চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - CTG Journal চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - CTG Journal

বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
কাদের মির্জার ভাই ও ছেলেসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের তাণ্ডব: আরও ৭ গ্রেফতার সমঝোতা নয় হেফাজতকে শক্তভাবে দমনের দাবি লকডাউনে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ চলবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট লোহাগাড়ায় একদিনেই ৩৩ জনকে জরিমানা তথ্যপ্রযুক্তি আইনে নুরের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন ৬ জুন সালথা তাণ্ডব: সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান গ্রেফতার বাঁশখালীতে ‘শ্রমিকরাই শ্রমিকদের গুলি করে হত্যা করেছে’! প্রাথমিক শিক্ষকদের আইডি কার্ড দেওয়ার আশ্বাস ‘নারী চিকিৎসকের প্রতি পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখা যায়নি’ চুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ২৪ এপ্রিল মিকনকে ক্রসফায়ারে দেওয়া হবে: কাদের মির্জা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় তিন জনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালাত। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো.জিয়াউর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো, কসিমুদ্দিনের ছেলে সোহেল বাবু, বিশু খলিফার ছেলে দবির আলী ও ফড়িং বিশ্বাসের ছেলে আমিনুল ইসলাম। সবার বাড়ি সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নের  চুনাখালি খলিফা পাড়া গ্রামে।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৬ জুন রাতে আসামি সোহেল বাবু নির্যাতিতাকে বিয়ে করার কথা বলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হোসেন ডাঙ্গা এলাকার একটি বরই বাগানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ধর্ষক দবির ও আমিনুল তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে  পালিয়ে যাওয়ার সময় ওই নারীর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে সোহেল বাবুকে আটক করে। এ সময় আসামি দবির ও আমিনুল ইসলাম পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০১৫ সালের ৭ জুন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় নির্যাতিতা নিজেই বাদী হয়ে আসামি সোহেল, দবির ও আমিনুলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে ৩০ জুন ২০১৫ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক দুলাল উদ্দিন।

সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে বুধবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর বিচারক অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. জিয়াউর রহমান আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর কারাদণ্ড দেয়েছেন। এ সময় আসামি সোহেল বাবু আদালতে উপস্থিত ছিল। মামলার অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছে।

সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি আঞ্জুমান আরা এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট বিলকিস খাতুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT