জেলহাজতে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল - CTG Journal জেলহাজতে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:২০ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
হেফাজত নেতা মাওলানা আজিজুল ৭ দিনের রিমান্ডে মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাউল কালোবাজারে! নিন্মমানের পচা ও র্দুগন্ধযুক্ত সিদ্ধ চাউল বিতরণে ক্ষোভ ২১২টি পূর্ণাঙ্গ আইসিইউ বেড নিয়ে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল এলোমেলো হেফাজত, এখনই ‘কর্মসূচি নয়’ ২৪ ঘণ্টায় ১০২ মৃত্যুর রেকর্ড হেফাজতের ঢাকা মহানগর সভাপতি জুনায়েদ আল হাবিব রিমান্ডে করোনা পজিটিভ হওয়ার একদিনের মধ্যেই কারাবন্দির মৃত্যু যেভাবে গ্রেফতার হলেন মামুনুল হক ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন দেয়া হতে পারে নাক দিয়ে! শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের দায় মালিকপক্ষ এড়াতে পারে না: সুজন হেফাজত নেতা মামুনুল গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে শনাক্ত কমলেও মৃত্যু কমছে না
জেলহাজতে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল

জেলহাজতে কোম্পানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বাদল

কোম্পানীগঞ্জের সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত। ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে চাপরাশিরহাটে পুলিশের ওপর হামলা ও পুলিশি কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় আসামি দেখিয়ে শুক্রবার (১২ মার্চ) তাকে আদালতে তোলা হয়। পরে দুপুরে ১ নম্বর বিচারিক আমলি আদালতের বিচারক শোয়াইব উদ্দিন খান তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সাদা পোশাকের একদল লোক নোয়াখালী প্রেসক্লাব এলাকা থেকে বাদলকে তুলে নিয়ে যান। পরে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনও দায়িত্বশীল ব্যক্তি বা সংস্থা বাদলকে আটকের কথা স্বীকার করেনি। ৭ টা ২০ মিনিটে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন হোয়াটস্অ্যাপে মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করেন।

গত ২ মাস ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই এবং বসুরহাট পৌরসভার মেয়র মির্জা কাদেরের সঙ্গে জেলা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের বিরোধের জের ধরে এক অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিলে পৃথক পৃথক এলাকায় দুইবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ১৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বিকালে চাপরাশিরহাটে প্রথম সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কির গুলিবিদ্ধ হন এবং ২০ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) রাত ১০টা ৪৪ মিনিটে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

পরে ৯ মার্চ বিকালে বসুরহাট রূপালী চত্বরে মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারীরা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেয়।সমাবেশ চলাকালে মির্জার অনুসারীরা জেলা আওয়ামী লীগের বরাত দিয়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধের পরেও কেন তা হচ্ছে, এ নিয়ে বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে রাত ১০ টায় বাদলের অনুসারীরা বসুরহাট পৌর ভবনকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ সময় ১৩ জন গুলিবিদ্ধসহ ৩০ জন আহত হন। এদের মধ্যে সিএনজিচালক আলাউদ্দিনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকের হোসেন হৃদয়কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT