ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন - CTG Journal ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন,এ আইনে অপপ্রয়োগ বন্ধ এবং নোয়াখালীতে সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন সাধারণ সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) কাওরান বাজারে সার্ক ফোয়ারার সামনের সড়কে তারা এই মানববন্ধন করেন।

এ সময় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ বলেন, ‘এই আইন তৈরির প্রক্রিয়া যখন শুরু হয়, তখন থেকেই সাংবাদিক সমাজ এবং সাধারণ মানুষ এ আইন নিয়ে এক ধরনের ভীতির মধ্যে ছিল। সাংবাদিকদের লেখনীর ধারাকে রুখে দিতে এই আইন একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করছে। এই আইনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা,সাধারণ মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হরণ করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় একের পর এক মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। দিনের পর দিন জেলে রাখা হচ্ছে।’

তিনি  বলেন, ‘সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, কর্মকর্তা, বেসরকারি বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের যারা দুষ্টু লোক আছেন, তারা এই আইনে মামলার ভয় দেখিয়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব থেকে বিরত করার চেষ্টা করছে। এই আইনটি করার আগ মুহূর্তে সাংবাদিকরা যে আশঙ্কা করছিল যে, আইনটি দ্বারা তাদের বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হবে. এখন সেটা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। এ ছাড়াও সাধারণ মানুষকে যে বাক-স্বাধীনতার অধিকার সংবিধানে দেওয়া হয়েছে, সেখানেও প্রতিবন্ধকতা দেখা গেছে।’

মানববন্ধনে সাংবাদিকরা বলেন, আমরা দাবি করবো আইনটি যদি বিলুপ্ত করা যায়, তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়। তা না-হলেও এই আইন সংশোধন করে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকে যেন এর আওতামুক্ত রাখা হয়।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আক্তার হোসেন বলেন, ‘এই আইন নিয়ে সাংবাদিক সমাজের যে উদ্বিগ্নতা ছিল, তা আজ প্রমাণিত হয়েছে। সাংবাদিকরা এখন একটা স্ট্যাটাস দিতে গিয়েও ভয় পায়। তারা মনে করেন, একটি স্ট্যাটাস দিলে  মামলা দিয়ে তাদের জেলে পাঠানো হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে তার প্রমাণ আপনারা পেয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, সাংবাদিক সমাজ মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তারা স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা পেশায় থাকতে চান।’

নোয়াখালীতে সাংবাদিকের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে আক্তার হোসেন  বলেন, ‘এক ধরনের কালো অধ্যায় তৈরি হয়ে যাচ্ছে। কোনও সাংবাদিক মারা গেলে ও আহত হলে সেটার মামলা হয় না, তদন্ত হয় না, চার্জশিট জমা পড়ে না। একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ভয়ে, অপরদিকে সাধারণভাবে কাজ করতে গেলেও ভয় কাজ করে। পাড়া-মহল্লায় মস্তান বাহিনী তৈরি হয়েছে। তারা সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আমি মনে করি, প্রত্যেকটি ঘটনায সরকারের তদন্ত করা দরকার। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে শাস্তি দেওয়া হোক।’

‘সাধারণ সাংবাদিকবৃন্দের’ ব্যানারে এ সময় তিনটি দাবি তুলে ধরা হয়। তাদের দাবিগুলো হচ্ছে— নোয়াখালীতে সাংবাদিক হত্যার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করা।  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সংশোধন এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কোনও মামলা হলে তার জন্য আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন।

মানববন্ধনে ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের  সাংবাদিকরা অংশ গ্রহণ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT