শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৪০ অপরাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
চার লেন হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা সড়ক

চার লেন হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা সড়ক

সিটিজি জার্নাল নিউজঃ টঙ্গির বিশ্ব ইজতেমা মাঠ এবার পাচ্ছে চার লেনের প্রসস্ত সড়ক। ৪৯ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি নির্মাণে সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক এগোলে ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা হবে।
প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে- এর মধ্য দিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম গণজমায়েতের স্থান বিশ্ব ইজতেমা মহাসড়ক প্রশস্তকরণ এবং বিদ্যমান সড়ক নেটওয়ার্কের মান উন্নয়ন হবে। এছাড়াও নিরাপদ, আরামদায়ক, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ী সড়ক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় ১.২০ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ, সড়কের দুই দিকে মোট ২.৪০ কিলোমিটার ফুটপাথ নির্মাণ এবং বিদ্যমান ১.২০ কিলোমিটার পেভমেন্ট মজবুত ও প্রশস্ত করা হবে। এছাড়া ৬০ দশমিক ৯৮ মিটার দৈর্ঘ্য কামারপাড়া পিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ, সার্ফেসিং, হার্ড সোল্ডার নির্মাণ, কামারপাড়া স্টিল ব্রিজ নির্মাণ, দুটি ইন্টারসেকশন উন্নয়ন, ৪০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থাপনসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

‘ইজতেমা মহাসড়ক (আর-৩০৩) ৪ লেনে উন্নীতকরণ’ নামের এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত ২ নভেম্বর প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা হয়। ওই সভায় বিভিন্ন সুপারিশ দিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায়। কমিশন নতুন করে আরও কিছু সুপারিশ যুক্ত করে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে ডিপিপি সংশোধন করে পাঠালে একনেকে অনুমোদনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করবে পরিকল্পনা কমিশন।

ইজতেমা ছাড়াও সড়কটির গুরুত্ব রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এটি টঙ্গী বাইপাস সড়ক হিসেবে দুটি গরুত্বপূর্ণ জাতীয় মহাসড়কের সংযোগ সড়ক হিসেবে কাজ করছে। যা টঙ্গী স্টেশন, মন্নু সিরামিক থেকে শুরু হয়ে উত্তরার কামারপাড়ায় এসে শেষ হয়েছে।

এছাড়া আব্দুল্লাহপুর, জংশন থেকে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে এই সড়কটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি বলেন, ইজতেমা এলাকার সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিষয়টি বিবেচনা করে এ প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রথম পর্যায়ে ২৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা ব্যয়ে এবং ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। ২০১৬ সালের ২৭ মার্চ পিইসি সভায় পরিকল্পনা কমিশন থেকে দেয়া সুপারিশে বলা হয়, প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত সড়কে বিদ্যমান ব্রিজের ভার্টিক্যাল ক্লিয়ারেন্স নির্ধারণের বিষয়ে ঢাকা শহরের চারদিকে বৃত্তাকার নৌ-পথ প্রকল্প সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামত ডিপিপিতে যুক্ত করতে হবে। এছাড়া আরও বেশ কিছু সুপারিশ দেয়া হয় ওই সভা থেকে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ডিপিপি পূর্নগঠন করে ৪৯ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরে প্রকল্পটির ডিপিপি সংশোধন করা হয়েছে।

একে/এম

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT