চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালে দ্রুত হবে অর্থনীতির গতি - CTG Journal চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালে দ্রুত হবে অর্থনীতির গতি - CTG Journal

রবিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

        English
চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালে দ্রুত হবে অর্থনীতির গতি

চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনালে দ্রুত হবে অর্থনীতির গতি

চট্টগ্রাম বন্দরের বে-টার্মিনাল হলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘পতেঙ্গা হালিশহরের সমুদ্র তীরবর্তী ভূমি উদ্ধার করে বে-টার্মিনাল নির্মাণ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই টার্মিনাল নির্মাণের পর চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। যত দ্রুত সম্ভব বে-টার্মিনালের কাজ সম্পন্ন করতে পারলে দেশের অর্থনীতির গতি বৃদ্ধি পাবে ও মঙ্গল বয়ে আনবে।’

বুধবার (৭ এপ্রিল) বে-টার্মিনাল নির্মাণ এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম ও উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।

রেজাউল করিম চৌধুরী আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ৯৫০ একর এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠতে যাওয়া এই বে-টার্মিনাল নির্মাণের ফলে বর্তমানের তুলনায় বেশি ড্রাফটে আরও বেশি জাহাজ এখানে ঘোরানো ও নোঙর করার সুযোগ সৃষ্টি হবে। জোয়ার-ভাটার হিসাব না করেই জাহাজ ভেড়ানোর সুযোগ থাকায়, পণ্য ওঠা-নামায় গতি আসবে, খরচ কমে আসবে। স্বাভাবিকভাবেই রফতানি আয়ও বৃদ্ধি পাবে অনেক। তাই প্রয়োজনে আরও সম্প্রসারণের যথেষ্ঠ সুযোগ থাকায় বে-টার্মিনাল হবে বর্তমান ও আগামীর বন্দর।

তিনি আরও বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু বাঙালির মহান মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রামের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা ও আত্মত্যাগ নিয়ে আমরা গৌরব করি। ‘বীর চট্টলা’ শব্দটি উচ্চারণ করতে ও শুনতেই গর্বে আমাদের বুক ভরে যায়। কিন্তু যাদের আত্মাহুতি ও বীরত্বের কারণে দেশের একমাত্র জেলা হিসেবে আমাদের প্রিয় চট্টলার আগে বীর তকমা পেয়েছি, সেই আত্মবলিদান ও বীরত্বপূর্ণ ঘটনার স্থানসমূহ নানা প্রতিকূলতার কারণে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গুলো উদ্ধার ও সংরক্ষণ করে পূর্বপুরুষের মহান ত্যাগ ও বীরত্বগাথা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালনে সিটি করপোরেশন থেকে উপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ আমার নির্বাচনি অঙ্গীকার ছিল। সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে পরামর্শক্রমে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করার কথা জানান তিনি।

Please Share This Post in Your Social Media

Powered by : Oline IT