনলাইন আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘পোস্ট কোভিড হাইড্রোকার্বন এক্সপ্লোরেশন চ্যালেঞ্জেস ফর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় সঞ্চালনা করেন এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লাহ আমজাদ হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পরামর্শক ইঞ্জি খন্দকার আবদুস সালেক। আলোচনায় অংশ নেন জ্বালানি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবুল মনসুর,  প্রফেসর ড. বদরুল ইমাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক  মোক্তাদির আলীসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, বাপেক্স নিজস্ব সিদ্ধান্তে কোনও কাজ করতে পারে না। বরং জ্বালানি বিভাগ থেকে তাদের পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তারা মনে করেন, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কাজ করার ক্ষেত্রে তাদের আরো স্বাধীনতা দেওয়া জরুরি। তাই আইওসিদের বিনিয়োগ আনতে হবে। বিশেষ করে স্থলভাগের পশ্চিমাঞ্চল ও গভীর কাঠামোতে অনুসন্ধানে এর কোনও বিকল্প নেই।

মুল প্রবন্ধে ইঞ্জি খন্দকার আবদুস সালেক বলেন, নিজস্ব গ্যাসের জোগান বাড়াতে না পারলে কেবল এলএনজি আমদানি জ্বালানি নিরাপত্তা দিতে পারবে না।আর সেটির জন্য আইওসিদের আকর্ষণ করার মতো নীতি হাতে নিতে হবে। আর এটা শুরুর করার জন্য মাল্টি ক্লায়েন্ট সার্ভে শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার নেই, হাতে থাকা ডাটা ব্যবহার করেই তা করা সম্ভব। তবে পিএসসি দলিলে গ্যাসের দামের যে ক্যাপিং করা আছে তা বদলাতে হবে। বরং পিএসসি জন্য একটি প্রাইসং ফর্মুলা যুক্ত করতে হবে। যার আলোকে অনুসন্ধান শুরুর ৮/১০ বছর পর যখন উৎপাদন শুরু হবে তখন দাম নির্ধারণ করা যাবে। সরকারের উচিত তেল গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য এখনই একটি জাতীয় অগ্রাধিকার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা। যার আওতায় কভিড পরিস্থিতির উন্নতি হলেই বাপেক্স, আইওসি, পিএসসি ও জয়েনভেঞ্চার সব উদ্যোগ মিলিয়ে একইসঙ্গে কমপক্ষে ১০টি রিগকে অপারেশনাল করা। আর এগুলো করতে না পারলে আগামী ৫/৬ বছরের মধ্যে দেশকে বড় ধরনের গ্যাস সংকটে পড়তে হবে।

পাহাড়ের অনুসন্ধানে জাপানের মিটসুই ৬টি কাঠামো চিহ্নিত করে অনুসন্ধান শুরুর প্রস্তাব দিলেও তা সিদ্ধান্তহীন পড়ে আছে। তাদের কাজ শুরুর জন্য এখনই সবুজ সংকেত দেওয়া উচিত। এদিকে ছাতক গ্যাস ক্ষেত্র উন্নয়নে এখন বিনিয়োগ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে কাজ শুরু করা উচিত। তবে মনে রাখতে হবে কেবল বাপেক্সর জন্য অপেক্ষা করে লাভ নেই। বরং তেল গ্যাস অনুসন্ধানে ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের কাজে আইওসিদের আকর্ষণ করতে পরিকল্পনা মাফিক উদ্যোগ নিতে হবে। 

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT