মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

        English
শিরোনাম :
রোহিঙ্গা ও আটকে পড়া পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের বোঝা: প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনিসহ মাধ্যমিকের বার্ষিক পরীক্ষার সূচি প্রকাশ দুই ডোজ টিকা নিয়েছেন ১ কোটি ৮২ লাখ মানুষ পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্য ব্যবহার করবো: প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ায় করোনার ধাক্কা সামলানোর শীর্ষে বাংলাদেশ স্কুল শিক্ষার্থীদের শিগগিরই টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদীয়া দুর্গাপুজা উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে মন্দিরে আর্থিক সহায়তা প্রদান করলেন সেনা জোন রামগড়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পথে কামাল ‘করোনা পরবর্তী পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীল পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা জরুরি’ ৬ ছাত্রের চুল কেটে দেওয়া শিক্ষক কারাগারে জাতীয় পার্টির নতুন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন ১১ নভেম্বর
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা-আবদুল্লাহ আল নোমান আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা-আবদুল্লাহ আল নোমান আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে

গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে।
আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করে গণতন্ত্র ও মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে বলে অভিযোগ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা ছিল গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাক স্বাধীনতা কিন্তু আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় আসে প্রতিবারেই তাঁরা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাক স্বাধীনতা হরণ করে। ’৭৫ সালে তাঁরা বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতা হরণ করেছিল। পরবর্তিতে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশবাসীকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিল। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির গৃহীত তিনদিন ব্যাপী কর্মসূচীর দ্বিতীয় দিনে নাসিমন ভবনের সম্মূখস্থ মাঠে আজ বিকাল ৩টায় মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার, বাক স্বাধীনতা, ভোটাধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি কিন্তু স্বাধীনতা অর্জনের ৪৬ বছর পার হলেও দুঃখজনক সত্যি হল আমরা এখনো গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার হীনতার মধ্যে জীবনযাপন করছি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারীর ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার হরণ করে জগদ্দল পাথরের মত রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে দেশে অঘোষিতভাবে বাকশালী শাসন চালাচ্ছে। আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশের মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোন নিশ্চয়তা নেই। ’৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী রাতের অন্ধকারে যেভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মমভাবে হত্যা ও গুম করেছিল স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরেও বর্তমানে দেশে সেই একই কায়দায় সরকার ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরকে গুম ও হত্যা করছে। একটি স্বাধীন দেশে নির্বিচারে গুম ও বিচার বর্হিভূত হত্যাকান্ড হচ্ছে আর আমাদের নীরবে তা প্রত্যক্ষ করতে হচ্ছে এই জন্য তো আমরা মুক্তিযুদ্ধ করিনি। তিনি অদ্য ১৫ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় তিনি বলেছেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে এদেশের মুক্তিকামী জনতা মুক্তিযুদ্ধের ঝাপিয়ে পড়েছিল। শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ক্রান্ত হননি, তিনি জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং ১নং সেক্টর ও ১১নং সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে নেতৃত্ব দিয়ে যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছিলেন। তাই আমরাই বলতে পারি বিএনপি মুক্তিযোদ্ধাদের দল। তিনি আরও বলেন, এদেশের মানুষের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার জন্য আরেকবার সংগ্রাম করতে হবে। এদেশের মানুষকে স্বৈরাচারের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান শামীম বলেন, এই দেশের মানুষ স্বৈরাচারী সরকার শেখ হাসিনার কবল থেকে মুক্তি চাই। আগামী ১৮ সাল হবে স্বৈরাচার মুক্ত খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ।
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আওয়ামীলীগের পাঁয়ের তলায় মাঠি নেই। নির্বাচন দিলে তারা তাদের পরাজয় নিশ্চিত। দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার জন্য এদেশের জনগণ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আগামী দিনে রাজপথে জোরদার আন্দোলন গড়ে তুলবে।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আলহাজ্ব শামশুল আলম, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. ছিদ্দিক আহমদ চৌধুরী, নগর বিএনপির উপদেষ্টা আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম, নগর বিএনপির সহ-সভাপতি এম এ সবুর, এড. আব্দুচ সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, ইকবাল চৌধুরী, এড. আবদুচ সাত্তার সরওয়ার, যুগ্ম সম্পাদক কাজী বেলাল উদ্দিন, এসকান্দর মির্জা, আর.ইউ. চৌধুরী শাহীন, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, আনোয়ার হোসেন লিপু, টিংকু দাশ, গাজী সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT