জরুরি বৈঠকের পর হেফাজতের দাবি ‘মামুনুলের বিবাহ শুদ্ধ’ - CTG Journal জরুরি বৈঠকের পর হেফাজতের দাবি ‘মামুনুলের বিবাহ শুদ্ধ’ - CTG Journal

সোমবার, ১৯ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টার্গেটে আরও দুই ডজন হেফাজত নেতা আবারও চিকিৎসক দম্পতিকে জরিমানা ভার্চুয়াল কোর্টে জামিন পেয়ে কারামুক্ত ৯ হাজার আসামি লকডাউনের পঞ্চম দিনে ১০ ম্যাজিস্ট্রেটের ২৪ মামলা ওমানের সড়কে প্রাণ গেলো তিন প্রবাসীর, তারা রাঙ্গুনিয়ার বাসিন্দা একই কেন্দ্রে টিকা না নিলে সার্টিফিকেট মিলবে না মামুনুলের বিরুদ্ধে অর্ধশত মামলা, সহসাই মিলছে না মুক্তি ফিরতি ফ্লাইটের টিকিট পেতে সৌদি প্রবাসীদের বিশৃঙ্খলা সেরে ওঠা কোভিড রোগীদের জন্য কি ভ্যাকসিনের এক ডোজই যথেষ্ট? মানিকছড়িতে ভিজিডি’র চাল বিতরণ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ নিরাপদ কৌশল লকডাউন: স্বাস্থ্য অধিদফতর ৩৬ লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী
জরুরি বৈঠকের পর হেফাজতের দাবি ‘মামুনুলের বিবাহ শুদ্ধ’

জরুরি বৈঠকের পর হেফাজতের দাবি ‘মামুনুলের বিবাহ শুদ্ধ’

ইসলামি শরিয়তের আলোকে মাওলানা মামুনুল হকের বিয়ে পরিপূর্ণ শুদ্ধ হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। এ নিয়ে বিভ্রান্তির কোনও অবকাশ নেই বলেও মন্তব্য করেন তারা। সোমবার (৫ এপ্রিল) ঢাকায় ঢাকা হেফাজতের কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতারা বৈঠক করেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে মামুনুল হকের ‘বিবাহ পরিপূর্ণ শুদ্ধ মর্মে নিশ্চিত’ হওয়ার দাবি করলেও তা প্রথম না দ্বিতীয় বিবাহ এ বিষয়ে পরিষ্কার করা হয়নি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে হেফাজতের ঢাকার কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ নেতারা জরুরি বৈঠক করেন মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসায়। এই মাদ্রাসাটি পরিচালনা করেন মামুনুল হকের ভাই মাওলানা মাহফুজুল হক।

হেফাজতের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুরীর সভাপতিত্বে সভায় নেতারা বলেন, মাওলানা মামুনুল হক গত ৩ এপ্রিল তার স্ত্রীকে নিয়ে সোনারগাঁ রিসোর্টে গিয়েছিলেন। ইসলামি শরিয়তের আলোকে তার বিবাহ পরিপূর্ণ শুদ্ধ মর্মে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। এ নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। দেশের যেকোনও নাগরিক তার স্ত্রী-পরিবার নিয়ে যেকোনও স্থানে যাওয়ার অধিকার রাখেন।

তারা বলেন, জাতীয় সংসদে একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত বিষয়কে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, এটা জনগণ আশা করেনি। আমরা এ বক্তব্য প্রত্যাহার করার আহ্বান জানাই।

হেফাজত নেতারা আরও বলেন, ২৬, ২৭ ও ২৮ মার্চ বায়তুল মোকাররম, হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জসহ সারাদেশে হেফাজত কর্মী ও প্রতিবাদী মানুষের ওপর হামলা করা হয়েছে। এতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীতে ২০ জন মারা যান। এসব হত্যাকাণ্ড ও হামলার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে আমাদের অসংখ্য কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম, উপদেষ্টা মাওলানা আবুল কালাম, নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা মাহফুজুল হক, অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের, মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, সহকারী মহাসচিব মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মাওলানা হাসান জামিল, মাওলানা জসিমউদ্দীন, মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন রাজী, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, অর্থ সম্পাদক মাওলানা মুনির হোসাইন কাসেমী, ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়সাল আহমদ, সহ-অর্থ সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন কাসেমী, সহকারী সমাজকল্যাণ সম্পাদক মাওলানা গাজী ইয়াকুব, ঢাকা মহানগর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, মাওলানা ফজলুর রহমান প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT